নওগাঁর পত্নীতলার মফস্বল শহর নজিপুর। এখানে ১০/১২টি কারখানায় তৈরি হচ্ছে বোঙ্গা। এক সময় কাঠের তক্তা বা ড্রামে ধানের আঁটি পিটিয়ে ধান বা গম মাড়াই করা হত। প্রযুক্তি উন্নয়নের সাথে সাথে বদলে গেছে কৃষকের কাজের ধরণ। ধান বা গম মাড়াইয়ের ক্ষেত্রে কৃষকের ট্রাডিশনাল পদ্ধতির সাথে যোগ হয়েছে ধান ও গম মাড়াই কল (বোঙ্গা)। এ সব বোঙ্গা তৈরির কারখানায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে প্রায় শতাধিক কারিগরের। বোঙ্গা তৈরির কাজে নিয়োজিত কারিগরদের কারোই নেই প্রাতিষ্ঠানিক কোনো প্রশিক্ষণ। চোখের দেখা দেখেই তারা বোঙ্গার মত একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি সহায়ক উপকরণ তৈরি করছেন। ভাই ভাই ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের স্বত্বাধিকারী হাসানুজ্জামান জানান, নজিপুরে তিনিই প্রথম বোঙ্গা তৈরির কাজ শুরু করেন। তার দেখাদেখি নাজিপুরে আরো ১০/১২টি বোঙ্গা তৈরির কারখানা গড়ে উঠেছে বলে তিনি দাবি করেন। এ কারখানাগুলো থেকে চলতি বছর ১০ কোটি টাকারও বেশি আয় হবে। তার কারখানায় ৮জন শ্রমিক কাজ করছেন এবং ইতোমধ্যে ১০টি বোঙ্গা তৈরি করে বিক্রি করেছেন। বর্তমানে অর্ডারে থাকা ১০টি বোঙ্গা তৈরি নিয়ে ব্যস্ত আছেন। নজিপুরে তৈরি বোঙ্গা ক্রয়ের জন্য সাপাহার, পোরশা, মহাদেবপুর ও বদলগাছি উপজেলার কৃষকরা নজিপুরে ভিড় করেন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ব্যাপকভাবে বোঙ্গা তৈরি ও বিক্রি করতে সক্ষম হবেন বলে কয়েকজন ওয়ার্কসপ মালিক জানান।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০১১ রাত ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


