somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চট্টগ্রামে: ডিসি বনাম সংস্কৃতিকর্মীদের কাইজ্জা

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



হিল মানে টিলা(পাহাড় নয়)।
আর এই হিলের নাম-”ডিসি হিল”।সে হিসাবে হিলটার মালিক ডিসি।আবদার মিটাতে গিয়ে এই ডিসির হিলে সংস্কৃতি কর্মীদের অনুষ্ঠান করতে দিয়েছে।তাই বলে সংস্কৃতিকর্মীরা কি বলতে পারে এই হিলের মালিক আমরা?এতো দেখছি ভাড়াটিয়া হয়ে মালিকানা খোঁজার মতোন ব্যাপার!
ডিসি হিল ঘিরে এই কাইজ্জা আজকের নয়।বহু পুরনো।একদিকে আমলা,আরেকদিকে সংস্কৃতিকর্মীরা।উপনিবেশ,কারেন্টবুক অ্যাফের্য়াস রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি,দলবাজি,চুলটানাটানি করা যেহেতু এদেশের মানুষের মজ্জাগত স্বভাব তাই এইসব নিয়ে কাইজ্জা হবে না তা কেমনে হয়?দশটাকা পাওনার জন্য যেসমাজে মানুষ খুন হয়,সামান্য মতের মিল না হলে তারে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না,একজনের বিচা’য় আরেকজন হাত না দিলে পেটের ভাত হজম হয়না সেইখানে এইসব কাইজ্জা বেশ মধুর লাগে।সরকার আমলা এসব নিয়ে কথা আর বলতে ইচ্ছে করে না।নিজের গায়ে নিজে থুথু মারতে কার ইচ্ছে করে?
সবচেয়ে খারাপ লাগে চট্টগ্রামে সংস্কৃতিকর্মীদের দেখলে?সত্যিই এরা খুবই হতভাগ্য এই কারণে যে তারা সরকার আমলা দূর্ভাগা ইতরদের মতোনই কাজ করে।তারা নিজেদের সংস্কৃতি কর্মী বলে ভাবে,অথচ তাদের দেখলে মায়া হবে যে কারো।এরা একদিয়ে দূর্বল নয় সবদিক থেকে দুর্বল।ভিজিএফ কার্ড দিয়ে ও এদের রক্ষা করা যাবে না।একজন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের ধ্যান ধারণা জীবনাচরণ খুব সহজে বুঝতে পারবেন।কিন্তু এরা এ এমন আজীব এদেরকে বুঝা খুব মুশকিল।এরা পঠন পাঠনে দূর্বল,চিন্তায় দূর্বল,মননে দূর্বল,আর্দশিক লড়াইয়ে দূবর্ল,যুক্তিতে দূর্বল,নেশনের বিপদে দূর্বল,এরা হক কথায় র্দূর্বল।তবে এইসব ক্ষেত্রে এদের সবলতা হিমালয় সমান।তারা কাইজ্জায় হিমালয়,এরা কোন্দলে হিমালয়,এরা চত্বরকে মসজিদ মন্দিরের মর্যাদা দিতে তৎপর, লোকাল কানেকশনবাজ গেমসে হিমালয়, টেলিভিশন-পত্রিকায় হিমালয়,এ পাড়া ও পাড়ায় মুরগির ভাত খাওয়া না খাওয়া নিয়ে হিমালয়,গলায় হিমালয়—তাদের বিশ্বজয়ী বহুমুখী প্রতিভার সামনে কেউ দাঁড়াতেই পারবে না।
একজনের বক্তব্য এখানে কোড করলাম।তিনি বললেন,”সংস্কৃতি কর্মীদের প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেক আঘাত সইতে হয়েছে।এখনো আঘাত আসবে।তারজন্য আমরা পিছিয়ে পড়ব না”
অথচ দশকের পর দশক চট্টগ্রামের সংস্কৃতিতে পিছিয়ে পড়তে পড়তে আর কোন অবশিষ্টই রইল না।আঘাতের কথা বলছেন, আপনাদের প্রথম কাজই হলো নিজেদের মধ্যে কাইজ্জায় লিপ্ত থাকা।সারা বছরই একজন আরেকজনকে আঘাতে আঘাতে বির্পযস্ত করে ফেলেন।আপনারা খুঁজতে আসেন অন্যের আঘাত!ল্যাংমারামারি না করলে আপনাদের ঘুম হারাম হয়ে যায়।সেখানে অন্যের ব্যাপারে আঘাত খুঁজতে থাকেন –
আপনারা বড়ই আশ্চর্য্যরকম প্রাণী।পৃথিবীতে এই শ্রেণীর প্রাণী খুব কমই আছে।প্রাণী হলেও অনন্ত বলতে পারতাম-পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য হলেও আছে!এতোটাই অধমের যোগ্য আপনারা।আপনাদের একদল গিয়ে বলে আসেন,খুব ভালা হইছে।পরে আরেকদল গিয়ে বলে আসেন –ঠিক করেন নাই।এইসব লোয়ারক্লাস কাইজ্জা দেখতে দেখতে খুব অভ্যস্ত হয়ে গেছে।অথচ আপনারা মুখে মুখে জঙ্গীবাদ,মাদ্রাসার পুটকি মারেন!একশ চৌদ্দনম্বর গ্রেডের জঙ্গীবাদ আপনাদের হৃৎিপিন্ডে লালন করেন-অথচ তাকে সংস্কৃতি বলে প্রচার করেন!!

