খাগড়াছড়িতে পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করছে চাকমারা! আমার মতে নিঃশর্তে বাঙ্গালিদের উচিত এই উন্নয়নের বিরোধিতা করা!
কি লাভ হয়ে সেখানে পর্যটন করে! বিরোধিতা করবে চাকমারা আর সেখানে যে কয়টা পদ সৃষ্টি হবে সব নিয়োগ দেওয়া হবে চাকমা থেকে! মেডিকেল কলেজ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ!
এখন থেকে সরকারের যেকোন উন্নয়ন কাজের বিরোধিতা করাই হবে পাহাড়ের বাঙ্গালিদের আন্দোলনের চালিকাশক্তি! শর্ত একটাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাঙ্গালি নিয়োগ দেওয়া না হলে পাহাড়ে কোন উন্নয়ন চায় না বাঙ্গালীরা!
আজকে পাহাড়ে যত উন্নয়ন হয়েছে বা হচ্ছে সব বাঙ্গালির রক্তের ভেজা পরিশ্রমের! এই যে সুন্দর সুন্দর রাস্তা এগুলো কারা তৈরি করেছে? সেনাবাহিনী বিনা অর্থে বাঙ্গালি দিয়ে কাজ করিয়ে এসব রাস্তার প্রাথমিক সংস্করণ করে! ঘর থেকে ধরে ধরে নিয়ে যাওয়া হতো কাজের জন্য! না গেলে চলতো নির্যাতন!
বিনিময়ে কি পেল পাহাড়ের বাঙ্গালিরা? কে কি দিয়েছে?
যতো সরকারি, আধাসরকারি চাকুরি আছে সব নিয়োগ দিয়েছে চাকমাদের! বর্তমানে হাজার হাজার শিক্ষিত বাঙ্গালি ছেলেরা বেকারত্ব জীবন কাটাচ্ছে!
আপনাদের আরও একটি তথ্য দিতে চাই যা আপনারা অনেকেই হয়তো খেয়াল করেছে! বাংলদেশে সেনাবাহিনীর ক্ষতি চায়না এমন কোন চাকমা বাংলাদেশে নেই! আমার মনে হয় যেসকল চাকমা সেনাবাহিনীতে চাকরি করে তারাও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্ষতি চায়! উদ্ভাস চাকমা তার বড় প্রমাণ! কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য যে, সেনাবাহিনী পরিচালিত Trust Bank এর রাঙ্গামাটি শাখার সবাইকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে চাকমা থেকে! শুধু তাই নয় সেনানিবাসের সামনে যে ATM বুথ আছে সেখানেও চাকমা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে! খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ব্যাংকটির শাখা আছে কিনা যানা নেই! যদি থাকে সেখানেও হয়তো একই পরিস্থিতি হবে!
সরকারের সকল উন্নয়নে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়াই পাহাড়ের বাঙ্গালিদের সবচেয়ে বড় অপরাধ!
তাই এখন থেকে একটাই দাবী বাঙ্গালিদের চাকুরি ও অগ্রাধিকার সুবিধা না দিয়ে পাহাড়ে কোন উন্নয়ন নয়!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



