somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সংবিধানে ইসলাম শব্দটি কেন: বিশ্বাসী এবং অবিশ্বাসী

২৭ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ৯:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার বেশিরভাগ লেখায়/কথায়, না চিন্তা করে বা নিজ ধ্যানের বাইরে মুসলমান হওয়ার প্রবনতাকে আঘাত করা হয়েছে বলে বলা হয়ে থাকে। আসলে যা বলার চেষ্টা করেছি তা ভুল বুঝাবুঝি হয় ভালোভাবে অনুধাবন না করার কারনে। যেহেতু আমরা সবাই মুসলিম পরিবারে জন্ম নেই বলে আমাদের সবাইকে মুসলিম বলে চালায় দিয়া হয়। তবে এ কথাটাকে সহজে গ্রহন করার অসম্ভব। এতটুকু সত্য যে, বালেগ হবার পর পরিবারের প্রভাব খুব একটা বেশি না থাকার কথা। যদি তাই হয় তবে কেউ চাইলে মুসলিম হিসাবে নিজেকে সন্তুষ্ট করতে নাও পারে তার বালেগ বয়সে । তবেই এই চিন্তা বা চেষ্টা করে কত জন যদি ready-made মুসলিম হিসাবে পরিচয় দিয়ে জীবন শেষ করা যায়।

কিন্তূ এই ready-made মুসলমানিত্ব নিয়ে কি প্রশান্ত আত্মার/মনের (Quran 89:27) অধিকারী হওয়া যায় এবং আল্লাহর বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যায় (Quran 89:29) এবং জান্নাতে প্রবেশ করা যায় directly (Quran 89:30)?

তাহলে কিভাবে? মুসলিমরা একজন আর একজনকে নামাজের কথা বলে। কিন্তূ যে মুসলমান তাকে আবার কেন নামাজের কথা বলতে হবে, হা সরণ করিয়ে দেয়া যেতে পারে কিন্তূ আবারও প্রশ্ন থাকে সেকি গাফেল। যদি গাফেল হয় (পাগলনা), তাহলে সে আবার কিভাবে মুসলমান হয়। তাহলে একজন মুসলমান কিভাবে নামাজ পড়বে অথবা নামাজের বেপারে সচেতন হবে?

এর উত্তরে মানুষ সমস্যার শিকড়ে যায় না। মুসলমান হওয়ার শিকর হলো ঈমান (বিশ্বাস) । এই ঈমানটা ঠিক হওয়া দরকার। এই ঈমান ঠিক করার pre-requisite শর্ত কিছু কিচ্ছা-কাহিনীর দ্বারা emotionally blackmail না হওয়া। এই ঈমান ঠিক করার pre-requisite শর্ত হলো নিজেকে সন্তুষ্ট করা যে আমি কেনো আল্লাহ কে বিশ্বাস করি। প্রশ্ন হতে পারে - Why Allah, why not others e.g. Issor, God or nothing?

যারা এই complex পথ ঘুরে আল্লাহকে খুজতে চাননা তাদের নিজেদের তাহলে বের করতে হবে কেন নামাজ পড়া হয় না। আমার কাছে মনে হয়েছে আল্লাহর উপর বিশ্বাস যদি সচ্ছ হয় তবে আল্লাহর কথা মানা তত সহজ হয়। যারা আল্লাহর উপর ready-made বিশ্বাস নিয়ে বসে আছেন তাদের শিরক মুক্ত ঈমান থাকা দরকার। আর শিরক (অংশীদার) মুক্ত ঈমান কিভাবে অর্জন করা যায়? সুধু কোরআন এবং হাদিস দ্বারা। এ বিষয়ে সহযোগিতা নিয়ার নিরিখে Dr. Bilal Philips এর Tawheed বইটি [http://www.kalamullah.com/Books/Fundamentals Of Tawheed.pdf] সহজ ভাবে কোরআন থেকে শিরক মুক্ত ঈমান উপস্থাপন করেছেন।

যদি ঈমান পরিষ্কার থাকে তবে নামাজ পড়তে আর একজনের সহযোগিতা লাগবে না। ঠিক তেমনি ভাবে বাংলাদেশের সংবিধানে, এত দিন থাকতে পারলে এখন থাকলে কি সমস্যা, ইসলাম থাকবে নাকি না এই বেপারে নিজ অবস্থান পরিষ্কার করতে আর একজনের সহযোগিতার প্রয়োজন হবে না।

