ছোট শহর দিনাজপুর, সেখানেই বেড়ে উঠা একটি মেয়ের। মেয়েটির নাম শাপলা, তার বাবা গরীব কৃষক আর মা গৃহিণী। চার ছেলে, তিন মেয়ে নিয়ে অভাবের সংসার। কোনো রকমে তিনবেলা খায়, পড়াবে কি করে?
শাপলা মা বাবার বড় মেয়ে তার অনেক শখ পড়ালেখা করার। বাবা তাতে রাজি নন, তিনি চান গ্রামের আর পাঁচটা মেয়ের মত তার মেয়ে ও বিয়ে করে সংসার পাতুক, গরীবের মেয়ে পড়াশুনা করে কি করবে?
মেয়ের প্রবল ইচ্ছা বুঝতে পারলেন মা, তিনি বরের অগচরে মেয়ের জন্য টাকা জমাতে শুরু করলেন। সেই টাকা দিয়ে মেয়ের পড়াশুনা চালিয়ে যেতে লাগলেন। টাকার জন্য অনেক সময় তিনি মানুষের বাড়িতে কাজ করতেন, তবে কার ও কাছে হাত পাতেন নি কখনও!
মেয়ে বৃত্তি পেল, মায়ের খুশি দেখে কে!
বাবা ও বুঝতে পারলেন মেয়ে তার আসলেই অনেক বড় হবে, তিনি ও তার মত পরিবর্তন করলেন।
মেয়ে সব পরীক্ষায় ভালো করলো, মেডিকেলে চান্স্ পেল।
শাপলা আজ একজন বড় ডাক্তার । তাদের সংসারে আর কোনো অভাব নেই। এখন দিনাজপুর শহরে তাদের বিশাল একটি বাড়ি আছে।

ছবি গুগোল
সবাই শাপলাকে সফল মেয়ে বলেন, কিন্তু আমি বলব আসলে সফলতার দাবিদার একমাত্র তার মা।
গল্পটি একটি সত্যিকারের জীবন কাহিনী থেকে নেয়া তবে মানুষ ও জায়গার নাম কাল্পনিক।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



