somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডিয়ার সি টু স..........

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিপ্লব মানে লাল।লাল মানে লালপানি।গোট্টা দুনিয়া লাল।কমরেড,থামির জায়গায় শাড়ি রিপ্লেসমেন্ট কিভাবে হইছে এটা যদি বুঝতেন।তাহলে লালপানির ন্যাপকিনের কিস্তি শোধকরার জোকস আমার শুনা হইতো না।ডিয়ার আপনিতো প্যাকেজ অর্ধেক শো করছেন।বাকি অর্ধেক কে দেখাইবো তা নিয়া কেউ চিন্তা করতেছে না।আমি করতেছি।কমরেড আমি একখান লালথইলা দিতে চায় আপনারে।তাইলে প্যাকেজটা ফুল হইবে।
বাংলাদেশের প্রায়পুরুষের বিচীবদা কালা।কালার ইচ্ছে হইছে কালার লাল করবে!করতে পারে।তারাও তা ওইরকম চিন্তা করতে পারতেছেনা।
বেশিরভাগ নারীরা মাসিক বা পিরিয়ডের সময় কোম্পানির ন্যাপকিন প্যাড ইউজ করতেছে না।আপনি করতেছেন।উঁচাতলার নারীরা সেটা করতে পারে।শো করা এক ন্যাপকিন দিয়া কেমনে তিন-চারদিনের কাম চালাবেন ভারি চিন্তা করি না।তবে হালকা করে চিন্তা করতেছি।ঘরের মা-বোন-প্রেমিকা-আদারাস পিপি সবাইতো ত্যানাপ্যাডা মাইরা কাম চালাইতেছে।এই যে চালাইতেছে তা কি মনে করেন? তারা কেউ জানে নাই বইলাই করেন নাকি জেনে করেন!সে খোঁজ আপনি পান নাই।তার পেছনে অর্থ আছে!তারা অর্থনীতিশাস্ত্র না জানলেও টাকাশ্রাদ্ধ কিভাবে না হয় সেটা জানে।জানে বইলাই করে না।বেশিরভাগ নারীরাতো প্যান্টি পরে না।ব্রা পড়েনা।ইয়াংরা বেশি পড়ে।তাও কোন কোন টাইপ ইয়াংরা পড়ে তাও ভাববার কথা।যেখানে বেশিরভাগ প্যান্টি পড়ে না তাদেরকে ন্যাপকিন দিলেতো হবে না তার সাথে প্যান্টিও দিতে হবে।তা দিতে না পারলে কমরেড আপনি বস্তা প্রদর্শন করুন।এখনো যেখানে নারীরা মাসিকরে অসুখ বইলা ডাকে তারে কি দিয়া সুস্থতার গল্প কইবেন?জিগান না…সুস্থতা কয় কিনা?
পুরুষরা মাসিকরে গন্ধ,অশুচি এইরকম কথা খুব একটা কয় বলে জানি আবার জানি না।তারা শিকারে স্বীকার কইরা পারে।অসম্ভব কিছু না।কিন্তু কোন শ্রেণী এটা কইতে পারে তাতো আপনি কমরেড জানেন।আপনি উঁচাতলারে প্রদর্শন করছেন তো উঁচাতলার পুরুষেরটাও করতেন।
আর যেসব পুরুষরা নারী ব্রা প্যান্টি ন্যাপকিন কিনে দিতেছেন ও প্রদর্শন করতেছেন।সেটাও বিপ্লব।কেননা নারীর অর্থসংস্থান না কইরা নারী নিজের জিনিস নিজের পছন্দ মতোন কিনতে না পারার সার্মথ্যরে ভালবাসার নাম দিয়া কিনে দেবার ভড়ং করতেছে।দয়া দাক্ষিণ্যের ও ন্যাপকিন প্যান্টি ব্রা কালার দেখে চুজ করার সুযোগ নাই।সাইজ মেলার সুযোগ নাই।কোনমতে বস্তা বাঁধি দিতে পারলেই হইবো!সি টু সি শ্রেণীরা, সর্বজনীনরে করলেতো শ্রেণী বিভাজন থাকে না। সে সাম্যবাদতো আপনারা করতে পারতেছেন না।পরস্পর”ওটা এখন উঁচাতলার নিচেরতলার সিনেরমতোন একখান বাজারি শব্দ।বাজারে সব প্রদর্শন করা যেতে পারে তবে বাধ্যতা নাই।যেটা প্রদর্শন করতেছেন ওটা শিক্ষা বা গোপনীয়তার জন্য প্রদর্র্শণ করতেছেন না।শ্রেণীঅবস্থানের লেদার শো করতেছেন।প্রদর্শণ করারে কোন দোষ দিবার নাই।বিপ্লবের আংশিকতায় বিভ্রান্তির দোষ আছ বটে।ফুল বিপ্লব কবে হইবো সি টু সি!
অন্যপার্টে আসি….
একদিকে ডাক্তাররা প্রতিষেধক দিচ্ছে অন্যদিকে কমরেডরা প্রতিরোধ দিচ্ছে!
টাইট প্যান্টি না পড়তে।টাইট ব্রা না পড়তে।যোনিমুখে অথবা স্তনে নানা রোগ হয়।তাছাড়াও সুন্দরীউঁচাতলা নারীর আশপাশ কালা হয়ে যায় তারা তাও রক্ষা করতে পারতেছে না।ঘষামাজা করেও না।শুকনো ছাই,ধুন্দলের শুকনা গতর দিয়েও পারতেছে না।
পুরুষেদের পরার্মশ দিচ্ছে জাঙ্গিয়া না পড়তে।সবসময় জাঙ্গিয়া পড়লে বীচিতে টেনশন হয় ও আশেপাশে নানান কালাচান রোগ হইতে পারে।তয় কোনভাবেই কালাবদার বীচি লাল হবে না!
জাঙ্গিয়া-প্যান্টি-ব্রা না পড়লে যেখানে প্রতিরোধ সেখানেই কমরেড আপনি প্রতিষেধক দিচ্ছেন।প্যাডম্যান সিনেমা দেইখা উপমহাদেশের একপার্ট বিপ্লব দেখলেন।আরেকপার্ট দেখলেন না!
আর কালা বদা-বীচির পুরুষরা না বুঝেই তাতে চিক্কুর পাড়তেছে,মনে করতেছে তার বীচি এই রক্তে লাল হয়ে যাবে!প্রদর্শনে উঠবে।তো বীচিও প্রদর্শণ করুন কমরেড।প্রদর্শণকারীরাও বিনা পয়সায় কর্পোরেট কোম্পানির সেলসম্যানশীপ পাইয়া গেছে তাও বিনা বেতনে।সি টু সি ছাড়া, কমরেড ছাড়া, বিনাবেতনে পুঁজিবাদের সম্প্রসারণ আর কারা করতে পারে?যেখানে পুঁজিবাদরে চব্বিশ বাই সাতে মারতেছে ….গোল মিস করার মহড়ার জন্য আর্জেন্টিনা হিগুয়ানরে নাম দিছে এলপাপিতো!!
(সি টু সি – কমরেড টু কমরেড)
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:২১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রশ্নের আগুন যুক্তির মহাযাত্রা :প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য ২য় পর্ব ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:০৮


