সংবাদ পত্রের প্রতিদিনের অন্যতম সংবাদ পারিবারিক কলহ বিষয়ক। যা কখনও হত্যা, আত্যহত্যায় গিয়ে পৌঁছায়- এর কারন কি?
জীবনে সুখী হতে হলে স্বামী-স্ত্রীর সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এই সহযোগিতা কেবল আইন করে সম্ভব নয়। এর জন্য থাকতে হয় স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই সদিচ্ছা। আইন হওয়া উচিত এই সদিচ্ছার অনুকূল। কিন্তু আমাদের দেশের আইন এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, সামান্য পারিবারিক বিসম্বাদ নিয়েও হতে পারছে নারী নির্যাতনের মামলা। আমাদের দেশে এখন এনজিও'র অভাব নেই। যারা এগিয়ে আসছে এ রকম মামলায় উৎসাহ জোগাতে। অনেক পরস্পরবিরোধী ধ্যান-ধারণার উদ্ভব ঘটতে পারছে আমাদের দেশে। আমরা এক দিকে বলছি নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা, কিন্তু আবার সেই একই সাথে করতে চাচ্ছি সংসদে নারীদের জন্য বিশেষসংখ্যক আসন সংরক্ষণের ব্যবস্খা। যেটাকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না। রাজনীতির ক্ষেত্রে যোগ্যতাই হওয়া উচিত প্রধান বিচার্য; প্রার্থীর লিঙ্গ নয়। কিন্তু এখন আমাদের দেশে মেয়েরা যেভাবে রাজনীতিতে ঝুঁকছে, তার পক্ষে নই। কিছু মেয়ে রাজনীতি করতেই পারে, যেমন পারে ছেলেরা। কিন্তু রাজনীতি করতে গিয়ে পারিবারিক দায়িত্ব পালনে অবহেলা সমর্থনীয় নয়।
রাষ্ট্র সমাজজীবনের একটি প্রতিষ্ঠান কিন্তু একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়। তার মাধ্যমে সমাজজীবনের সব সমস্যার সমাধান আসতে পারে না। সমাজজীবনে পরিবারপ্রথার গুরুত্ব ছিল, আর এখনো আছে। সন্তান প্রতিপালনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র সাহায্য করতে পারে, কিন্তু সন্তান প্রতিপালনে মাতা-পিতার দায়িত্বকে এখনো খাটো করতে গেলে তা সমাজজীবনে ডেকে আনবে বিশৃঙ্খলা। অসুখী হয়ে উঠবে মানবসমাজ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


