গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহ। গলচে শুয়োরের চামড়ার মতো রাস্তা। যানের চাকা পাথুরে কয়লা চুমিয়ে যাচ্ছে। সময় সালভাদর দালির ঘড়ির মতো গলিয়ে পড়ছে। সাথে থাকা রবীন্দ্রনাথ পড়ে থাক হিটলারের লাইব্রেরিতে। নিজেকে ভরশূন্য মনেহয় । প্রাক-পৌরাণিক বাল্যবন্ধুহারা উটপাখির চেয়ে অসহায় লাগে। স্টেশন আর.... কদ্দুর। তাকে যে যথাসময়ে স্টেশনে পৌঁছাতে হবে। শুঁয়োপোকা বা বানরমানুষ নয় প্রজাপতি হতে মন চাইল তার। কয়েকটা যুদ্ধবিমান আকাশপথে মহড়া বসিয়েছে। মধ্যাহ্ন ছুটিতে খালি পায়ে সহস্র যুবতী। তারা আকাশমুখি হয়ে বিমান বিমান খেলা দেখছে। নতুনাগতদের কাছে মহাপতঙ্গের শহুরে ভার্সন হিসেবে ঠেকছে বিমানকে। কিছু দাঁড়কাক সময় গুণছে অপরাহ্ণের। গাড়ি এখনো কালো পাথরে গা ভাসিয়ে এক পা দু পা করে এগিয়ে চলছে। নিরাময় ক্লিনিক শেষতো ট্রেন স্টেশন। গাড়ি এবার খরগোশ গতিতে চলতে শুরু করলো। ওই ক্লিনিকই জটের মূলে। শাদা বললে আর্মড পুলিশ। কবুতর ভেবে কাকের মাংস ভক্ষণে প্রাণ বিয়োগ উপক্রম। আর প্রাণ যোগে প্রথা ভেঙ্গে নিরাময়ে। গতির টানে তান ধরলো গাড়ি। শিল্পীর গলায় লালন আবার গেয়ে ওঠলো ...যা ছুঁইলে প্রাণে মরি... এ জগতে তাইতে ত্বরি; ...বুঝেও তা বুঝতে নারি... কীর্তিকর্মার কী কারখানা। ট্রেনঘর হতে হুঁইশেল বেজে ওঠলো। যেনো মনে হলো মিকাইল শিঙ্গায় ফুৎকার দিয়েছে। এই বুঝি প্রলয় প্লাবনে রূপ নিল। নভোগতিতে স্বীয় আসনে পৌঁছামাত্র খবর হলো তরি আজি তারিই। হৃদক্যানভাসে ভেসে ওঠলো এক টুকরো চক বুকপকেটে একটি কলম আর মোটাফ্রেমের একটি চশমা। জীবনটা পড়ে থাকে জীবনহীন। সত্যের মতো বদমাইশসহ আরো অন্যান্য সবকিছু খসে পড়ে। আশাহত হোমার। আশায় বসতি ছিল যার। হঠাৎ ঝিঁঝিঁপোকার শব্দ ভেসে আসে কানে। প্রদীপ হাতে এক অন্ধ ভিক্ষুক। যে শাদা কাফনে মুড়িয়ে হোমারকে গোরে নিয়ে যাচ্ছে। শবযাত্রী ট্রেনের সবযাত্রী আর তাদের যতোসব সামান। ফাঁকা ট্রেনে জানালার ফাঁক দিয়ে তাড়া খাওয়া অসংখ্য ইঁদুর মুখে কি যেনো নিয়ে ডুকে পড়ছে। ....আগমনি ট্রেনের শব্দে সম্বিৎ ফিরে আসে হোমারের। আর চোখ মেলে দেখতে পায় হোমার হাতে এক অন্ধ ভিক্ষুক পরবর্তী ট্রেনের টিকিট নিয়ে দাঁড়িয়ে।
জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন
এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট
সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দুঃখ খচিত পতাকা আমার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?
যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।