দিনকে দিন অপেক্ষা করতে করতে দেখো
বুড়িয়ে গিয়েছে শত বত্সরের চাঁদ এবং
পূর্বান্তের কথকতারা গভীর হতে হতে
কয়েক শতাব্দীর জোছনার লুপ্ততা এক করে ফেলে ;
তথাপি -
শেষ দিনের পারস্পরিক বোধ বাক্যেরা খুব বেশি অস্থির ।
চেয়ে থাকো , পদ্মার জল নিরবধি বয়ে চলে
বরঞ্চ জলের জোছনা রাতের ঝিলমিল শোভায়
কাটিয়ে দেই কয়েকটি রাত, দীর্ঘ অবসরের গীতিকা যেন ;
ওদিকে , বাক্যের আড়ষ্টতা
চেয়ে থাকে মূঢ় গঞ্জের দিকে
এবং দেখো -
দিঘীর জলের ছায়া দীর্ঘ হয় ।
অমাবশ্যার রাতে নিরবিচ্ছিন্ন পঞ্জিকার খেরো খাতায়
ঠিক কতটা মেঘের আনাগোনা হলে আমি বুড়িয়ে যাই,
ঠিক স্বপ্নের ভিমড়ির মতো
লুপ্তেরা ধেয়ে আসে গঞ্জে গঞ্জে
দেখো, স্থির চিত্তের বিষাদ
রূপালী জোছনায় নিরুদ্দেশ ।
এবং বলি -
থেমে যাও।
কতটা গভীর হলে চাঁদ শশ্মানের বিরহ বুকে তুলে নেয়
দীর্ঘ প্রহরের বিচ্ছিন্নতা শেষে মেঘেরা জলের লহমায়
পরিশেষ দিনের গান খুঁজে নেয় ,
ঠিক ততটা গভীর হয়ে গেলে স্নিগ্ধ পৌষের রাত হয়ে যায়
জড়তাগ্রস্ত শীতের উপমা ।
সর্বোপরি , কচ্চদেশীয় চামারের মুখের শুভ কথা
আর - বিভেদের দেশে অতিরঞ্জিত গানের প্রেম
নিরুত্তরে অবসর পায় ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




