somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সত্য প্রকাশ করুন

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একদিকে বলছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ কে বিশ্ববিদ্যালয় করতে ওনাদের কোন টাকা লাগবে না বরং উল্টা ইউনিভার্সিটি সরকারকে টাকা দিবে। অন্য দিকে বলছেন হসপিটাল সার্ভিস আগের মতই থাকবে, তাহলে টাকা আসবে কোত্থেকে? আবার নেতারা হিসেব করছেন কার কতো মাসে এক্সট্রা ইনকাম হবে হাসপাতাল থেকে! ওনারা বলছেন সরকার চাচ্ছে পর্যায়ক্রমে পুরনো মেডিক্যাল কলেজ গুলকে ইউনিভার্সিটি বানাতে অন্য দিকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বলছেন ইউনিভার্সিটি করার জন্য এলামনি ট্রাস্ট অব ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ যেন অর্ধেক টাকা যোগার করে। আমার মনে হয় এলামনি ট্রাস্ট এর লোকজনের বারংবার পীড়াপীড়িতে প্রধান মন্ত্রী বিরক্ত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হায়রে ডিএমসি এলামনি ট্রাস্ট তোরা সারা জীবন ডিএমসি কে শুষে খেয়ে এখন এটার অস্তিত্ব বিলীন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিস!!! এর নাম কি এলামনি ট্রাস্ট? যে এলামনি প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্তের জন্য সংগ্রাম করার কথা সেই এলামনি আজ একে বিলুপ্তির পথে নিয়ে যাচ্ছে! কিন্তু কেন? যারা এলামনির হর্তা-কর্তা তাঁদের কিছু ব্যক্তিগত ফায়দা এর জন্যই এরূপ করছেন। একদিকে বলছেন মেডিক্যাল কলেজ এর মান অক্ষুণ্ণ রাখবেন অন্যদিকে নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলুপ্ত করছেন। এইগুলা কি হাস্যরস নয়? গুডউইল বলে একটা কথা আছে ,যার দাম অনেক অনেক বেশী। এই মেডিক্যাল কলেজটা বাংলাদেশের জন্য একটা গুডউইল। কয়েকদিন আগে পত্রিকায় দেখলাম এই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এর এক কৃতি সন্তান আমেরিকার শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক নির্বাচিত হয়েছেন। এই মেডিক্যাল কলেজ এর সন্তানেরা সারা বিশ্বে বাংলাদেশ এর নাম আরও উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছে। এই ঢাকা মেডিক্যাল এর মাধ্যমে অনেকে বাংলাদেশকে চিনেছেন। ঢাকা মেডিক্যাল এর ঐতিহ্যের কারনে এদেশের চিকিৎসকরা বিদেশের মাটিতে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। আর এই সুযোগ সুবিধা গুলো পাচ্ছেন ঢাকা মেডিক্যাল এর গুডউইল এর জন্য। সেই গুডউইল আর পরিচিতিটাকে নিমিষে হাওয়ায় মিলিয়ে দিতে চাইছেন ইউনিভার্সিটি এর নাম করে। আমি বুঝিনা তাঁরা কেন এই সিম্পল ব্যাপারটা বুঝতেছেন না!! আসলে ওনারা সবাই খুদ্র স্বার্থের আবর্তে বৃহত্তর স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিতে চাইছেন। আমরা খুবই স্বার্থপর জাতি। এইসব মেডিক্যাল হল ডাক্তার তৈরির কারখানা। এখান হতে বাহির হচ্ছে হাজার হাজার ডাক্তার। এখানকার ট্রেনিং এর কোন বিকল্প নাই। ইউনিভার্সিটি করে সেই ট্রেনিং এর উন্মুক্ত দ্বারকে চিরদিনের জন্য রুদ্ধ করে দিতে চাইছেন ওনারা,যেমনটি হয়েছে বিএসএমএমইউ তে। জাতীকে ওনারা কি দিতে চাইছেন ওনারা নিজেরাও জানেন না। ওনারা শুধুই ইউনিভার্সিটি বানাতে চাইছেন ঢাকায় আজীবন থাকার জন্য বিভিন্ন পস্ত/পজিসন বাগানোর জন্য সন্তানদের চাকুরী দেয়ার জন্য , দলীয়করনের জন্য,আরও অনেক অনেক ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্য। আসুন আলোচনা করুন, কি করতে চাচ্ছেন নিজে জানুন ও আমাদের জানান। প্রয়োজনে সবার মতামত নিন। উন্মুক্ত আলোচনা করে সবার মতামত নিয়ে ভালো-মন্দ বিবেচনা করে সবাইকে নিয়ে ঐক্যমতের ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। সবাইকে অন্ধকারে রেখে শুধুই ব্যক্তি স্বার্থে সবার ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মাঝে ঠেলে দিবেন না।
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×