মজার বেপার হলো, বেশিরভাগ বাংলাদেশী মুসলমান যেহেতু ready-made মুসলিম, তাই তারা অন্তত যা কষ্টকরে বিশ্বাস (ইসলাম) করে তা সংবিধানে থাকলে তাদের খারাপ লাগার কথা না। আমাদের অমুসলিম ভাইদেরও খারাপ লাগার কথা না যেহেতু তারা তাদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টি কোনো বাধা ছাড়া পালন করে আসছেন এবং করছেন। ইসলাম শব্দটি সংবিধানে থাকতে তাদের বিগত কয়েক বছরে কোনো অভিযোগ ছিল না। তাহলে সমস্যা কোথায় ইসলাম শব্দটি যে ভাবে আছে সেভাবে থাকতে । আর না থাকলেই বা সমস্যা কি? না থাকলেই বা সমস্যা কি বিষয়টা সমস্যা হওয়াই সমস্যা।

তার মানে হচ্ছে হটাত করে এটা সমস্যা হয়ে দাড়ালো কেনো। আমরা বর্তমানে বেশিরভাব লোকজনকে প্রভুর চিন্তা মুক্ত দেখি। তাই সাভাবিক ভাবেই মানুষের ইচ্ছা, চিন্তা এবং চাহিদার পরিবর্তন হয়েছে। তাই ইসলাম বাংলাদেশের সংবিধানে এই যুগে থাকাটা সমান সমস্যা হবে অসম্ভব কিছু না। যদি বাংলাদেশের গত ১০ বছরের মানুষের চিন্তা- ভাবনা এবং ২০ বছর আগের সাথে তুলনা করা হয় তবে ইসলাম সংবিধানে না থাকার দাবি সাভাবিক একটা চাওয়া। এখন মুসলমানদেরকেই চিন্তা করতে হবে (যদি বুঝে মুসলমান হই) তারা কি রূপ রায় দিবেন এবং কেনো।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ৯:৩৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাওকে নিয়ে চীনের আবেগ, শেখ মুজিবকে নিয়ে আমাদের বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২


ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তাঁকে নিয়ে কোন মিমটি দেখে সবচেয়ে বেশি হাসি পেয়েছিল। ফরাসি অনুষ্ঠান The Bridge এর ব্যাকস্টেজ ভিডিওতে তিনি বলেন, একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাঁটাচামচ বিতর্ক....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫

কাঁটাচামচ বিতর্ক....

বাঙালির একদল তথাকথিত ভদ্রলোকের এখন মহাসংকট! তারেক সাহেব কাঁটাচামচ কোন হাতে ধরেছেন, ছুরি কোন হাতে রেখেছেন- তা নিয়েই জাতীয় চরিত্রের ময়নাতদন্ত চলছে! যারা সমালোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে- তাদের কয়েকজন দুস্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোটগল্প - চক্ষুহীন লোকটি

লিখেছেন ফাহমিদা বারী, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩




মি পারসনস যখন হোটেল থেকে বের হলেন, ভিক্ষুকটি তখন রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছে।

সে ছিল একজন অন্ধ ভিক্ষুক। অন্ধদের চিরাচরিত সাদা ছড়ি ছিল তার হাতে। সেটা দিয়ে সামনের পথটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মন কথনিকা-৬৩৮৯-৯০=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

মন কথনিকা-৬৩৮৯
সকাল সকাল উঠে দেখি, চোখের মাঝে ঘুমের পাহাড়
চোখ মেললেই ঘুমরা ছড়ায়, চোখের মাঝে ক্লান্তির বাহার
রাত বারোটায় ঘুমোতে যাই, ফযর বেলা উঠে পড়ি
পাঁচ ঘন্টা ঘুম মাত্র ঘুমাই, না ঘুমিয়ে ক্লান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্র ব্যর্থদের দায়িত্ব নেয় নাকি ব্যর্থতার সংজ্ঞাই রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত হয়???

লিখেছেন সুব্রত দত্ত, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪

আমাকে যারা চেনেন অথবা আমার অন্যান্য লেখা যাদের পড়া আছে তারা জানেন আমি একজন নিহিলিস্ট। একজন নিহিলিস্ট ‘রাষ্ট্রধারণা’য় বিশ্বাসী নয়। রাষ্ট্র সম্পর্কে সে উদাসীন। আমি নিজেও রাষ্ট্র সম্পর্কে উদাসীন। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×