somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজব দেশেই থাকি!

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এমন অনেক বাঙালী আছেন যারা এক সময় দেশ নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন। দেশকে বদলাবেন, বাঙালির হাজার বছরের দারিদ্র লাঘব করবেন, দূনীতির বিরুদ্ধে সোচ্ছার হবেন ইত্যাদি, ইত্যাদি। তাদের আত্মা এখন মৃত। তারা এখন আলাদা করে নিজেদের জন্য ভাবতে শিখেছেন। সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন নিজের পশ্চাতদেশ বাঁচিয়ে চলি টাইপ জীবনের সাথে তারা অভ্যস্ত হবার প্রাণপন চেষ্টা করছেন।

এই দেশ নিয়ে আশা করার মতো কোন কিছুই আর অবশিষ্ট নাই। দেশের মানুষই ভালো না। হাজার টাকায় যে কাউকেই কিনে ফেলা যায়। সবচেয়ে বড় কথা, এই কয়েক বছরে বাঙালির মেরুদন্ড অনেক ক্ষয়ে গেছে।

সরকার আসে সরকার যায়। তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে যার যা নেবার নিয়ে নেয়। তারপর সেই চিরাচরিত নাটক। ভিলেন হয়ে উঠে নায়ক। এ দেশে কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা সেটা বুঝার মতো ক্ষমতা ঈশ্বরেরও নাই।

আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা আমরা কোনভাবেই একটা বিষয়ে একমত হতে পারিনা। নিজের স্বার্থের বিপরীতে কিছু এলেই আমরা কুকুরের চেয়েও অধম হয়ে উঠি।

দেশ চলছে পাগলা ঘোড়ার পিঠে। রাজাকার, যুদ্ধপরাধ নাটকের সমাপ্তি ঘটানো এখনো সম্ভব হয়নি। ভ্রুহীন মহিলা তার দুই সন্তান নিয়ে প্রভাবশালী রাষ্ট্রের তোষামোদে ব্যস্ত। জামাতিরা খোলস বদলে এখন নিজের পশ্চাতদেশ বাঁচানোয় তৎপর। লাভ গুরু চাচা এরশাদ এই শেষ বয়সে এসেও মৃত্যু চিন্তায় মুমূর্ষ। ফাঁকে সরকার সুযোগ বুঝে দেশ লুটে নিচ্ছে।

আ.লীগ সরকার তেমন একটা সরকার যেমন রাজাকার জামাতিরা যদি কখনো রাষ্ট্রের ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্র পরিচালনা করতো। আ.লীগ আর জামাতিদের মধো তফাত দেখি না। একদল ফাকিস্তানের চামচামি করে, বাকিদল মালোয়ানদের। দুইটা দলই দেশের জন্য ক্যান্সার।

আজকে অনেকদিন পর এসে একটা চরম দেশদ্রোহীমূলক পোষ্ট দিলাম। একান্ত বাধ্য হয়েই দিলাম। চারদিকে দু:সংবাদ আর দু:সংবাদ। তারপরও, তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের কিছু মহান বাণী যখন চোখের সামনে দেখি তখন ভাবি, শালার আজব দেশেই থাকি!
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৮
৯টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এসো ঈদের গল্প লিখি..... পড়ি

লিখেছেন অপ্‌সরা, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১১


আরও অনেকের গল্প পড়ার অপেক্ষায়..... স্বপ্নের শঙ্খচিলভাইয়া, নতুন নকিবভাইয়া, প্রবাসীকালোভাইয়া,ওমর খাইয়ামভাইয়া, হুমায়রা হারুন আপুনি, করুনাধারা আপুনি, মেহবুবা আপুনি, রাজীব নূর ভাইয়া, রানার ভাইয়ার গল্প পড়তে চাই, জানতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×