নড়াইলে ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করার অভিযোগ এনে এক হিন্দু শিক্ষককে ঘরছাড়া করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আর এ ঘটনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে ছাত্রলীগের কয়েকজন স্থানীয় নেতা-কর্মী। এলাকা থেকে ওই হিন্দু শিক্ষককে তাড়ানোর উদ্দেশ্যে তার মন্তব্যের ওপর রঙ চড়িয়ে ও ইচ্ছেমতো কথা জুড়ে দিয়ে এলাকায় পোস্টার ছড়িয়েছে সুবিধাবাদী মহলটি। এমনকি তাদের ইচ্ছা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে পক্ষে টানতে নিয়মিতভাবে সেখানে মিছিল-সমাবেশও করছে তারা।
ভুক্তভোগী শিক্ষকের নাম কিংকর চন্দ্র সমাজদার। তিনি জেলার লোহাগড়া দিঘলিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
সরেজমিন পরিদর্শন করে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ নিজ বাসায় প্রাইভেট পড়ানোর সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সাধারণ আলোচনায় ওই শিক্ষকের বলা একটি বক্তব্যকে বিকৃত করে উপস্থাপনের মাধ্যমে এ ঘটনার সূত্রপাত। এরপর বিষয়টি স্কুল ঘুরে মুখে মুখে অতিরঞ্জিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং সুবিধাবাদী একটি মহল এর ফায়দা লোটার চেষ্টা করা শুরু করে। এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকও মদদ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজন্য স্কুলের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদেরও ব্যবহার করছেন তারা।
২৩ মার্চ শিক্ষক কিংকরের বাসায় ইংরেজি প্রাইভেটে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, তাদের আলোচনার এক পর্যায়ে ধর্ম নিয়ে কথা ওঠে। স্যার (কিংকর চন্দ্র সমাজদার) এ বিষয়টা বাদ দিতে বললেও তারা আলোচনা করতে চাইলে এক পর্যায়ে স্যার বলেন, 'উপমহাদেশে ধর্ম নিয়ে গোঁড়ামি আছে'। পরদিন ইসলাম ধর্মে কোন গোঁড়ামি আছে কি না- স্কুলের ১০ম শ্রেণির ক্লাসে এ বিষয়ে কয়েকজন ছাত্র প্রশ্ন করে। ধর্ম ক্লাসের শিক্ষক আতাউর রহমান এর সঠিক উত্তর না দিয়ে শিক্ষার্থীদের খোঁচাতে থাকেন এই কথা কে বলেছে তা জানার জন্যে। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা কিংকর স্যারের নাম বলে ফেললে ওই ধর্মশিক্ষক ক্লাস থেকে হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে এসে বিষয়টি প্রধানশিক্ষকসহ অন্যদের অবহিত করেন। এরইমধ্যে এই মন্তব্যের সঙ্গে রঙচড়াতে শুরু করেন তিনি এবং এটি ধর্মকে অবমাননার শামিল বলে মন্তব্য করতে থাকেন.....
http://www.banglatribune.com/নà§à¦¾à¦à¦²à§-ধরà§à¦®-ঠবমাননার-ঠà¦à¦¿

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




