somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

তারেক_মাহমুদ
আমি লেখক নই, মাঝে মাঝে নিজের মনের ভাবনাগুলো লিখতে ভাল লাগে। যা মনে আসে তাই লিখি,নিজের ভাললাগার জন্য লিখি। বর্তমানের এই ভাবনাগুলোর সাথে ভবিষ্যতের আমাকে মেলানোর জন্যই এই টুকটাক লেখালেখি।

গল্পঃ আহা জীবন

১৩ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছোট্ট একটি মফস্বল শহরে বেড়ে ওঠা মেয়ে আমি। ছেলেবেলা থেকে এ পর্যন্ত আমার রূপে কতজন ছেলে যে মুগ্ধ হয়েছে তার হিসাব আমার কাছে নেই। তবে সংখ্যাটা যে অনেক বড় সেটা আমি ভাল করেই জানি। কখনো পাড়ার রাসেল আমাদের বাড়ির গলির মোড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা সাইকেল নিয়ে দাড়িয়ে থাকতো আবার কখনো সোহেল আমার স্কুলের সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে দূর থেকে আমাকে ফলো করতে করতে আমাদের বাড়ি পর্যন্ত আসতো। কিন্তু আমার এসব প্রেমিকেরা কোনদিনই আমার কাছ থেকে বিন্দুমাত্র সাড়া পায়নি। এদের সবাই আমার কাছ থেকে পাত্তা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছে।

আমার নাম প্রান্তি। আপাত দৃষ্টিতে আমি সাধারণ একটি মেয়ে কিন্তু আমার জীবনটা অন্য দশটা সাধারণ মেয়ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। বাবা ছোট একটা চাকুরী করতেন আর তাতেই আমাদের জীবনটা বেশ সহজসরলভাবেই কেটে যেতো। কিছু অপূর্ণতা আর টানাপোড়ন থাকলেও আমার দুই ভাই ও আমার কোন অভিযোগ ছিল না বাবার বিরুদ্ধে। স্কুল কলেজ জীবনে পড়াশোনায়ও খুব একটা খারাপ ছিলাম না তাই পাবলিক ভার্সিটিতে ভর্তি হতেও খুব একটা বেগ পেতে হয়নি আমাকে।

হঠাৎ করেই একদিন আমার ছন্দময় জীবনের ছন্দপতন ঘটলো। ক্যান্সার নামক মরণব্যাধি আমার জীবনকে এলোমেলো করে দিল। ডাক্তার যেদিন জানালেন আমার শরীরে ক্যান্সারের জীবাণু বাসা বেধেছে, সেদিন থেকে আমার জীবন উলোটপালোট হয়ে গেল। শুরু হল মারণব্যাধির সাথে যুদ্ধ,চলতে থাকলো আমার ব্যয়বহুল চিকিৎসা। আমার চিকিৎসার পিছনে বাবা তার সর্বস্ব উজাড় করে দিলেন। আমার বন্ধুরা সমাজের সাধারণ মানুষ ও ছাত্রছাত্রীদের কাছে আমার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করতে লাগলো। অনেকেই আমার সাহায্যে এগিয়ে এল। একসময় ধরেই নিয়েছিলাম পৃথিবীর রূপরস গন্ধ যতটুকু দেখেছি ওটুকুই শেষ, তবে মনের জোর হারায়নি কখনোই। একটার পর একটা কেমোথেরাপি দেওয়া হল আমার শরীরে । কেমোথেরাপির যন্ত্রণা যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে এটা শুধুমাত্র ভুক্তভুগিরাই জানে, মাঝে মাঝে মনে হতো এভাবে বেচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াই ভাল। কিন্তু মারণব্যাধির কাছে আমি হার মানিনি। সৃষ্টিকর্তা আমাকে ঐশ্বরিক শক্তি দান করলেন যার বলেই মারণব্যাধির সাথে যুদ্ধে বিজয়ী হলাম।

