>>কোটার পক্ষে যারা আছেন তারা যতোটা সম্ভব রাষ্ট্রীয় সিস্টেমের মইধ্যে আছেন।যারা বিপক্ষে আছেন তারাও অসুস্থ বিকারগ্রস্ত,জ্বরা,ঘুণেধরা রাষ্ট্রীয় সিস্টেমের সাথেই আপন আছেন।দু’পক্ষই কিন্তু আছেন সেই চৌদ্দনম্বরী রাষ্ট্রীয় সিস্টেমের সাথে।যেমনটা পাবলিকের সার্ভেন্ট,রাজনীতিক,সাধারণ জনগণ যেভাবে মিলে মিশে থাকেন আর কি!ফলে পাবলিকের সাথে দাদাগিরি,খবরদারি,নজরদারী,গুমগিরির সাথেই থাকেন।
এই যে পৈশাচিক,উন্মত্ত –অমন বিশেষণ প্রয়োগ করতেছেন এর মইধ্যে আসলে সবাই মিলেমিশে মানে আপনারা রাষ্ট্রীয় সিস্টেম যাতে আগের মতোন অক্ষত থাকে তার সাথেই আছেন।
বেশ মজা পাচ্ছি।আমিতো রাষ্ট্রীয় সিস্টেমের আগুন লাগায় দিতে চাই।বাকিরাতো সেভাবে চাচ্ছে না।
তফাত বুঝতে হবে।
সামষ্টিকতার সাথে থাকা মানে সংঘবদ্ধ থাকা।সংঘব্ধতা মানে পুরনো কিছুর সাথে অক্ষত অবস্থায় থাকা।।
প্রতিবাদ প্রতিরোধ >>
এসব হলো নিপীড়ন,নির্যাতনকে দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব দেয়া।যা কোনভাবে জনগণের সাথে সর্ম্পকিত না।তবে সাধারণ জনগণের সাথে সর্ম্পকিত।তাই ওইসব বিশেষণ কাউরে আজ স্পর্শ করে না।
টাচটুচ স্পর্শ লাগলেই যে অনুভব ছড়াই পড়বে তা কিন্তু না।।
>>ফইন্নির পুতরা মুভমেন্ট ফুভমেন্ট করে।দ্যাশে কি ফইন্নি আছে?
>>শহীদ মিনার,স্মুতিসৌধ ওগুলা কি?ওখানে ক্যান যান?কিসের জইন্য যান??
>>”গু”(পায়খানা)হাতে তুলে নেবেন যে কারণে…………
এযাবৎ মশাল মিছিল.মোমবাতি প্রজ্জ্বলন,বুরুত করে শহীদ মিনারে দৌড় দেয়া,অহিংস বালগান্ধী মার্কা রোমান্টিক মুভমেন্টের সময় নাই।তবু দেখতেছি আপনে আপনারা তাই অন্যের দেখাদেখি অহিংস বইল্যা সরকার,রাষ্ট্ররে বেরাই ধরতে চাইতেছেন।
হাতে “গু” তুইল্যা নেন মিয়ারা।
সামনে যারে পাইবেন ইনস্ট্যান্ট গু দিয়া ছুঁড়ে মারেন।
গু বাইর না হইলে ট্যাবলেট খান,তারপরো বাইর করেন আর সামনে ছুঁড়ে মারেন।
ল্যাংটা হইতে পারেন না,গু ছুঁড়তে পারেন না।কে কইছে আপনাদের এইসব করতে??
গু” কোথায় কোথায় মারবেন সেটা ও কি কই দিতে হইবো?কই প্রেমিকা লগে যখন সময় কাটাতে যান তখনতো সব মেটেরিয়াল লইয়াই যান।
এখানে কইতে হইবো ক্যান??
মনে রাইখেন,গু’র উপ্রে কোন কলা নাই।গু’উৎপাদন প্রবণ শিল্পকলা।।।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




