বেশ কিছুকাল ধরে ঘরে ঘরে কাশির প্রকোপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং ওষুধেও সহজে নিরাময় হচ্ছে না। এ রোগটা আবার বাচ্চাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। সহজে কাশি না সারলে ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা ও এক্সরে করতে পরামর্শ দেন। অনেক ক্ষেত্রেই রোগীর 'এজমা' ধরা পড়ছে। ধূলাই এ রোগের উত্স বলে ডাক্তাররা জানান। ভোর সাড়ে সাতটা-আটটার সময় যখন ছেলেমেয়েরা গাড়িতে, রিকশায় বা পায়ে হেঁটে স্কুলে যায় তখন প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা মহাসমারোহে ঝাড়ু দিতে থাকে। এবং সেই সময় প্রচুর ধূলা উড়তে থাকে। মনে হয় জনসাধারণকে 'ঝাড়ু দেয়া প্রদর্শন' করাই যেন তাদের উদ্দেশ্য। তা ছাড়া পরিচ্ছন্নতা কর্মরা যে ঝাড়ু দেয় তাতে ধূলা পুরোপুরি সরে না। ফলে গাড়ি চলাচলে সারা দিনরাত ধূলা ওড়ে।
ধানমন্ডি, রমনা, ক্রিসেন্ট লেকপাড়ের অবস্থাও করুণ। স্বাস্থ্য সচেতন জনগণ তাঁদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ভোরে ও বিকালে লেকপাড়ে হাঁটেন। বর্তমান সময়ানুযায়ী ভোর সাতটা থেকে আটটা পর্যন্ত পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ঝাড়ু দেয়। ফলে সুস্বাস্থ্য প্রত্যাশীরা হাঁটতে এসে ফুসফুসে জীবাণুযুক্ত ধূলা নিয়ে বাসায় ফেরেন। ছোট ছেলেমেয়েরা শুধু নয় বয়স্করাও এ ধূলার কারণেই রোগাক্রান্ত হচ্ছে। বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে পত্রিকায় লেখা হয়েছে। কিন্তু কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। পৃথিবীর আর কোথাও সূর্যালোকে ধূলা উড়িয়ে পরিচ্ছন্নতার কাজটি করা হয় না। আমরাও কেন তা করতে সক্ষম নই বুঝতে কষ্ট হয়। জনসাধারণের প্রতি সেবার মনোভাব নিয়ে সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ বিষয়টির সমাধান করবেন' এ আমাদের প্রত্যাশা। আরেকটি বিষয় লক্ষণীয় যে, রাস্তা থেকে বৃষ্টির পানি ফুটপাতের তলায় ড্রেনে যাওয়ার জন্য পাইপ লাগানো হয়েছে বটে' কিন্তু পাইপের মুখগুলো নেট দিয়ে আটকানো হয়নি। ফলে পাইপে ধূলো, বালি, পাতা, পাথর ইত্যাদি ঢুকে পানি যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