দয়া করে এই রকম সিকি পয়সার আবেগ দেখাবেন না।

একদিন একজন বৃহৎ সংস্কৃতিকর্তার সুন্দরী বউ জিজ্ঞেস করেছিলেন, সংস্কৃতি কাকে বলেন জানেন?
পরে কাঁপা কাঁপা গলায় উত্তর দিলাম— আমি সকালে উঠে বদনা নিয়ে হাগতে গিয়েছি,দাঁতব্রাশ করেছি,খেয়েছি,জামা-কাপড় পরে এখানে এসেছি,আপনার সাথে আলাপ সারছি তাকে সংস্কৃতি বলে।

চট্টগ্রামের সংস্কৃতি কর্মীরা নিজেদের আত্মপরিচয় সন্ধান করতে জানেন না।তবে একটা জিনিস খুব ভাল পারেন হাতের কানি আঙুলটা দাঁড় করায় রাখতে।তারা কেন যে সংস্কৃতি চর্চ্চা করতে আসেন তারা জানেন না।না জানলেও তো সমস্যা নাই।পরে জেনে নিলেই তো হয়।সেজানার আগেই তো তিনি সংস্কৃতি কর্তা!এটাই তাদের বেসিক দূর্বলতা।
”সংস্কৃতি চর্চ্চা করলে যে কেউ সাংস্কৃতিক হয় না” এই সামান্য কোডটি এখানকার সংস্কৃতিকর্মীদের জানা নাই।এরা এমন এক গোত্র নিজেদের পিঠে শপাং করে বারি পড়লে ওরা আরেকজনকে জিজ্ঞেস করবে..”আমাকে কি কেউ মেরেছে”?

[ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাই একলাইনে বলি—আগে যখন খারাপ ছিলাম তখন আপনাদের সাথে মিশার চেষ্টা করেছি।এখন ভাল হওয়ার জন্য আপনাদের সঙ্গ ছেড়েছি বিগত একদশক পর]
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩২
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চুক্তিতে নেই, তবু প্রবাসীদের আশা: NCT দিলেই মিলবে ভিসা ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:০০


জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা ছিল, বিগত অনির্বাচিত সরকারের সকল প্রজেক্ট পর্যালোচনা করা হবে। দেশের স্বার্থবিরোধী হলে তা বাদ দেওয়া হবে। কিন্তু সরকার তো আগের দেখানো... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুগল এ.আই. - প্রফেশনাল সার্টিফিকেট পেয়ে গেলাম

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৫


বিগত কয়েক বছর ধরেই অনলাইনে কোর্সেরাতে টুকটাক কোর্স করছি, মাঝে মধ্যেই সার্টিফিকেট পাচ্ছি। তবে প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স কখনো করা হয় নি। বলে রাখা ভালো কোর্সেরা ফ্রি নয়, এখানে আপনাকে পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মদিনার মিষ্টান্ন, শ্রী ঘোষের দধি: সম্প্রীতির যে রেখা চোখে পড়ে না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৮



২০২১ সালের ডিসেম্বরে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে প্রয়াত লেখক, গবেষক ও বাম রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরকে দেশের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। ষাটের দশকে যিনি ‘সাম্প্রদায়িকতা’ নামে আস্ত একটা বই... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন বেগম রোকেয়া, একজন মাদাম কুরী এবং একজন আএলিটা

লিখেছেন নাজনীন১, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০



মঙ্গল গ্রহের রাণী আএলিটা।



রাশিয়ান বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর একটি চরিত্র। ১৯২৪ সালের সাদা কালো ম্যুভিটি বানানো হয়েছে,সায়েন্সফিকশন উপন্যাসটি লিখেছিলেন এলেক্সে নিকোলেভিস টলস্টয়, ১৯২৩।


বাংলাদেশে এক সময়ে বিজ্ঞানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্নাহ পর্ব-২

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯



এবার জিন্নাহর পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বিতর্কিত বক্তব্যে আসা যাক। জিন্নাহ জন্মসূত্রে গুজরাটি ছিলেন এবং কেবল ইংরেজি ও গুজরাটি ভাষা জানতেন। তিনি উর্দু বলতে পারতেন না। সেক্যুলারিস্ট জিন্নাহ যেহেতু ব্যক্তিজীবনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×