somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ষাটে পা দিলেন তারেক রহমান: প্রোপাগান্ডা থেকে জননেতা

২০ শে নভেম্বর, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এইতো সেদিন চেম্বারে বসে জনাব তারেক রহমানের বক্তব্য শুনতেছিলাম। সমাবেশে ভালো করে শুনতে না পারায়  চেম্বারে এসে পুনরায় শোনার আয়োজন। সাথে থাকা জাতীয়তাবাদী ঘেঁষা  আইনজীবী বন্ধুটি আনমনে বলেই ফেললেন, 'আরে ভাই! লিডার তো দেখি অসাধারণ বক্তব্য দেয়। পজিটিভ রাজনীতির চর্চা করেন। ' (অবশ্য এখন পরীক্ষিত কর্মী নয় এমন ঘেঁষাদের ঘেঁষাঘেঁষিতে টিকে থাকা দায়!)। বাস্তবতা হলো এমনই। সাধারণ মানুষ বা জাতীয়তাবাদী ঘেঁষা  তো দূরের কথা আমরা যারা জাতীয়তাবাদী কর্মী তারাও প্রকৃতপক্ষে লিডারকে কতটুটু শুনি? কতটুকু ধারণ ও বিশ্লেষণ করি? ওয়ান ইলেভেনের সরকার এবং তৎপরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট রিজম মিলে সবচেয়ে অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন জনাব তারেক রহমান। যার ফলে তারেক রহমান প্রসঙ্গ আসলেই সাথে সাথে সমালোচনা ডেলিভারি, যেন সমালোচনা সবার ঠোঁটে রেডি থাকতো।
বিগত আঠারো বছর পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র, সুশীল-সমাজ, টিআইবি, সরকার দলীয় থিংক ট্যাংক (প্রোপাগান্ডা উইং) , দেশী-বিদেশী লবিস্ট ফার্ম মিলে তারেক রহমান সাহেবের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত প্রোপাগান্ডা  করলেও কামিয়াবি হতে পারলো না। অথচ, স্বাধীনতা–উত্তর সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের কাঁধে চেপে বসা স্বৈরাচার নামক জগদ্দল  পাথরের বিরুদ্ধে প্রায় দেড় যুগ ধরে জাতীয় আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে তিনি যে নৈপুণ্য দেখিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন। স্বৈরাচার হটানোর পর দৃঢ়তার সাথে দলীয় শৃঙ্খলা আর ইতিবাচক রাজনীতির যে চর্চা করে চলছেন তাও নতুন প্রজন্মকে অবাক করে দিচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীদের ঢাকডোল পিটিয়ে মাইকিংয়ে নয় বরং স্ব-মহিমায় উদ্ভাসিত জননেতা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তারেক রহমানের কর্মী হিসেবে আমরা কি পারছি নিজেদের শোভিতকরতে?
শুভ জন্মদিন জনাব তারেক রহমান, অপেক্ষায় বাংলাদেশ।

তাই আসুন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অহেতুক তর্ক-বিবাদে না জড়িয়ে কিংবা ওমুক গ্রুপ তমুক গ্রুপের পিছনে না লেগে জাতীয়তাবাদের চর্চা করি৷ নতুন প্রজন্মকে দলকে জানার সুযোগ সৃষ্টি করি।  

- মোহাম্মদ তরিক উল্যাহ (MT Ullah)
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:২৬
১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেমন হলো নতুন 'মন্ত্রীসভা'?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৪


সংসদে এমপি হিসেবে শপথপাঠ করতে জনাব তারেক রহমান যখন এসে নিজের চেয়ারে বসতে গেলেন, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও জনাব খন্দকার মোশাররফ হোসেন তখন উঠতে একটু দেরী করে ফেললেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধন্যবাদ ওয়াকার উজ জামান স্যার !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২৭


২০২৪ সালের জুলাই মাসের সেই উত্তপ্ত দিনগুলোর কথা মনে করুন। রাজপথ জুড়ে তখন আগুন, কোটা আন্দোলনের উত্তাল ঢেউ আছড়ে পড়ছে সরকারের দেয়ালে। এই টালমাটাল মুহূর্তে একজন সামরিক অফিসার এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখিনী মায়ের কান্না

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৮


মহাখালী রেলগেট এলাকায় ময়মনসিংহের এক ভদ্রমহিলার সঙ্গে দেখা হলো মৃণালের। তিনি এক দোকানদারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। তার কথায় ময়মনসিংহের আঞ্চলিকতার টান শুনে মৃণাল আগ বাড়িয়ে আলাপ জুড়ে দিল। তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রেম করে বিয়ে করবেন? নাকি বাড়ির পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করবেন?

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪১



লালনের একটা গান আছে,
"এমন মানব জনম আর কি হবে। মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।" চমৎকার গান। চমৎকার গানের কথা। কথা গুলো বুঝতে চেষ্টা করুন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ নিয়া ব্যাকেটের সাথে কিছুক্ষণ আগেই কথা বলমাম ---

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬



কিছুক্ষণ আগে অফিসে আসার সময় লেগুনায় ওঠার সময় হঠাত করেই দেখি আমার পাশের সিটে বসা মি: স্যামুয়েল ব্যাকেট! একজন বিরাট ব্যাকেট ভক্ত হিসেবে উনি আমাকে চিনেন। আর কোনো কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×