somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রমাদান ১০: অপরকে সাহায্য কি করতেই হবে?

২৮ শে মে, ২০১৮ ভোর ৪:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


২টি বাচ্চা রাতে শুয়ে আছে রাস্তায়।এক বৃদ্ধ রাস্তা পরিষ্কার করছে ঘুমাবার জন্যে। কেউ আকুতি করছে মসজিদের সামনে তার চিকিৎসার সাহায্যের জন্যে। এই হলো বাংলাদেশের চিত্র। মসজিদ/বাসা থেকে বেরহলেই দেখা যায় লোকজন সাহায্য চাচ্ছে।কেউ কান্দাকাটি করে, কেউবা হাত এগিয়ে দিয়ে আবার কেউ silent ভাবে। বাংলাদেশের মানুষের সমস্যার সারমর্ম হচ্ছে -

১. চিকিৎসা,
২. পরিবার কম আয়ে চালাতে হিমশিম খাওয়া এবং
৩. শিক্ষা।

এ কান্না থামাতে বা রাস্তায় বসবাস করা থেকে বিরত রাখতে মুসলমানদের যা জানতে হবে এবং মানতে হবে যে, উদা:, যখন ৫০০/২৫০ টাকার বার্গার খাওয়ার সুযোগ আছে সেখানে ২৫০টাকার খাওয়া। যেখানে ১০০০/৫০০ টাকার একটা জামা পড়ার সুযোগ আছে, সেখানে ৫০০টাকারটা পরা। এইযে ২৫০ টাকা যে বাঁচান হলো তা একসাথে করলে মাস শেষে কমকরে ৭৫০০ টাকা যা দিয়ে একজনের শিক্ষা, খাদ্য অথবা চিকিৎসা হয়ে যেতে পারে।

একজন মানুষ কেন আর একজনকে নিয়ে এত বেশি চিন্তিত হবে? যতক্ষণ একজন প্রভুর সাথে আছে তাঁর কথা তাকে শুনতে হবে। আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার সাথে সাথেই অপরকে দেবার কথা বলা হয়েছে। দেখুন কোরআন ২:৩, ৮৩, ১৭৭, ২১৫, ৩:১৩৪, ৫৭:১১, ৬৩:১০-১১ ।

অনেকে দেখা যায় মানুষ কে চিকিৎসার সুযোগ না করে দিয়ে বা একটা সংসার চালাবার ব্যবস্থা করার চেয়ে প্রতি বছর ওমরায় (হজ্জ্ব না) যাওয়াকে দায়িত্ব মনে করছে। যারা সমস্যায় তাদের সহোযগি হতে আল্লাহ যতবেশি বলেছেন এই কোরআনে, ততবেশি তাগিদ কিন্তু ওমরার বিষয়ে বলা হয়নি। আল্লাহ যেখানে নামাজের চেয়ে অপরের সহজোগি হতে বলেছেন (Q 2:177), সেখানে আমি মনে করিনা, ইমামরা যেহেতু বলতে পারে নাই, যে দেশে মানুষ চিকিৎসার অভাবে কষ্ট পায় বা টাকার অভাবে পরিবার চালাতে পারেনা বা পড়াশোনা করতে পারে না, সেই দেশের মানুষের বারবার তো দূরের কথা একবারও ওমরায় যাওয়া উচিত হয় বড় অংকের টাকা (১ লক্ষ) খরচ করে।

সে যাই হোক সবাই সবাইকে বেশি করে সহজোগিতা করলে সবটুকু সমাধান না হলেও কিছু মানুষের কষ্ট লাঘব হবে।

[Next Topic: রমাদান ১১ Divorce in Islam]
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০১৮ ভোর ৫:০২
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৫০১’কে বিজয়ের প্রতীক হিসেবে উদযাপন করছেন তারা ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:১৮


আবাসিক হোটেলের দরজা ভেঙে যখন একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে আসছে তখন সাধারণ মানুষের চোখ ছানাবড়া হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। সম্প্রতি গাজীপুরের এক হোটেলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ যখন দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোগী

লিখেছেন শাহেদ শাহরিয়ার জয়, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:১৭

ভাইরাল ফেভারে
জাতি ভোগে যে হারে
কোথা যাবে ঠিক নাই,
কোনো দিকে দিগ নাই
সংকর - বাঙাল,
আহারে আহারে!



সবি হলো জ্ঞানী
যারটা সে মানি,
তাল গাছ আমারই'
যাইহোক বিচারে! ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১-এ মুক্তিবাহিনীর হাতে নিহত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বা রাজাকার হত্যার বিচার করতে হবে! :(

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৮

চতুর্দিকে রক্ষীবাহিনী তথা ফজলু কমান্ডারদের দুর্দান্ত প্রতাপ। ভয়ংকর সত্যটি হলো—যিনি ১০০ মাইল দূর থেকে পাকিস্তানি মিলিটারির আওয়াজ শুনতেন—সেই তিনি লুইচ্যা হামিদের সংগে কুলিয়ে উঠতে না পেরে ভোল পাল্টিয়ে বিএনপিতে যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ই-পাসপোর্ট নিয়ে কিছু কথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

আমার সর্বশেষ পাসপোর্টটি করেছিলাম ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে। ততদিনে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা শুরু হয়ে গিয়েছিল। ই-পাসপোর্টের অন্যতম একটি বাড়তি সুবিধে ছিল এই যে চাইলে সেটা একসাথে দশ বছরের জন্য ইস্যু... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"-.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪০




"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"- বাংলা সাহিত্যের এই বহুল পরিচিত পঙ্‌ক্তির মর্মার্থ আমরা সবাই জানি। তবে মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, বিশেষ করে শিশুদের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত স্নেহ ও আন্তরিকতারও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×