পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার হওয়া উচিত
০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার হওয়া উচিত। জনস্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে এ বিষয়ে নীতি নির্ধারণ করা দরকার। বিশেষ করে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের পোষ্য কোটায় ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ করা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটায় ভর্তির সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে মেধাবীদেরকে বঞ্চিত করা সংবিধানের ২৮(৩) অনুচ্ছেদের লংঘন কিনা তাও বিবেচনা করা উচিত। প্রতি বছর প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ১০০-২০০ জন পোষ্য কোটায় ভর্তি হন। তার মানে কম করে হলেও বছরে ৫০০০ জন পোষ্য কোটায় ভর্তি হচ্ছেন!
দেশের সমাজ বাস্তবতায় ক্ষেত্রবিশেষে কোটা প্রথা রাখার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এই সুবিধা কারা পাবেন, সে বিষয়ে আরও চিন্তাভাবনা করা উচিত। সংবিধানের ২৮ (৪) অনুচ্ছেদে ‘অনগ্রসর অংশের’ অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়নের সুযোগ রয়েছে। এসব বিবেচনায় প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, দলিত-হরিজনদের মতো পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠী যৌক্তিকভাবেই কোটা সুবিধা পেতে পারে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ত্রী-স্বামী-সন্তানদের জন্য কীভাবে ‘পোষ্য কোটা’ রাখা হয় তা বোধগম্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনোভাবেই সমাজের ‘অনগ্রসর অংশ’ বলা যায় না। এর চেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে, তাদের স্ত্রী-স্বামী-সন্তানরা অন্যদের তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে বেশি।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!
শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ...
...বাকিটুকু পড়ুন
জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়নআমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ...
...বাকিটুকু পড়ুন
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক...
...বাকিটুকু পড়ুন
ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।
ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।
নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে...
...বাকিটুকু পড়ুন