বাহিরে কেমন যেন জোছনা উড়ছে
ঠিক কাশফুলের মতো , মিহি বাতাসে
এ কেমন বিপন্নতা চেপে বোবা কান্নায় ধরে
এখনকার , সেই রৌদ্দুর ঘাট , উঠোন জুড়ে
তোমাদের হুল্লোড় , শান বাঁধানো পুকুর ঘাট ,
বাঁশবন, সর্বজায়ার জঙ্গলে ভৌতিক আচ্ছন্নতা
মধ্য রাতের প্রেতের হুঙ্কার যখন ঠিক বাতাসে উড়ে
এবং সাথে থাকে কয়েকটি পাখির চিত্কার ,
তখনো অচিনপুরে এসে ভীড় করে শেষ বেলার
আজগর মাতুব্বর, সেকালের পিসি ঠাকুর , রুদ্ধ গোসাল
একে একে যারা হারিয়ে চলে গিয়েছিল প্রত্যুষ চিনে ;
অবেলার মাঝি হে -
রৌদ্দুর সাথী করো
মিঠে জোছনার মাঝে
দেখো কেমন যেন থেমে থাকে থমথমে আকাশ
বাগান বাড়ীটা উঠোনে তার ছায়া বিস্তীর্ণ করে
ঠিক যেমন করে জীবন পেরোতে থাকে ।
নৌকার গলুয়ে বসে থাকা
নয়তো পাল তুলে নির্বিকার
গঞ্জের পর গঞ্জের হিসেব চুকে
ঠিক কখন যে বাবাই আসে
সেই যে আমার জোছনা বাবাই ,
পৌষ সংক্রান্তিতে হারিয়ে বড় বিপাকে পড়েছি যখন
অচিনপুরের খাতায় আমিও ছোট্ট মাটির ঢিবি উঁচু করে
শুয়ে পড়ি ,
নির্বিঘ্নে
নিশ্চিন্তে
নির্লীপ্ত হলে হিসেব চুকে যায় রে বাবা ।
না, এখনো নয় , নৌকায় বসে থাকে
জোছনায় পদ্মা কেমন জ্বল জ্বল করে ,
দেখেছো ?
পরশু ভাটির টানে
গঞ্জের পর গঞ্জ শেষে
এখন দু পার , নির্বিবাদে
হারায় ।
অন্ধকার বাড়তে থাকে বাড়তেই থাকে
না, ভুল বললাম ;
রুপালি জোছনায় ডুবে যাচ্ছি আকণ্ঠ
আম্মু আছো ?
- আমি জোছনা বাবাই
রৌদ্দুর হাটে বিকিকিনি শেষ করে ফিরেছি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




