দেশে বিজ্ঞানের ডিমান্ড বাড়তেছে না।বিজ্ঞানরে সাহিত্যের মত পড়ার ক্যাপাবিলিটিও কমতেছে।বিজ্ঞান নিজেরে সাহিত্যের মত করে হলে ও টিকে রাখবার বহুত চেষ্টা হইতেছে।বিজ্ঞান পড়া মানে ডাক্তার আর ইঞ্জিনিয়ার হওয়া।এই দুইটা হতে না পারলে তারপর টিপ্রল ই,সিএস,ইএমই,আরএস,এই,ফার্মাসিস্টসহ নানা বিষয়ে বিজ্ঞানরে যথাযথ মুল্য দিয়ে বিজ্ঞানের বাঁচাইয়া রাখার চেষ্টা হইতেছে একাডেমিক্যালি।কিনতু এগুলোতো বিজ্ঞান না সব প্রযুক্তিগত বিজ্ঞান তাও একাডেমিক্যালি।ল্যাবরোটরি নাই বা হবে বা পড়াবার দেখভাল করার যোগ্যতাও নাই তাগো দিয়ো বিজ্ঞান উন্নতি করাবার আপ্রাণ চেষ্টা হইতেছে।এখন তো নাকি এইসব বিজ্ঞান পড়তে হইলেই নাকি কমসেকম জিপিএ ৫ পাইতেই হবে,নইলে স্কুলে তারে আর্টস বা কর্মাস ধরাই দিবে!ছাত্রগো আগ্রহ কখন যে কোন বিষয়ে হইবো আমাগো দেশে কে বলতে পারবো?যেখানে যে বিষয়ে যে যা পড়ে তার কোন কিছুই ঠিক নাই ব্যবহারিক জীবনে।চারুকলা পইড়া যদি গ্রাফিক্স বা ইন্টেরিয়র করে,ইঞ্জিনিয়ার পইড়া যদি ট্যাক্সে চাকরি করে,ইসলামী সংস্কৃতির ইতিহাস পইড়া যদি ব্যাংকে চাকরি করে সেজীবন অবশ্যই উজ্জ্বল, তাতে বিজ্ঞানের কি!বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি যখন পশ্চিমার দিতাছে আমদানি পণ্যকারে সে দেশে বিজ্ঞান পড়লেই কি আর না পড়লেই কি!যাই হোক তবু ছাত্রগোরে সহজে বিজ্ঞান পড়তে দেওন যাইবো না।জিপিএ ৫ লাগবোই!!!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৪:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



