
কিছুদিন আগে ঈদের ছুটি ও আমার গ্রাম পোষ্টে অনেকেই আমার গ্রামের ছবি দেখতে চেয়েছিলেন। এবার গ্রামে গিয়ে খুব একটা ছবি তোলা হয়নি তাই ৩ মাস আগে তোলা পুরানো কিছু ছবি শেয়ার করলাম।

গ্রামবাসীর ফসলের ক্ষেতে সেচের সুবিধার জন্য গ্রামের পাশদিয়ে ব্রাক্ষণডাঙ্গার খাল কাটা হয়, গ্রামের পূর্বপাশ দিয়ে বয়ে গেছে এই ছোট খাল।

গ্রামের এই খালটি দেশি প্রজাতির মাছে পরিপূর্ণ। যেমন: পুঠি, টেংরা, কই,শোল,টাকিসহ নানা প্রজাতির দেশি মাছ পাওয়া যায়। সুযোগ পেলেই গ্রামের ছেলেরা দলবেঁধে নেমে পড়ে মাছ শিকারে। ছবিটি শুকনো মৌসুমে তোলা এখন খালটি পানিতে টইটুম্বুর।

গ্রামের অধিকাংশ বাড়ির আঙিনায় লাউয়ের মাচায় ঝুলে থাকে এমন সবুজ কচি লাউ। কচি লাউলের সাথে দেশি চিংড়ি মাছের চচ্চড়িকে অমৃত বললেও ভুল হবে না।

এটাই সেই নবগঙ্গা নদী, গ্রামবাসীকে নদী পার করে দিচ্ছেন আমাদের প্রিয় তপু'দা। এভাবেই যুগের যুগ তপু'দার পরিবার গ্রামবাসীকে খেয়া পারের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

গ্রামের দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ, ধান পাট, সবজী সবই চাষ হয় এই মাঠে।

গ্রামের কাচা রাস্তাগুলি এখন পাকা হয়েছে,তবে নসিমন করিমন নামক ভটভডির অত্যাচার বেড়ে গেছে। গ্রামে এখন পায়ে চালিত ভ্যানের জায়গা ইঞ্জিন চালিত ভ্যান,ও ইজিবাইক দখল করে নিয়েছে।

গ্রামের পথের পাশে এমন সুন্দর পাতাবাহার গাছের দেখা পাওয়া যেগুলি শহরের অনেক বাসার বেলকনির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তবে গ্রামের পথের পাশে পড়ে থাকে অনাদর অবহেলায়।
ছবিগুলো মোবাইল ফোনে তোলা। আশাকরি ছবিগুলো ভাল লাগবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৮