somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুলিশ আর শিক্ষকদের মধ্যকার পার্থক্য কমে আসতেছে___

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






হোলিআর্টিজান হামলার পর থেকে মাধ্যমিক,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির নামে ব্যক্তিগত হয়রানি দিনকে দিন বাড়ছে!
এটা এখন ধীরে ধীরে ’রেকি’ ও র্যা গিং বর্ণবাদী,নিপীড়নবাদী,সরকারী দমনবাদী ভূমিকার দিকে দ্রুতগতিতে এগুচ্ছে।
-
[(বেশিরভাগ সরকারী শিক্ষকরাই জানে না তারা”পাবলিক সার্ভেণ্ট”)!!শিক্ষিত ’আনকালচার্ড’ শিক্ষক তারা।সরকারী জব বলে কিছু নেই!!এটাও যে শিখার দরকার জানার দরকার শিক্ষকরা তা জানে না!!!]
-
এক্ষেত্রে শিক্ষকরা ভাল ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করতে পারছেন না।তারা অনেক ক্ষেত্রে পুলিশী ভুমিকা পালন করছে।আরো ততোধিক ‘জেলা প্রশাসন’ অফিস নির্ভর হয়ে পড়ছে!!
শিক্ষক সমাজের হাগামুতা ও জেলাপ্রশাসন অফিস নির্ভর হয়ে পড়ছে!!যা ভয়ানক।।
-
এ প্রবণতা খারাপ দৃষ্টান্ত।খুবই জঘন্য,নীচ ও হিনমন্য।।ভবিষ্যতে শিক্ষকরা যদি আরো উদার ও ভাল ব্যবস্থাপকের ভুমিকা পালন করতে না পারে এর জন্য শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের পথকে প্রশস্ত করবে।শিক্ষকদের মেরুদন্ড কোথায় এটা তাদেরকেই জানতে হবে।তারা কোনটাকে দন্ড বলবেন কোনটাকে মগজ বলবেন কোনটাকে ব্যবস্থাপনা বলবেন তাদেরকেই বুদ্ধিমত্তার সাথে বের করতে হবে।
জেলা প্রশাসন অফিস থেকে শিক্ষকদের ধমক খাওয়া ততোধিক লজ্জার।এটা নিকৃষ্টনীতি।এর জন্য শিক্ষকরা নিজেরা কি করবেন এটা তাদের সিদ্ধান্ত!!তারা তা করতে না পেরে ধমক খেয়ে চারপায়ী প্রাণীদের মতোন কুঁই কুঁই করছে।আর সে ঝাল মিটাচ্ছে শিক্ষার্থীদের উপর।
খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করছি শিক্ষকরা এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উপর নিপীড়ন ও করছেন।একই সাথে অভিভাবকদের হয়রানি করছেন।দিনকে দিন সেটা বেড়েই চলেছে। আস্তে আস্তে ব্যক্তিগত জীবনে চলে আসছে তার দৃষ্টান্ত বগুড়ায় পাওয়া গেছে।
-
এইতো মাত্র একটা ঘটনা।আরো ঘটনার পরম্পরার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
-
শিক্ষকরা কন্টিনিয়াসলি ”জেল-জরিমানা”র মতোন শব্দ প্রতিনিয়ত প্রসব করছেন ক্লাসে,প্যারেন্টস মিটিংয়ে।এসব নিকৃষ্ট কথা তাদের পেশাগত জায়গায় মানায় না।এসব কথা পুলিশদের মানায়।শিক্ষকরা তাদের মধ্যকার ব্যবধান শিক্ষার্থীদের কাছে লুকাতে পারছেন না।শিক্ষার্থীরা হয়তো নিপীড়নের ভয়ে কিছু বলছেন না।কিন্তু শিক্ষকদের ব্যাপারে তাদের মনোভাব দিনকে দিন ব্যাডএটনশনে রুপ নিচ্ছে।তাদেরকে রেসপেক্ট করছে না।তাদেরকে নেটিভ ভাবছে।অনেকেই শিক্ষকদের তুই তুকারি করছে।এই যে কেন করছে তা শিক্ষকদেরকেই বের করতে হবে।তারা কি চাই?? তারা কিভাবে শিক্ষার্থীদের সরকার ও অনান্য পেশী গোষ্ঠী থেকে শিক্ষার্থীদের পরিত্রাণ দেবে।তাদেরকে দ্বিতীয় অভিভাবকের মতোন আগলে রাখবে অন্য সব কৃত্রিম পেশীশক্তি সিস্টেম থেকে।কিন্তু তারা তা না করে পুলিশীং করছে!
-
শিক্ষকদের এমন পুলিশি ভূমিকা নিন্দাজনক।পাবলিক সার্ভেন্টরা শিক্ষকতার নাম নিয়ে কোন সরকারের গোলামি করতে পারেন না।পাবলিক সার্ভেন্টরা মূলত রাষ্ট্রের।
শিক্ষকরা যদি এটুকুন কমনসেন্স খাটাতে না পারেন যে রাষ্ট্র আর সরকারের মধ্যে যোজন যোজন পার্থক্য আছে!
শিক্ষকরা এমনিতেই ক্লাসে শিক্ষকতা করতে পারতেছেন না।ছাত্রদের সাথে তাদের বয়সগত পার্থক্য ছাড়া বাকি পার্থক্য খুব কমে যাচ্ছে!
-
এটা শিক্ষকদের জন্য লজ্জার।
-
তাদের নীতি নৈতিকতার কথা না হয় বললাম না।যেসব শিক্ষক মাসের পর মাস বেতন নেন যে কারণে সে পরিমাণ ক্লাসে শ্রমিকের মতোন শ্রম দিতো তাহলেও কিছুটা উপকার পাওয়া যেতো এ শিক্ষা ব্যবস্থায়।
তারা শিক্ষার্থীদের সাথে আড্ডা দেন অনেকে মনে করেন এটাকে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক!
-
অথচ এর আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে দিনশেষে অফার করা আমার কোচিং এ আসো।আমার প্রাইভেটে আসো।এটা মাধ্যমিকের সমস্যা।কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়তো পুরো অপরাজনীতির ভাগাড়।শিক্ষার্থীরা তাদের পিতামাতারা ইনভেস্টমেন্ট আকারে টাকার পর টাকা খরচ করে তাদের তৈরি করছে।
অর্থাৎ এযে তৈরি করছে তা একেবারেই ব্যক্তিগত।এ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টাকে দিনশেষে চুরি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর শিক্ষকরা!এই হচ্ছে এখানকার নিয়তি!!যার কোন ভূমিকা নাই,যার কোন উদ্দেশ্য নাই তাদের উদ্দেশ্য বলতে হচ্ছে এই যে অর্জন সব তোমাদের শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষকরা কোন পথে যাবেন তা শিক্ষকদের তাদেরকেই বুঝতে হবে,তাদেরকেই জানতে হবে---তারা কি পথে ভাল শিক্ষক ও একই সাথে ভাল শিক্ষাব্যবস্থাপক হবেন।।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০৮
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জামায়াতের দ্বিচারিতায় পরিপূর্ণ রাজনীতি

