
শরাফ আহমেদ জীবন পরিচালিত ‘আবার তোরা সাহেব হ’ এবারের ঈদের হাসির নাটকটি বেশ ভাল লেগেছে। শেষের দিকের কিছু বিষয় পুরো নাটকটাকে আরো নাটকীয় ও উপভোগ্য করে তুলেছে।
কবি সমাজ থেকে নিজেকে বিতাড়িত না করতে সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও বিয়ে অনুষ্ঠান থেকে বর ইরেশ যাকের পালিয়ে যান। তবুও সময়, স্রোত ও বিয়ে কারো জন্য অপেক্ষা করেনা – এমন বিশ্বাসে - বিয়ে ঠিকই অনুষ্ঠিত হয়।
ছেলের বউকে বাড়িতে নিয়ে আসেন শ্বশুরমশাই নিজেই। নতুন বউকে ভালোভাবেই গ্রহণ করেন তাঁর শাশুড়ি। তবে এসময় গ্রামের কেউ একজন প্রশ্ন তোলেন – বিয়াতে ‘কবুল’ বলেছে কে? বাবা মামুনুর রশীদ তখন লাঠি নিয়ে তেড়ে এসে উত্তর দেন এবং পাল্টা প্রশ্নও ছুড়ে দেন – ছেলে জন্ম দিয়েছি আমি, ছেলের বিয়েও করিয়েছি আমি, কবুলও আমিই বলেছি। কারো কি কোনো সমস্যা আছে?
দুই সপ্তাহ পর যখন মেয়ের বাবা তাঁর বেয়াইয়ের বাড়ি বেড়াতে আসেন তখন ঠিকই জামাইকে বাড়িতে দেখতে পান।
যা বুঝলাম, নাটকের নামকরণ হয়েছে বিয়ে উপলক্ষে পুরো গ্রামের মানুষকে একপ্রকার জোর করেই কোর্ট প্যান্ট পরানোকে কেন্দ্র করেই।
বেশ কয়েকবার ইরেশ যাকেরকে স্যান্ডেল ছুড়ে মারেন বাবা মামুনুর রশীদ। কবি হিসেবে ছেলেকে তিনি খুব তাচ্ছিল্য করেন। সব মিলিয়ে অনেক নাটকের ভিড়ে এ নাটকটি ভালই লেগেছে।
তবে একটি দৃশ্যে আমার বিশেষ খারাপ লেগেছে; বরযাত্রী হয়ে গাড়িতে ওঠার জন্য সিরিয়াল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রামের এক দাড়িওয়ালা লোক গরম লাগছে বলে প্যান্ট খুলে গোড়ালিতে নামিয়ে লুঙ্গি নেংটি বাঁধা অবস্থায় যখন শুধু কোর্ট পরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তখন।
দৃষ্টিভঙ্গির দ্বিমত থাকতেই পারে। ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন।
(বিঃদ্রঃ বাংলালিংক, শরাফ ভাই বা তাঁর টিমের কেউই আমাকে এমন পোস্ট দিতে প্রলুব্ধ করেন নাই।)
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