আদিতে ছিল প্রশ্ন
অন্ধকার আকাশের তলে দাঁড়িয়ে মানুষ
চেয়ে দেখেছিল নক্ষত্রের দিকে
মনে তার জেগেছিল বিস্ময়
কে জ্বালালো এই দীপ
কেন ঘোরে পৃথিবী, কেন নামে বৃষ্টি
কেন জন্ম, কেন মৃত্যু
কেন এই অনন্ত চলা?
উত্তর ছিল না হাতে
ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাফপ্যান্ট ফুলপ্যান্টের দেশে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:২৮


বাংলাদেশে যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে ভালোবাসেন, তারা সাধারণত খুব নিরীহ বিষয় পছন্দ করেন। এর একটা কারণও আছে। বেশিরভাগ মানুষই অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে চলতে চান। এমন কোনো বিষয় নিয়ে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না - সরকারের পদক্ষেপ প্রশংসনীয়

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫




মিরপুর-১ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে এমপি পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া সরকারের একটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ বলেই মনে করি। তবে পদত্যাগের নির্দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেরারী বিকেল

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৫

বাংলা বর্ষপঞ্জীর ষষ্ঠ মাস, আশ্বিনের শুরু থেকেই দিনের ‘বিকেল বেলা’ টা আমাদের দৈনন্দিন জীবন থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করে। আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহ থেকে আহ্নিক পরিবর্তনের ফলে প্রতিদিনের দৈর্ঘ্য একটু একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্ধকারের রসায়নবিদ, Case File 02 — সিউলের অসমাপ্ত গুলি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯


লেখকের নোট:
এই গল্পটি ১৯৭৪ সালের দক্ষিণ কোরিয়ার একটি ঐতিহাসিক হত্যাচেষ্টার ঘটনাকে পটভূমি হিসেবে নিয়ে নির্মিত সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম থ্রিলার। ঐতিহাসিক ব্যক্তি ও ঘটনার পাশাপাশি প্রফেসর রেহান আশরাফ, তাঁর পরিকল্পনা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×