মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বরবোর সেনাবাহিনী
এ দেশে তান্ডবলীলা চালাই।তাদের সহযোগী
হিসেবে ছিল এ দেশীয় কিছু দোসর। সেই
রাজাকার বাহিনী আজও তার হিংস্র থাবা
তুলে নেয়নি।বরং সময়ের পরিক্রমে ওরা
আরো বেশি সংগঠিত, আরো বেশি দ্ধংসাত্নক।
অসংখ্য প্রানের বিনিমেয়, মা- বোনের সম্ভ্রমের
বিনিমেয় এই লাল- সবুজ পতাকা পেয়েছি
আমরা। তাই ২৬ মার্চ আমরা মহান স্বাধীনতা
দিবসও জাতীয় দিবস পালন করি।স্যালুট জানাই
লাল সবুজ পতাকাকে।রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের
চেতনার কথা অনেক শোনা যায়।কিন্তু সেই চেতনার
কাছে এই বীরাংগনাদের কোনো মূল্য দেখি না।দেশ
স্বাধীন হলেও অসহায়- অবহেলিত নারীদের যুদ্ধ
থামেনি।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




