somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমেরিকান অ্যাপারেলস :নগ্নতার নগ্ন প্রকাশ

০৮ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৪:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


‘মেড ইন বাংলাদেশ’। বিশ্বের দামি দামি ব্র্যান্ডের পোশাকে এই ট্যাগ বিশাল গর্বের। তৈরি পোশাকে বাংলাদেশের নারী তাদের ঘাম আর শ্রম দিয়ে বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি দেশের জন্য এই গর্ব কিনে আনে। কিন্তু সেই ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ কথাটির ন্যাক্কারজনক ব্যবহার ঘটালো যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পোশাকের জায়ান্ট ক্রেতা আমেরিকান অ্যাপারেলস। নগ্ননারী বক্ষে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ কথাটিকেই তার বসন হিসেবে দেখিয়ে নগ্নতার এক ঘৃণ্য-নগ্ন প্রকাশ ঘটিয়েছে আমেরিকান অ্যাপারেলস। আর সেই বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে ব্যবহার করেছে এক বাংলাদেশি-আমেরিকান নারীকেই।

বিজ্ঞাপনে নগ্নতা, অসংলগ্নতা প্রকাশ করে এরইমধ্যে বারবার বিতর্কিত এই প্রতিষ্ঠান এবার নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে।

বিষয়টিকে সামনে এনেছে নিউইয়র্কভিত্তিক ফ্যাশন ম্যাগাজিন এলি। এই ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ছবিটির নিচে মডেলের নাম লেখা হয়েছে ম্যাকস। বলা হয়েছে, ম্যাকস বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আমেরিকান এবং ২০১০ সাল থেকে আমেরিকান অ্যাপারেলসে মারচেন্ডাইজার হিসেবে কাজ করছেন।
এলি ম্যাগাজিনের সংস্কৃতি বিষয়ক খবরের অংশে বিষয়টির কড়া সমালোচনা লিখেছেন আরেক বাংলাদেশি নারী তন্বী নন্দিনী ইসলাম।
তন্বী নন্দিনী লিখেছেন, নগ্নতায় আমার আপত্তি নেই। আমি অতি শিষ্টাচারে বিশ্বাসীও নই কিংবা ঘৃণা ছড়াতেও পছন্দ করি না। কিন্তু একইভাবে মেড ইন বাংলাদেশ কথাটি আমি কোনো নারীর নগ্নবক্ষে দেখতেও পছন্দ করি না।

ছবির মডেল ম্যাকসের বিষয়েও নন্দিনী লিখেছেন, এই মেয়েটি ঢাকায় জন্ম নিয়ে চার বছর বয়সে ক্যালিফোর্নিয়ায় অভিবাসী হন, বেড়ে ওঠেন মুসলিম পারিবারিক পরিমন্ডলেই। কিন্তু তিনি তার ধর্মীয় চেতনাকে জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের পথ বেছে নিয়েছেন।
প্রশ্ন উঠেছে আমেরিকান অ্যাপারেল এই বিজ্ঞাপন দিয়ে কি বোঝাতে চাইছে? তারা কি বলতে চাইছে মডেল ম্যাক ‘মেড ইন বাংলাদেশ’। নাকি ম্যাকের যে পোশাকটি প্রয়োজন তা ‘মেড ইন বাংলাদেশ’।
এখানে বিজ্ঞাপনের চেয়ে একটি গর্বের বাক্যকে যৌনতার লেবেল আঁটা ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি। তবে আরো গভীরতায় গেলে বলা যায় এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর স্রেফ চপেটাঘাত। সে শিল্প খাতটির প্রাণভোমরা নারী শ্রমিক তাদের জন্য এই বিজ্ঞাপন অপমানের। বাংলাদেশে ৩.৬ মিলিয়ন শ্রমিক তৈরি পোশাক শিল্পে কাজ করেন। তাদের হাতেই আয় হয় বছরে ১৮ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা। এই নারীরাই বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির চালিকাশক্তি।
এই নগ্নতা দিয়ে আমেরিকান অ্যাপারেলস জানিয়ে দিলো তার নিজের নগ্ন চেহারা। এই প্রকাশে তারা ব্যবহার করলো আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নারীকে, সেটাই উদ্বেগের।
Click This Link ইন বাংলাদেশ’। বিশ্বের দামি দামি ব্র্যান্ডের পোশাকে এই ট্যাগ বিশাল গর্বের। তৈরি পোশাকে বাংলাদেশের নারী তাদের ঘাম আর শ্রম দিয়ে বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি দেশের জন্য এই গর্ব কিনে আনে। কিন্তু সেই ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ কথাটির ন্যাক্কারজনক ব্যবহার ঘটালো যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পোশাকের জায়ান্ট ক্রেতা আমেরিকান অ্যাপারেলস। নগ্ননারী বক্ষে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ কথাটিকেই তার বসন হিসেবে দেখিয়ে নগ্নতার এক ঘৃণ্য-নগ্ন প্রকাশ ঘটিয়েছে আমেরিকান অ্যাপারেলস। আর সেই বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে ব্যবহার করেছে এক বাংলাদেশি-আমেরিকান নারীকেই।

