বাংলাদেশের প্রতিটি সংবাদপত্র নিজেদের অপকর্মের পর্দায় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে চালু। তাহলে আমরা সঠিক তথ্যের জন্য কিসের উপর নির্ভর করবো?
পত্রিকার মধ্যে নির্ভর যোগ্য হিসাবে প্রথম আলোকে মনে করতাম। তারা দেশের জন্য কি কল্যাণ করছে তার চিত্র তাদের ভারতপ্রীতি, নারীবাদ, ইসলাম ধর্মের সাথে জঙ্গীপনার সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ দেখে বোঝা যায়। অন্যদিকে এসিড সন্ত্রাস ও মাদক নিয়ে তাদের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
এছাড়া প্রথম আলো পত্রিকার সংবাদ কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করে যেটা জানতে পারলাম। সেটা হলো, যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তাদের প্রথম ২-১ বছর ইতিবাচক সংবাদ পরিবেশন এবং শেষের ৩-৪ বছর ধুয়ে ছাপ করা। সেটা আওয়ামীলীগ হোক কিংবা বিএনপি সবার ক্ষেত্রেই সমান।
আবার আমাদের ধারণা, বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে বিদেশীদের ইশারা কাজ করে। সেটাও অনেকটা প্রথম আলোর সাথে মিলে যায়। তাহলে কি তারা বিদেশী সেই ইঙ্গিত বাস্তবায়নেই মূলত কাজ করে যাচ্ছে?
অনলাইন নিউজ পোর্টালের মধ্যে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনায় সবচেয়ে অগ্রজ মনে হত বিডিনিউজ২৪ডট কমকে। কারণ নিজেদের কথার চেয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে কোন বিতর্ক ছিল না।
আমার পরিচিত এক বিডিনিউ কর্মী আমাকে জানালো, তাদের অফিসিয়াল কর্মীদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অফিস ও অফিসের বাইরে মাদক (সিগেরেট বাদে) সেবন করে থাকেন।
তার পরেও এই দুটি মাধ্যম থেকে সংবাদ পেয়ে থাকি আর অনেক সত্য জ্বলজ্বল করে জানতে পারি ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ থেকে।
তবে নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রথম আলো যে কাজ করে বিডিনিউজ তার উল্টাই দেখা যাচ্ছে। বিডি নিউজ এখন অনেকটাই আওয়ামীলীগের পক্ষে কাজ করছে।
প্রথম আলোতে অনেক আগে থেকে দেখলেও বিডিনিউজে সম্প্রতি যে বিষয়টি দেখা যাচ্ছে তা হলো তাদের মুক্তিযুদ্ধ ও দলবাজি নিয়ে সংবাদ মাধ্যম হিসাবে লাফালাফি।
যে বিষয়টিতে সবচেয়ে বেশী মর্মাহত হলাম। তা হলো, তাদের আজকের একটি সংবাদ দেখে। সংবাদটি
সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত আ. লীগ
সংবাদটিতে আওয়ামীলীগকে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বধানকারী দল হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
মনে হচ্ছে জামায়াতের সাথে জোট বাঁধায় বিএনপিতে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের কোন অস্তিত্ব নেই। যদি এমনটিই হয়, তবে কেন বিগত সময়ে আওয়ামীলীগ জামায়াতের সাথে জোট বেধেছিল। তখন কি আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল ছিল না?
হায়রে মিডিয়া…………..

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




