somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রিয়েল'স রিয়েল স্টোরি-1

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার স্বপ্নভাঙ্গার গল্প


তখন বোধহয় ক্লাস ফাইভে পড়ি ।নীতি শব্দটার সাথে পরিচয় হলেও এর সামগ্রিক অর্থ বুঝতাম না ।
তবুও মনের মাঝে কেন যেন ইচ্ছা জেগেছিল নীতিবান ব্যাক্তি হতে ।সময়ের হাত ধরে বেড়ে ওঠার সাথে সাথে বুঝলাম আমার ইচ্ছাটা আদৌ পূরণ হবার নয় ।

বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার সাথে পৃথিবীর এগিয়ে চলার মত আমিও এগিয়ে চললাম কালের স্রোতের সাথে । এগোতে এগোতে একসময় পৌছলাম ক্লাস নাইনে । চারিদিকে চলছে ক্রিকেটের জয়োৎসব । ক্রিকেটের জোয়ারে ভাসছিল তখন এদেশ ।সেই জোয়ারের জলে আমিও গা ভাসালাম । মনে স্বপ্ন অাঁকলাম একজন ক্রিকেটার হব । কিন্তু তা আর হোল কই! মধ্যবিত্ত পারিবারিক কাঠামো আমায় জানিয়ে দিল স্বপ্ন আমার স্বপ্নেই বাস্তবায়নযোগ্য ।

স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে একদিন কলেজে পা রাখলাম । নিজের শিরায় শিরায় তখন অনুভব করলাম এক অতৃপ্ত আহ্বান। ভালভাবে বোঝাতে পারবনা কী ছিল সে আহ্বান, তবে এতটুকু বোঝাতে পারি সেটা ছিল অ্যাডভেনঞ্চেরাস কোনকিছু । "অভাগা যেদিকে যায় নদীর জলও সেদিকে শুকায়" প্রবাদটা সবার মত অমারও জানা থাকলেও এর গূঢ়ার্থ বুঝতে পেরেছিলাম ববার নাম না জানা রোগের সময় । তিনি যখন সুস্থ হলেন তখন যে বেলা গড়িয়ে গেছে । হোল না পাওয়া আমার এডভেঞ্চেরাস লাইফের ছোঁয়া ।

দেখতে দেখতে কখন যেন কলেজ কলেজ লাইফ শেষ হয়ে গেল বুঝতে পারিনি । ইন্টারমিডিয়েট পাশের পর
ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হোলাম আর তখনই অনুধাবন করলাম এ সংসার অমায় অনেক ঋনী করেছে, ঋণ পরিশোধের সময় আর মাত্র 3-4 বছর বাকি । তাই ভাল রেজাল্ট করার মনোবাসনা নিয়ে শুরু করলাম ভার্সিটি লাইফ । স্বপ্ন দেখলাম আমার অপাদ-মস্তক জ্ঞানের স্বর্গীয় অভায় উদ্ভাসিত । স্বপ্ন অমার স্বপ্ন হয়েই থাকল । পারলাম না আমি জ্ঞানের অমিয় সুধা পান করতে । ভার্সিটি লাইফের রঙ্গিন আলেয়ার টানে আমি ছিটকে পড়লাম বহুদূরে ।

গ্রীষরে কাঠফাটা রোদে চলমান পথিক যেমন তার হাঁটা শেষে হাত বাড়ায় ঠান্ডা পানির দিকে আমিও তেমনি হৃদয় বাড়ালাম ভালবাসার দিকে । হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন । ভালবাসতে চেয়েছিলাম । কাকে ? হয়ত পূণ্যময়ী কাউকে । তার পূণ্যস্পর্শে শীতল করতে চেয়েছিলাম আমার পোড়া হৃদয়কে ।কিন্তু রবিঠাকুরের "এরা সুখের লাগি চাহে প্রেম প্রেম মেলেনা" গানটা আমার হৃদয়কে শীতল হতে দেয়নি । সুখের জন্য ভালবাসতে চেয়েছিলাম বলেই হয়ত আমার অন্ধ আত্না সেই পূণ্যাত্নার খোঁজ আজও পায়নি ।

এভাবে...আমার..্শত,,সহস্র.চাওয়াগুলো,পরিনত,হয়েছে,না,পাওয়ার,বিশাল,স্তুপে।আর,সেইস্তুপগুলোকে,বুকে,জড়িয়ে,লিখতে,চেয়েছিলাম,কবিতা।তা,আর,হোল,কই।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৪:১৯
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩

যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?

আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কটা দুলাল

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১



বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফাউ টাকার গল্প

লিখেছেন এস আই জয়, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৫

সময় ২০১৪ সাল...

ভার্সিটিতে আজ ক্লাস শেষে আমি, মেহনাজ, তামিম আর শাওন গোল হয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছি। হঠাৎ কোত্থেকে শেতু এসে হাজির। এসেই ডিরেক্ট ঘোষণা! আজ নাকি সে আমাদের সবাইকে স্টার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×