কেমোথেরাপির প্রভাবে আমার মাথার চুল পড়ে গেল। সেটা নিয়ে আমার কোন আফসোস নেই বেচে আছি এটাই আমার জন্য ঢের বেশি। প্রথম প্রথম মাথায় হিজাব বেধে বাইরে যেতাম। আশপাশের মানুষজন বলতে শুরু করলো
'মেয়েটা বেশ পর্দাণশীল হয়ে উঠেছে'
আমার প্রতি সবাই সহানুভূতির দৃষ্টিতে তাকাতো। সকালে ভার্সিটির হলের বাথরুমে যাওয়ার লাইনে অনেক মেয়েরা দাড়িয়ে থাকলেও সবাই আমাকে আগে বাথরুমে যেতে দিতো। সিড়ি ভেঙে ক্লাশে যাওয়ার সময় আমার বান্ধবীরা আমাকে হাত ধরে সাবধানে উপরে উঠিয়ে দিতো। একসময় আমার মাথায় যখন ছেলেদের মত ছোট ছোট চুল গজালো তখন আমার হিজাব পরতে ইচ্ছে হল না। হিজাব খুলে ফেলার পর দেখা দিল বিপত্তি, আশপাশের ছেলেরা মেয়েরা অন্যরকমভাবে তাকাতে লাগলো। সবাই ইশারা ইঙ্গিতে আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করলো

'তুমি ক্যান্সার আক্রান্ত মেয়ে এসব তোমার সাজে না '।
একদিন এক রিকশাওয়ালা মামা তার রিকশায় আমাকে উঠাতে অস্বীকৃতি জানানো।কারণ হিসাবে বললো,
আমি চুল কেটেছি তাই আমাকে তার রিকশায় উঠাবেন না।
আমার ইচ্ছে হল না উনার ভুল ধারণা ভাঙাতে, উনাকে বললাম না যে আমি স্বেচ্ছায় আমার চুল কাটিনি, আমি অন্য রিকশায় করে চলে গেলাম।

আমার ভালবাসার মানুষ মনির আমার দুঃসময়ে সবসময় পাশে ছিল , আমাকে সাহস দিয়েছিল। হাসপাতালে দিনের পর দিন আমার পাশে বসে থাকতো। একসময় মনে হল ওর জন্য হলেও আমার বেচে থাকা উচিত। মনির যতক্ষণ আমার সাথে থাকতো ততক্ষণ আমার মনেই থাকতো না যে আমার শরীরে এমন ভয়াবহ একটি অসুখ বাসা বেধেছে।

মনির পড়াশোনা শেষ করে ঢাকা গিয়ে বেশ ভাল একটি চাকুরী পেয়ে গেল। প্রতি মাসে একবার আমার সাথে দেখা করতে আসতো। যেদুটো দিন আমার সাথে থাকতো সেইদিনগুলোই ছিল আমার জীবনের আনন্দময় দিন। কিন্তু হঠাৎ করেই মনির একদিন আমাকে না জানিয়েই বাবা মায়ের ইচ্ছেই বিয়ে করে ফেললো। আমার মাথার উপর আকাশ ভেঙে পড়লো। পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় মানুষটার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেলাম আমি। মরনব্যাধী ক্যান্সার যেখানে আমাকে টলাতে পারেননি সেই আমি হতাশার সাগরে নিমজ্জিত হলাম।

জীবনের নিয়মে আমিও একসময় মনিরের দেওয়া ব্যাথা ভুলে নতুনভাবে জীবন শুরু করলাম। পড়াশুনা শেষ করে ঢাকায় এলাম চাকুরীর খোঁজে। আমার পড়াশোনা, স্মার্টনেস, সৌন্দর্য এই তিন গুণের কারণে প্রাইভেট সেক্টরে আমাকে চাকুরী পেতে খুব বেশি একটা বেগ পেতে হল না। প্রথমদিকে বেতন খুব একটা বেশি নয় তবে আমার একার জন্য যথেষ্ট। উঠলাম একটি কর্মজীবি মহিলা হোস্টেলে। শুরু হল একাকী ব্যস্ত ঢাকা শহরে আমার পথচলা।

কর্মজীবনেও বেশ কয়েকজন কলিগ আমার প্রতি তাদের ভালবাসার কথা জানায়। কিন্তু আমার জীবনের গল্প শোনার পর সবাই পিছিয়ে যায়। আসলেই এটাই স্বাভাবিক একজন ক্যান্সার আক্রান্ত মেয়েকেই কেইবা সারাজীবন জীবনসঙ্গী হিসাবে পেতে চায়। কিন্তু এদের মধ্যে ব্যতিক্রম সায়েম। আমার জীবনের গল্প শোনার পরও আমাকে নিয়ে ঘর বাধতে চায়। প্রথম দিকে ভেবেছিলাম হেয়ালি, কিন্তু সায়েম খুবই সিরিয়াস। একদিন সায়েমের বোন এল আমাকে দেখতে, খুবই হাসিখুশি আর মিশুক মেয়ে। আমাকে দেখে খুবই পছন্দ করলো।