বিজ্ঞাপনে নগ্নতা, অসংলগ্নতা প্রকাশ করে এরইমধ্যে বারবার বিতর্কিত এই প্রতিষ্ঠান এবার নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে।

বিষয়টিকে সামনে এনেছে নিউইয়র্কভিত্তিক ফ্যাশন ম্যাগাজিন এলি। এই ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ছবিটির নিচে মডেলের নাম লেখা হয়েছে ম্যাকস। বলা হয়েছে, ম্যাকস বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আমেরিকান এবং ২০১০ সাল থেকে আমেরিকান অ্যাপারেলসে মারচেন্ডাইজার হিসেবে কাজ করছেন।
এলি ম্যাগাজিনের সংস্কৃতি বিষয়ক খবরের অংশে বিষয়টির কড়া সমালোচনা লিখেছেন আরেক বাংলাদেশি নারী তন্বী নন্দিনী ইসলাম।
তন্বী নন্দিনী লিখেছেন, নগ্নতায় আমার আপত্তি নেই। আমি অতি শিষ্টাচারে বিশ্বাসীও নই কিংবা ঘৃণা ছড়াতেও পছন্দ করি না। কিন্তু একইভাবে মেড ইন বাংলাদেশ কথাটি আমি কোনো নারীর নগ্নবক্ষে দেখতেও পছন্দ করি না।

ছবির মডেল ম্যাকসের বিষয়েও নন্দিনী লিখেছেন, এই মেয়েটি ঢাকায় জন্ম নিয়ে চার বছর বয়সে ক্যালিফোর্নিয়ায় অভিবাসী হন, বেড়ে ওঠেন মুসলিম পারিবারিক পরিমন্ডলেই। কিন্তু তিনি তার ধর্মীয় চেতনাকে জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের পথ বেছে নিয়েছেন।
প্রশ্ন উঠেছে আমেরিকান অ্যাপারেল এই বিজ্ঞাপন দিয়ে কি বোঝাতে চাইছে? তারা কি বলতে চাইছে মডেল ম্যাক ‘মেড ইন বাংলাদেশ’। নাকি ম্যাকের যে পোশাকটি প্রয়োজন তা ‘মেড ইন বাংলাদেশ’।
এখানে বিজ্ঞাপনের চেয়ে একটি গর্বের বাক্যকে যৌনতার লেবেল আঁটা ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি। তবে আরো গভীরতায় গেলে বলা যায় এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর স্রেফ চপেটাঘাত। সে শিল্প খাতটির প্রাণভোমরা নারী শ্রমিক তাদের জন্য এই বিজ্ঞাপন অপমানের। বাংলাদেশে ৩.৬ মিলিয়ন শ্রমিক তৈরি পোশাক শিল্পে কাজ করেন। তাদের হাতেই আয় হয় বছরে ১৮ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা। এই নারীরাই বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির চালিকাশক্তি।
এই নগ্নতা দিয়ে আমেরিকান অ্যাপারেলস জানিয়ে দিলো তার নিজের নগ্ন চেহারা। এই প্রকাশে তারা ব্যবহার করলো আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নারীকে, সেটাই উদ্বেগের।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৩
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×