ঈদের সময় পত্রিকায় প্রায়ই দেখা যায় পাতিতে ডুবে মারা যাবার খবর।
আমরা একটু সচেতন হলে এই খবরটা থেকে এড়িয়ে যেতে পারি।
আমরা যারা শহরে বসবাস করি। তারা গাড়ি ছাড়া চলা য়ফেরা করি না।
দৈহিক পরিশ্রম করি না বললেই চলে। তাই আমাদের শরির অল্প পরিশ্রমে হাপিয়ে ওঠে। আর বেশি দৈহিক পরিশ্রম করলে অজ্ঞান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আমাদের শৈশব কেটেছে গ্রামে। বড় পুকুর আর নদী সতরে পার হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে সবার। আর সেই স্মৃতি আমাদের মস্তিষ্কে স্থায়ী হয়ে আছে।
গ্রামের সেই নদী পুকুর আছে। আর আমাদের মস্তিষ্কে আছে পুকুর পার হওয়া আর নদীর মাঝ খানে যাওয়া স্থায়ী স্মৃতি। শুধু নাই দৈহিক পুরশ্রম করার সামর্থ। যাকে বলে স্টামিনা।
ফলাফল আমরা মাঝ নদীতে গিয়ে ফিরে আসতে পারি না। অজ্ঞান হয়ে যাই নয়ত অতি ক্লান্ত হয়ে ডুবে মরি। আমরা একটু সচেতন হলে এই অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পারি।
সবার কাছে অনুরোধ। বর্ষার নদী বা ভরা পুকুর দেখে অতি রোমান্টিক হবেন না। নদীতে গোসল করতে গেলে মাঝ নধীতে যাবেন না। বড় পুকুরেও সাতরে পার হওয়ার চেষ্টা করবেন না।
সবাই সহিসালমতে শহরে ফিরে আসুন। দেখা হবে আবার। আগাম ঈদ মুবারক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