পরের মাসে সায়েম পারিবারিকভাবে আমার বাবা মায়ের সাথে যোগাযোগ করলো। আমার বাবা বললো
'তুমি কি জেনে শুনে আমার ক্যান্সার আক্রান্ত মেয়েকে বিয়ে চাও?
সায়েম হ্যাঁ সুচক উওর দিল।
অনেক ঘটা করে ঢাকার একটি নামকরা কমিউনিটি সেন্টারে আমার আর সায়েমের বিয়ে হয়ে গেল। সমাজের অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আমাদের বিয়ের দাওয়াতে আসলেন।

সায়েমদের আর্থিক অবস্থা আমাদের চেয়ে আকাশপাতাল পার্থক্য। দীর্ঘদিনের কষ্টকর জীবনকে পিছনে ফেলে আমার জীবনে তখন শুধুই সুখ আর সুখ। সায়েমকে নিয়ে মাঝরাতে ওদের বাড়ির ছাদে গিয়ে আমরা আকাশের তারা গুণি আর ছেলেবেলার সেই শিশুতোষ ছড়া আওড়াই
'একটা তারা দুইটা তারা
ওই তারাটার বউ মরা
বাড়ির পাশে খড়ের পালা
বউ মরাতে বড্ড জ্বালা'
ছড়া আওড়াতে আওড়াতে খিল খিক করে হাসি। বিয়ের কিছুদিন পর সায়েমের সাথে কক্সবাজার যাই। সাগরের গর্জন আর উথাল-পাথাল ঢেউয়ের তালে আমি খুশির সাগরে হারিয়ে যাই। সেন্টমার্টিনের স্বচ্ছ নীলজলে সায়েমের হাত ধরে স্নান করতে গিয়ে মনে হয় আমার জীবনের সব দুঃখকষ্টগুলো সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের সাথে সাগরের পানিতে বিলীন হয়ে গেছে।

প্রথম বছরটা পরম আনন্দে কেটে গেল, চাকুরীর পাশাপাশি সংসার সামলানো, মাঝে সাজে আনকমন কিছু খাবার রান্না করে বাড়ির সবাইকে তাক লাগিয়ে দেওয়া। মোটকথা শ্বশুর
শাশুড়ি ননদকে নিয়ে একান্নবর্তী পরিবারে প্রতিটি মুহুর্তই ছিল অসাধারণ।

কিন্তু বিপত্তি ঘটলো একবছর পার হওয়ার পর যখন আমার শাশুড়ি আমার কাছে নাতী নাতনী আবদার করে বসলেন তখন। আমার বুঝতে বাকী রইলো না সায়েম তার মা বাবার কাছে আমার অসুখের কথা বেমালুম চেপে গেছে। সায়েমকে জিজ্ঞাসা করলাম কেন তুমি এটা করলে?
সায়েমের উওর
'তোমাকে হারানোর ভয়ে মা বাবাকে তোমার অসুখের কথা জানাইনি আর এটাও জানাইনি যে তুমি কোনদিন মা হতে পারবে না '
সেদিন থেকে নিজেকে বড্ড অপরাধী মনে হতে লাগলো।
একসময় আমার শ্বাশুড়ি জেনে গেল আমার অসুখের কথা। সেদিন থেকেই তিনি ভিন্ন মানুষ। আমার সাথে ঠিকমতো কথা বলেন না, কোনকিছু জিজ্ঞাসা করলে তার জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না। বিয়ের দুই বছরের মাথায় আমার মনে হতে লাগলো এ বাড়িতে আমার প্রয়োজন ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে। একদিন সায়েমকে বললাম
-চল আমরা অন্য কোথাও বাসা ভাড়া নিয়ে থাকি। কিন্তু সায়েম কিছুতেই রাজী হল না, সে বললো
- ঢাকা শহরে এত বড় একটা বাড়ি আমাদের, তাছাড়া এই বাড়ির ভবিষ্যৎ মালিক আমি, এই বাড়ি ছেড়ে আমার পক্ষে কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। তুমি একটু এডজাস্ট করে চলার চেষ্টা কর।

