ঠিক কেমন করে স্মৃতিরা পায়রা হয়ে উড়তে থাকে
অবলেখ্য পুড়ে পুড়ে কেমন করে শশ্মান হয়ে যায়
আজকের জোছনার রাত গুলো ঠিক কতটা সময়
গুনে গুনে পদ্মার জলে স্নানে নামে , এবং থেকে যায় -
অবসন্ন বিকেলে
রাত্রিরে নির্ঘুম ;
অপেক্ষার পালা বদল হয়ে গেলে
আমিও যেনে যাই, ফিরে যেতে
অথবা ফিরে যাওয়ার কালে এসো
চেয়ে থাকি আর একটিবার পদ্মার জলে
দেখো কেমন করে জোছনারা উঁকি দেয়,
রাত দুপুরে
ঘন আঁধারে
আমার ছোট্ট সোনা মুখ যেন
কত কালের একাকীত্ব ভুগে
প্রতীক্ষার পাপড়ি বুনে একলা
ডেকে চলে গিয়েছে অর্নিবার ।
দিনান্তের শেষে ধুলো হলে বসন আমার
আঙ্গিনে জড়াই, সুখের পায়রা যেন সেই
গত রাতের স্বপ্নের মতন সহসা এসে হারিয়েছে
বাবাই, ছোট্ট সোনা মুখ , আমার জোছনা বাবাই ;
দীর্ঘ কালের অবলেখ্য পুড়ে পুড়ে হৃদয় চিতা হলে
রেখে দেই -
বুকের উম ।
পরিশেষ দিনের পর যে জোছনা ঘেরা পৃথিবী আমার
জেনে যায়, পদ্মায় নেমে আসে বিষণ্ন বিধুর জলের
ধারা ;
আর আমি জোছনায় ভাসতে ভাসতে চলে আসি
কাছে , এ যে বুকের মানিক আমার ।
আমার জোছনা বাবাই ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




