খুলনায় কুপাকুপি আর বুন্দুকযুদ্ধ। সাথে ব্লগারদের কে ইসলাম অবমাননা করতে আমেরিকা ফ্রিল্যান্সের মাধ্যমে টাকা দেয় তা দিয়ে ব্লগাররা পেট বাঁচায় আর ইন্টার নেটে বসে ইছলামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটায়। আর পর্ণগ্রাফি দ্যাখে এই অপবাদ আজ খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার বড় হুজুর/প্রিন্সিপাল দিয়েছে।আমি লাইভ শুনে এসে কেবল পিসি খুললাম আর লাইভ দেখে আসলাম হুজুরদের তান্ডব।
ব্লকারদের কে ইসলাম অবমাননা করতে আমরিকা ফ্রিল্যান্সের মাধ্যমে টাকা দেয় তা দিয়ে ব্লকাররা পেট বাঁচায় / সংসার খরচ চালায় আর মদ এবং ম্যাইয়া মানুষ নিয়ে উছশৃঙ্খল জীবন যাপন করে।
আর ইন্টার নেটে বসে ইছলামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটায়। আর পর্ণগ্রাফি দ্যাখে এই অপবাদ আজ খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার বড় হুজুর/প্রিন্সিপাল দিয়েছে। কথাগুলো আমার শহরের অধিকাংশ মানুষের মুখে।বিশেষ করে যারা ফুলহাটা ফ্লাইং শার্ট পরিহিত এবং কিছু লম্বাদাঁড়ি আছে।যারা জুম্মার নামাজ পড়ে এখনো টুপি পরে আছে মাথায়। আমি এদের ভাষার উচ্চারণ আর প্রয়োগ শুনে বুঝতে পারলাম এরা সুন্নি মসলমান।আলিয়া মাদ্রাসার বড় হুজুর জনাব প্রিন্সিপাল সাহেব এর মুখ নিঃসৃত বানি ই এরা আওড়াচ্ছে।কারণ এরা জানেওনা ব্লগার কি।যেমন আমি যাদের আলাপ চারিতা শুনে এলাম তারা ব্লকারই বলছে।
আসলে ইসলাম ধর্মের লেবাস পড়ে এদেশের সাধারণ মানুষের ধর্ম বিশ্বাসকে পুঁজি করেই এই কুচক্রি মহল সাধারন জনগণের মনে ভ্রান্তি আর বিশাদাগার ছড়াচ্ছে।তার প্রমান আমি নিজেই তাদের কথা শুনে বুঝলাম।যারা আলাপ চারিতায় মগ্ন ছিল তাদের ভিতর একজনের ভাষ্য এ রকমঃ " ফেচ বুক না কি বোলে আছে যেহানে সব সুমায় এই নাস্তিকেরা বসে থাকে আর আল্লা রসুলের নামে কুরান শরীপের নামে আজে বাজে গালাগালি ল্যাহে"
বিশ্বাস করুন ভাই এদের কোন দোষনা।এরা সাধারন অশিক্ষিত বা স্বল্প শিক্ষিত সমাজ।মুদি খানার পাশের ছোট্ট চায়ের দোকানে আমি তাদের কথোপোকথন শুনে এসে লিখতে বসলাম।আর হুবহু খুলনাইয়া ভাষায় (যা তারা বলেছে ) লিখে দিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