আমার পক্ষে এডজাস্ট করা সম্ভব হয় না। একদিন আমার শ্বাশুড়ির রুম থেকে 'মাকালফল' শব্দটা আমার কানে আসে।আমার শ্বাশুড়ি উনার এক আত্নীয়র সাথে কথা বলছিলেন হয়তো এটা আমার প্রসঙ্গ নাও হতে পারে কিন্তু কথাটা আমার কানে বাজতে থাকে। আসলেইতো আমি একজন ক্যান্সার আক্রান্ত মেয়ে, আমার পক্ষে কোনদিনই সন্তান জন্মদান সম্ভব নয় আমি মাকাল ফল ছাড়া আর কিছু নই। ইদানীং আমার মনে হচ্ছে সায়েমেরও আমার প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে আমার কোন কথায় আগের মত আর গুরুত্ব দেয় না। শ্বশুর বাড়িতে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে,সবাই আমার দিকে অন্যরকম দৃষ্টিতে তাকায়। কেউ বলে না তুমি চলে যাও কিন্তু তাদের আচার আচরণে আমার বুঝতে অসুবিধা হয় না তাদের মনের কথা।

আমি সায়েমকে নতুন বাসা নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকি কিন্তু সায়েম সেদিন সরাসরিই বলে দেয় এ বাড়িতে তোমার ভাল না লাগলে তুমি চলে যেতে পারো,আমি বাবা মাকে ছেড়ে কোথাও যেতে পারবো না। আমি এতদিন সায়েমের কাছ থেকে সরাসরি এইকথাটা শোনার জন্যই এ বাড়িতে পড়ে আছি। আমি নিজের ব্যাগ গুছিয়ে নিয়ে ও বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসি,আমার ননদ দুএকবার বলছিল ভাবি যেও না কিন্তু বাড়ির অন্য কেউ আমাকে আটকানোর চেষ্টা করলো না। সায়েমদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আমি নিজের ছোটভাইয়ের বাসায় উঠি।

ছোটভাইয়ের ছেলেটা আমাকে দেখে দৌড়ে এসে ফুপি বলে আমার বুকে ঝাপিয়ে পড়ে। আমার ছোটভাই আমার সংসারের সব খবরই রাখতো তাই আমাকে কোন প্রশ্ন করলো না। চাকুরী আর ছোটভাইয়ের পরিবারের সাথে আমি এখন বেশ ভাল আছি। হয়তো খুব বেশিদিন ছোটভাইয়ের বাসায় থাকা হবে না, আসলে আপন আত্মীয়দের সাথে খুব বেশিদিন থাকতে নেই। তবে আপাতত আমি অনেক ভাল আছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩০
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোলকাতা ভ্রমন- ৩ (শেষ পর্ব)

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫



শান্তিনিকেতন থেকে কোলকাতা ফিরলাম ট্রেনে করে।
ভয়াবহ সেই ট্রেন। পা রাখার জায়গা নাই। ট্রেনের নাম কাঞ্চন। আসাম থেকে এসেছে যাত্রী বোঝাই করে। কোনো রকমে ট্রেনে উঠলাম। যাওয়ার সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরার যাতনা

লিখেছেন আরোগ্য, ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৫

( কাব্যিক পোস্টের জন্য মা হাসান ভাই ও ভুয়া মফিজ ভাইদ্বয়ের সমীপে দুঃখিত। গল্প বা বিশদ বিশ্লেষণ লিখতে পারি না, তাই স্বল্প সময়ে অকবিতাই মোর ভাব প্রকাশের বাহন)... ...বাকিটুকু পড়ুন

পেঁয়াজ

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২৫


পেঁয়াজ নিয়ে তেলেসমাতি , চলছে নানান খেল ।
পেঁয়াজ যেন সোনার হরিণ , সোনার মার্বেল ।
পেঁয়াজ তুমি বুকে এসো , তুমি মূল্যবান ,
পেঁয়াজ তোমায় ভালোবাসা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পেঁয়াজ নিয়ে বৃটিশ রাজকবির কবিতা

লিখেছেন , ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৪২


কবিতা - ভ্যালেন্টাইন -
*********************
কোন লাল গোলাপ কিংবা স্নিগ্ধ হৃদয় নয়,
তোমাকে একটি পেঁয়াজ দেবো
এটি একটি চাঁদ,বাদামি কাগজে মোড়ানো
তাতে আলোর প্রতিজ্ঞা থাকবে
যেন অতি সর্তক অনাবৃত প্রেম।

এখানে
এটা অশ্রুপাত দিয়ে,তোমাকে অন্ধ করে দেবে
ঠিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার পদাতিক চৌধুরীর সাথে কোলকাতায় দেখা

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৯



আমাদের সামু ব্লগের ব্লগার পদাতিক চৌধুরী।
তার ভালো নাম তাইমূর চৌধুরী। দাদা সময় সুযোগ পেলেই তার পরিবার নিয়ে খুব ঘুরে বেড়ান। তার ছেলের নাম শ্রন্থন (মেঘ)। খুব সুন্দর নাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×