
গতকাল ছিল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আমাদের গর্বের একটি দিন। সেইসব সূর্য সন্তানদের জন্য গর্বে আমাদের বুকটা ভরে ওঠে যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঘটনা আর দ্বিতীয়টি আর নেই। তাই ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের সবারই কর্তব্য।গতকাল মেয়ের আবদার তাকে শহীদ মিনারে নিয়ে যেতে হবে। যানজটের এই ঢাকা শহরে ইচ্ছা থাকলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন সম্ভব নয়। তাতে কি? মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলাম বাসার পাশেই একটি বাচ্চাদের স্কুলে। আমার মেয়ের বয়স ৩ বছর, এখনো স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়নি, তবুও ওর আনন্দের কমতি ছিল না। ঢাকা শহরে আবাসিক এলাকার মধ্যেই এই কিন্ডারগার্টেন স্কুল,খেলার মাঠ নেই, শহীদ মিনার নেই,তবুও একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে এদের বেশ ভালই আয়োজন ছিল। একুশের র্যালী স্টিল নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া, পিঠা উৎসব, বইমেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আমার কন্যাটি খুব আনন্দ পেয়েছে।

১।আবাসিক এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে স্কুলটি সেনাবাহিনীর একজন কর্নেল প্রতিষ্ঠা করেছেন।

২।শিশুদের তৈরি করা পুষ্পস্তবক।

৩।একুশের র্যালী।

৪।শহীদ মিনারের পাশে দাড়িয়ে আমার রাজকন্যা।


৫।পিঠা উৎসব (নানারকম পিঠা, ভাজাপোড়া, লুচি আলুরদমও রয়েছে এখানে)

৬।স্কুলের কৃত্রিম বাগানে আমার রাজকন্যা।

৭।স্কুলের ক্যান্টিনে ফুল পাওয়া যাচ্ছে দাম খুব চড়া

৮।শিশুদের আকা ছবি।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:০২