ইসলামের মৌলিক পাঁচটি স্তম্ভের একটি হচ্ছে যাকাত। আল কুরআনে নামাজের পরই যাকাতের কথা বলা হয়েছে। কোনো একটি সমাজ ও রাষ্ট্রে যদি ইসলামের বিধানসমূহের শুধু এই একটি বিধানও (যাকাত ব্যবস্থা) চালু থাকে তাহলে ঐ সমাজ ও রাষ্ট্রে দরিদ্রতা ও সন্ত্রাস মোটেই থাকার কথা নয়। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই ধর্মপ্রাণ। যাদের মধ্যে এই আইনটি অনায়াসে প্রয়োগ করা যায়। দরকার শুধু সরকারের সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক কঠোরতা। সরকার যদি এভাবে চিন্তা করেন যে, প্রতিটি থানায় একটি করে "যাকাত ব্যাংক" স্থাপন করা হবে এবং ব্যাংক এলাকার যাকাতদাতাগণ সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে "যাকাত ব্যাংকে" তাদের যাকাতের টাকা জমা দিবেন- নয়তো তাদের সম্পদ ক্রোক করে আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে । এতে মনে হয় যাকাতের হাজার হাজার কোটি টাকায় এই ব্যাংগুলো ভরে যাবে।
এই হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে সরকার যদি নিজস্ব জমির ওপর উত্পাদনমুখী খামার, মিল-কারখানা স্থাপন করে তাহলে অনায়াসে ৩/৪ কোটি বেকার ছেলেমেয়েকে কাজ দিয়ে সহজেই বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। আর একটি সুস্থসবল যুবক যদি সকাল-সন্ধ্যা কর্মব্যস্ত থাকে তাহলে সমাজে চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী করার লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না।
সরকার যদি দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে উল্লিখিত পন্থায় বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারে বদ্ধপরিকর হয় তাহলেই কেবল দারিদ্র্য বিমোচন ও সন্ত্রাস দমন সম্ভব।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


