এক নিঝুম অরণ্যে
বসন্তে পাহাড় চূড়ায় আর বৃষ্টি দিয়ে...
মরুভূমি'র ঝড়ে আর ঘুমন্ত সাগরে,
তুমি ভরে দাও এই মন...
ফিরে এসে।
মেঘের দেশে...র গান। মনটা ছুঁয়ে যায়। আমায় ভালোবাসতে দাও... জীবন দিয়ে...। দারুন মিনতি। শুনবে না কেউ? শুনবে শুনবে, দরদ থাকতে হবে। আহবানে মাতাল টান থাকতে হবে।
নতুন সুমনের গান শুনছি। জীবনমুখী নয়। জীবন বিমুখী গান। মেঘের দেশের গান। সময়ের আগে ভালোবেসে ফেসে গেছে নদী। তেমন আলোড়ন তুলতে পারেনি। ভেতরের লাজুক পাহারাদার সুযোগ বুঝে ছটকে গেছিল ডিউটি ভুলে। একটা সময় থাকে ভালোবাসবার। সময়টায় দৌড়ে এসে পাহারাদার হাফুস-হুফুস মরে। নদীর চিহ্ন নেই সেখানে।
আশ্চার্য্য!!! এই ঠুনকো আমি, খালি পকেটে রঙিন স্বপ্ন দেখছি। নতুনের গান গাইছি। বিনে পয়সায় পুরনোকে কাছে ডাকছি। মাঝে মাঝে 9 নম্বরে ঘুমের ঘোরে দিবা স্বপ্ন দেখছি। জিয়া উদ্যানে হাসি ঠাট্টায় মেতে উঠছি। হাত ধরছি, হাত ছাড়ছি। আজকালতো কবিতাও উত্তরে উড়ানো শুরু করেছি। আশ্চার্য্য... আশ্চার্য্য...।
ভালোবাসা। প্রেম। কঠিন তফাৎ দুই শব্দের মাঝে। কোন নামে কাকে সম্বোধন করি? বিভেদটা কার জানা? কার? আমি হয়তো কিছুটা জানি। ভেতর থেকে বের করতে পারছি না। শব্দ দিয়ে প্রকাশ করতে পারছি না। গান দরকার, মেঘের দেশের আরও একটি বৃষ্টিমাখা গান। কে গাইবে?
বসে আছি। শুয়ে আছি। বসে আছি। দাঁড়িয়ে আছি। উথাল-পাথাল বাতাসগুলো মেঘের আহবানে ছুটে চলেছে। ছুটে চলেছে মেঘ নিজে। লুকোচুরি খেলা। কিছু কিছু মুহুর্ত ক্যামেরার ফ্রেমে আটকানো যায় না। মনটা হচ্ছে ছবিঘরের আঁধার। প্রিন্ট আউট করার মত ল্যাব আছে, কারিগর নেই। কারিগর দরকার, দক্ষ একজন কারিগর।
তুমি ভরেছো এই মন...! কতটা ভরেছো? সময় চুরি! সময় চুরি। উহু... সময় পাস! সময় পাস! হবে। ক'টি নদীই বা মাঠে মারা যায়? বেশির ভাগই দিক বদল করে। সব নদীর একই নাম। সব নদীর একই রূপ। সব নদীর একই নিয়তি। কলকলিয়ে বয়ে চলা। সাগরে পতিত হওয়া। সব সাগরে নদীর জল ভালো মিশ খায়। সাগরের গুন নয়, নদীর গুন। নদীরা শতরূপী। পূজারীরা কেউ তীরে বসে কবিতা লিখে। কেউ দূরে দাঁড়িয়ে ছবি আঁকে। কেউ কেউ নদীর বুকে ঠাঁই খুঁজে। ঠাঁয়........... পায় কি?
---[ 9/04/2006ইং 2:43 এ.এম. ]---
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



