somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলাম ধ্বংসে খৃষ্টান ও মুসলমানদের অবদান

২৩ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
[img|http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/taranaturin/taranaturin-1498237531-86376b2_xlarge.jpg

কিভাবে ইসলাম ধর্মের ভেতর এত কুসংস্কার আসলো, কেনো মুসলিম পরিবারে জন্ম হয়েও জন্মের পর ধর্মীয় শিক্ষা পাওয়ার পরেও আমরা মুসলমানরা জিনা, ব্যাভিচারে এতটা লিপ্ত?? বইটা পড়তে গিয়ে তার কিছূটা উত্তর জানতে পারলাম। তার একাংশ নিচে তুলে ধরলাম।
- "মিশরের মুসলমানদের কেও আমরা আয়ুবীর বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে পারবো।" এক খৃষ্টান কমান্ডার বললো, " মিঃ রজব, মনে কিছু না করলে বলবো, মুসল্মানদের ভেতর ধর্মীয় আবেগ সৃষ্টি করে একজনকে দিয়ে আরেকজনকে হত্যা করানো কঠিন নয়। আমাদের ধর্মে বান্দা এবং খোদার মাঝে এসে দাঁড়িয়েছেন পাদ্রীরা। ইসলামেও কোন ইমাম মসজিদ দখল করে খোদার এজেন্সি নিয়ে বসে আছেন।
আমাদের সম্পদ আছে। টাকা দিয়ে মৌলভী করে আমরাও মিশরের মসজিদে বসিয়ে দিতে পারি। খৃষ্টান দের মধ্যে অনেকে কোরান এবং ইসলামের জ্ঞানে পারদর্শী। ওদেরকেও মুসল্মান দের ইমাম হিসেবে নিয়োগ করা যায়। সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে মসজিদে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। মৌলিভীরা ওয়াজের মাধ্যমে মানুষকে কুসংস্কারের বেড়াজালে আবদ্ধ করবে। তখন স্বাভাবিক ভাবেই আয়ুবির দাপট কমে যাবে।"
"একাজ এখনি শুরু করা উচিত। বললো রজব, "আয়ুবি মিশরে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে। শিশু, কিশোর, যুবক সবাই ওখানে ধর্মের সঠিক শিক্ষা পাচ্ছে।সে আসার পূর্বে মিশরে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিলনা। লোকজন মসজিদে খোৎবা শুনত, যেখানে বেশিরভাগ থাকত খলিফার প্রশংসা।
মানুষের জ্ঞানের চোখ খুলে গেলে আমাদের কাজ করতে কষ্ট হবে। দেশ শাসন করতে হলে মানুষকে দৈহিক ও মানসিকভাবে পরনির্ভরশীল রাখতে হয়।"
"মিঃ রজব! এক কমান্ডার মৃদু হেসে বললো, "..............................আমরা সরাসরি কিছু করার পক্ষে নই। তবে মানসিকভাবে গোঁড়া মুসল্মানদের বিকলাংগ করার জন্য সব কিছুই করা হচ্ছে।
ভেবে দেখুন,........... বিত্তশালী পরিবারের তরুণ তরুণীরা অশ্লীলতা বেহায়াপনায় ডুবে যায়নি???