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ২২ শে জুলাই, ২০২৬ ভোর ৫:২৮


১৯৪১ সালে ব্রিটিশ ভারতের লাহোরে ইসলামী চিন্তাবিদ সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী ‘জামায়াতে ইসলামী’ গঠন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটি ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধার্মিক কে অনুসরণ করুন ভন্ডকে নয় ।

লিখেছেন কিরকুট, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

আমরা প্রায়ই নিজেদের ধর্মপ্রাণ জাতি বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসি। কিন্তু প্রশ্ন হলো ধর্ম কি সত্যিই আমাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও সত্যের পথে পরিচালিত করতে পারছে, নাকি কিছু অসভ্য মানুষ ধর্মকে নিজেদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক্যাপাসিটি চার্জের পর এবার নজর খাম্বায়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৩


বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ নেই । বিশেষ করে যারা নির্দিষ্ট বেতনে সংসার চালান কিংবা যেসব পরিবারে কেবল একজন মাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আছেন, তাদের মাসে প্রিপেইড মিটারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৫৯



কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদটি সংবিধানের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন যোগ্যতার চেয়ে দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই বেশি হয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাকরির জন্য সুপারিশ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫৮



গত কয়েকদিন যাবত ফেসবুক, ইউটিউব সহ অনলাইন সকল পত্র-পত্রিকা, টিভি নিউজ সহ এমন কোনো স্থান বাদ নেই যেইখানে এক ব্যক্তির রাজনীতি, সাংসদ, সংসদ, চরিত্র, বিবাহ, কাবিন নামা, প্রথম স্ত্রী,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×