অনেকেই বলে- গরিবে গরিবে বন্ধুত্ব হয় না ।আমি ও গরিব আপনি ও গরিব তাহলে তার সমস্যা কে সমাধান করি? আর যদি হয় ডাবল গরিব ...?? তাহলে কি হবে? ভারত ”হল ডাবল গরিবের দেশ। অর্থনৈতিক ভাবে ও গরিব মানসিক ভাবে ও গরিব।এরকম ডাবল গরিবের দেশ বিশ্বে খুব কম আছে।দেখুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবকিছু খারাপ নয়।বর্তমান বিশ্বও চায় না মার্কিন সাম্রাজ্যের পতন।এমনকি পুতিন ও নিজে বলেছিলেন এ মুহূর্তে মার্কিন সাম্রাজ্যের পতন হোক এটা আমি কেন বিশ্বও চায়না।কারণটা হল এত বড় অর্থনীতির বাজার বিশ্বে আর কোথাও নেই।এ অবস্থা আর কয়েক দশক টিকে থাকবে এমনকি একশ বছর ও হতে পারে ।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটা পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক শক্তির দেশ।প্রতিবেশি দেশের সাথে বাণিজ্যিক সহযোগিতা কিভাবে করতে হয় তা বিশ্বকে দেখিয়েছে আমেরিকা যা ইউরোপ ও আগে পারেনি। CFTA পরে NAFTA(নাফটা) কানাডার মত উন্নয়নশীল ও মেক্সিকোর মত মধ্যম আয়েরদেশকে কিভাবে তুলে আনতে হয় সেটা তারা দেখিয়েছে।বর্তমানে এত অগ্রসরমান অর্থনৈতিক জোট মোট অর্থ ও বাণিজ্যিক দিক থেকে আর ২য়টি নেই।এটা সম্ভব হয়েছে শুধু আমেরিকার প্রাগ্রসরমান চিন্তার কারণে।এ কথা বলার আসল কারণ হল- গত কয়েকদিন ধরে ভারত নেপালের ওপর অলিখিত যে অবরোধ আরোপ করেছে এটা তার একান্ত নিচু সনাতনি মানসিকার কারণে।ইউরোপের মানুষকে যদি বলা হয়,ভারত কেমন দেশ? তাদের ৮০ভাগ মানুষ বলে খুব গরিব।আর আমরা বলছি ডাবল গরিব দেশ।যদি নানা কর্মকান্ডে ও বিশ্বে অনেক কর্পোরেট হাউস বা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসক ও আগামী অর্থনীতির পরাশক্তি হিসেবে ভাবা হয় ভারতকে।তাহলে এই সাইনর্বোড পাওয়ার পর ও কেন নেপালের মত একটা ছোট দেশকে এভাবে খাবি খাওয়াচ্ছে ভারত।যদিও নেপালের বর্তমান প্রেক্ষাপট আগের মত নয়।তারা ও আস্তে আস্তে এক লাইন থেকে বেরিয়ে বহুলাইনে মেশার চেষ্টা করছে ।পৃথিবীর একমাত্র হিন্দু দেশ হিসেবে সাংবিধানিক ভাবে,সে তকমা থেকে ও কিছু আগে তারা বেরিয়ে এসেছে।এই যেমন চীনের প্রতি ঘনিষ্ঠতা ,ব্যবসায়িক প্রসারতা,রাজনীতির বির্বতন,হালকা সমাজতন্ত্রের ছোঁয়া সবকিছু মিশেলে নেপালের ধ্যান ধারণা কিছুটা অগ্রসরমান হয়েছে।পাকিস্তানকে বাদ দিয়ে আমেরিকার মত বাংলাদেশ ,নেপাল আর ভারত যদি এফটিএ ” একটা এলাকা করত সেটা অনেক উজ্জ্বল একটা সিদ্ধান্ত হতে পারত।তা না করে সাফটাকে অর্কাযকর,প্রতিবেশি দেশকে অবমূল্যায়ন এটা তাদের একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।তারা শুধু নিতে শিখেছে দেবার বেলায় আস্ত কমিনা!!! শেখ হাসিনা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত আগ্রহ ও প্রতিবেশী দেশের প্রতি যে শ্রদ্ধাবোধ দেখিয়েছে তার কোনটাই বা ছিটেঁফোঁটা ও দেখাতে পারছে না ভারত।মাই নেম ইজ খান বা মল্লিকাকে দিয়ে ওবামার কাছে যেতে পারলে ও আমেরিকার বাণিজ্য চিন্তাচেতনায় ভারত এ এক আবাল শিশু।ভারতের এ ধরনে কর্মকান্ড প্রতিবেশি দেশগুলোকে বিরক্ত ও উস্কানি দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।শ্রীলঙ্কার নির্বাচনে ও তার অনভিপ্রেত হাত বা চীনের প্রভাব কমানোর জন্য অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে নাক গলাচ্ছে ভারত।যা আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক উভয় আইন ও নৈতিকার প্রতি অশ্রদ্ধারই শামিল। তা অবশ্যই পরিহার করা উচিত ভারতের।প্রতিবেশি দেশকে এরকম অবহেলা আর অবজ্ঞা করে এমন দেশ বিশ্বে বিরল।অথচ উল্টোটা করে ভারত নিজেকে উচুঁতে নিতে পারত তা না করে প্রতিবেশির নিন্দা শুনে শুনে একটা অচ্ছুতে পরিণত হচ্ছে।আধুনকি ভারত মাতা একটা স্লোগান ।কাজের বেলায় বাসুর মা !!!!!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



