কিছুই ভাল লাগছে না।
একটা লেখা পড়ে আছে আঢ খামচা হয়ে। শেষ করতেও ইচ্ছে করছে না। থাক না পড়ে... কী হবে...
ঝুমুরের গল্পটারও একই অবস্থা, দুটো প্যারাগ্রাফের পরে আর এগুলোই না! ইচ্ছে করে না... ইচ্ছে করে না...
এই দু-তিন দিন বেশ স্ফুর্তিতে ঘুরে বেড়ালাম। ছুটে ছুটে করলাম জমে ডাই হয়ে থাকা কাজ- কম্মো সব। আজকে হঠাৎই আবার পেয়ে বসল এই আলস্য। ভাল না লাগা।
মাঝরাতে ক্রীং ক্রীং...
ভালো লাগে না... ভালো লাগে না... ভালো লাগে না...
আমি ভালো নেই তুই কি জানিস?!
আজকে অরন্ধন। খানিক বসে কমেন্টালাম। তারপর মনে হল এই এলোমেলো দুটি কথাই নাহয় লিখে দিই!
বেশ ক্ষিদে ক্ষিদে পাচ্ছে বটে! নাহ... এই ডায়েটিং আর আমার দ্্বারা হল না। কিন্তু অরন্ধন যে! দেখি। ফ্র ীজে কিছু না কিছু তো নিশ্চয়ই পেয়েই যাব!
একটা ছোট প্রেশার কুকার কিনতে হবে। টানা দুদিন ধরে গরু সেদ্ধ করাটা কোন কাজের কথা নয়! কবে যে একটু সাংসারিক বুদ্ধি হবে! কবে?
মনমোহন কয় পাগল পাগল
পাগলামী কি গাছেরও ফল...
ভোরবেলায় ভিক্টোরিয়ায় চলে গেলেও হত। কিন্তু ঐ আলস্য! সারারাতের আধ-খামচা ঘুমের পরে সকালবেলায় চোখের পাতা কিছুতেই খুলতে চায় না যে মাঝে মাঝে শুধু চোখ পিটপিট করে ঘড়ি দেখা, 7টা কি বেজে গেলো?
কাল ঠিক যাবো...
নাহ এবার উঠতেই হচ্ছে...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