আমাদের পাঠানো খৃষ্টান মেয়েরা মুসলমানের ছদ্মবেশ নিয়েছে। মুসলিম যুবকদের ভালোবাসার জালে ফেলে একজনকে দিয়ে আরেকজনকে হত্যা করাচ্ছে। কায়রোর স্থানে স্থানে এখন আকর্ষণীয় জুয়ার আখড়া। দুটো মসজিদে রয়েছে আমাদের পাঠানো ইমাম।ওরা ইসলামের রুপ পাল্টে দিচ্ছে। জেহাদের তাৎপর্য্য ব্যাখ্যা করছে ভিন্ন ভাবে।
ওখানে আলেমের ছদ্মবেশ নিয়ে আছে আমাদের বেশ কিছু লোক। ওরা যুদ্ধের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বুঝাচ্ছে। বন্ধু এবং শত্রুর ধারণা পাল্টে দিচ্ছে। আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, ক'বছর পর ওরা নিজেদের মুসল্মান বলে গর্ব করলেও ওদের মন-মানসিকতায় থাকবে খৃষ্টানদের সভ্যতা-সংস্কৃতি। ওরা কথা বলবে আমাদেরই ভাষায়, চিন্তা করবে আমাদের মস্তিষ্ক দিয়ে।"
[পৃষ্ঠাঃ ১৭১, প্রথম পর্ব, ক্রুসেড সিরিজ]
.
উল্লেখ্য, রজব একজন মুসল্মান ছিল। নারী, মদ, স্ফুর্তি এসবের সাথেও জড়িত ছিল। শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে সালাউদ্দীন আয়ুবীর মতো একজন ধর্ম পরায়ণ শাসকের বিরুদ্ধে খৃষ্টান দের সাথে হাত মিলায় এবং ইসলামের চিহ্ন নিঃশ্চিহ্ন করতে চায়।
* * * * *
খৃষ্টান-ইহুদীরা আজ স্বার্থক তাদের ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে।এই জাল ১১০০সালের আগ থেকে শুরু করে আজ ২০১৭ সাল পর্যন্ত একই ভাবে বিছিয়েই আসছে। তারা কিভাবে মুসলমান দিয়ে মুসল্মানদের শেষ করে দিচ্ছে, কিভাবে মুসল্মানদের দিয়েই ইসলাম ধর্মটাকে নিঃশেষ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে আজ হাজার বছর ধরে, এই বইটা না পড়লে তা জানতেও পারতাম
না। এই ষড়যন্ত্রের ইতিহাস, এক-দু'দিনের নয়, শত বছরের নয়, প্রায় হাজার বছরের ইতিহাস। কিন্তু আফসোস, তখনো মুসল্মানরা ঘুমিয়ে ছিল, আজও মুসল্মানরা ঘুমিয়েই আছে। অবশ্য ঘুমিয়ে আছে বললে ভুল হবে।আমরা জেগে জেগে ঘুমোচ্ছি।যারা জেগে ঘুমায়, তাদের কখনোই সত্যিকার ভাবে জাগান যায়না।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:১০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

never give up!!! চেষ্টাটা যেন শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত হয়....

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১০



অনেকেই নিজের ভাগ্যকে দোষ দেন। বলেন- ''ভাই, ভাগ্য বিড়ম্বনায় আজ আমার এই অবস্থা।'' অনেককে এও বলতে শুনেছি- ''আজ ভাগ্য সহায় থাকলে অনেক দূর এগিয়ে যেতাম।''
.
এইসব মানুষদের আমি বলি- ''শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না - সরকারের পদক্ষেপ প্রশংসনীয়

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫




মিরপুর-১ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে এমপি পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া সরকারের একটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ বলেই মনে করি। তবে পদত্যাগের নির্দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেরারী বিকেল

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৫

বাংলা বর্ষপঞ্জীর ষষ্ঠ মাস, আশ্বিনের শুরু থেকেই দিনের ‘বিকেল বেলা’ টা আমাদের দৈনন্দিন জীবন থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করে। আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহ থেকে আহ্নিক পরিবর্তনের ফলে প্রতিদিনের দৈর্ঘ্য একটু একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্ধকারের রসায়নবিদ, Case File 02 — সিউলের অসমাপ্ত গুলি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯


লেখকের নোট:
এই গল্পটি ১৯৭৪ সালের দক্ষিণ কোরিয়ার একটি ঐতিহাসিক হত্যাচেষ্টার ঘটনাকে পটভূমি হিসেবে নিয়ে নির্মিত সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম থ্রিলার। ঐতিহাসিক ব্যক্তি ও ঘটনার পাশাপাশি প্রফেসর রেহান আশরাফ, তাঁর পরিকল্পনা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

নেভার গিভ আপ!!!: দেশের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের পিছনে বিনিয়োগ করুন, প্রধানমন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৩

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আসসালামু আলাইকুম। আজ আমার খুব খুশির দিন হওয়ার কথা ছিলো। ব্রিটিশ একটি ভার্সিটিতে ৩য় বারের মতো মেন্টর হিসেবে সিলেক্টেড হয়েছি। এই আনন্দে বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজনদের নিয়ে পার্টি দেওয়ার কথা ছিলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×