somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইরাক, সিরিয়া ও ISIS; কিছু প্রাসঙ্গিক কথা

১৫ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই লেখায় অনেক লিঙ্ক ব্যবহার করেছি । আশা করি এই লিঙ্ক গুলোতে একটু ঢু মেরে দেখবেন । এতে করে ব্লগটির বিশয়সমুহ বুঝতে সহজ হবে। :)

“আরব বসন্তের” পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনীতি আরও জটিল হয়ে পরেছে । আচ্ছা, একটু চিন্তা করি, আরব বসন্তের ফলাফল ?

১। তিউনিসিয়ায় একনায়ক ও পাশ্চাত্যের প্রতি উদার বেন আলী সরকারের পতন ও ধর্মান্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর খমতা লাভ ।

২। লিবিয়ায় গাদ্দাফির পতন ও লিবিয়া একটি অস্থিতিশীল দেশে পরিণত হওয়া ।

৩। মিসরে মুরসির ক্ষমতা গ্রহন; ধর্মীয় ও সামাজিক নানা ইস্যুতে মিসরীয়দের বিভক্তি, সেনাবাহিনীর ক্ষমতা লাভ ।

৪। সিরিয়ায় উদ্দেশ্যহীন গৃহযুদ্ধ ।

আরব বসন্ত কিন্তু সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাদশদের কে তাদের ক্ষমতা সীমিত করতেও পারে নাই, কিংবা অইসব রাজতন্ত্রের দেশে গণতন্ত্রও স্থাপন করতে পারে নাই । কিন্তু ধর্মীয় উগ্রবাদীদের ঠিকই স্পটলাইটে এনেছে । সিরিয়ার বিদ্রোহী দল আলকায়েদা দারা পরিচালিত হলেও পশ্চিমা দেশ গুলু থেকে সাহায্য সহযোগিতা পেয়েই যাচ্ছে ।

এখন আমি এত বিশাল কিছু নিয়ে কথা বলব না । এখানে আইএসআইএস, ইরাক ও সিরিয়ার কিছু কিছু বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হবে ।

প্রথমেই ISIS বা Islamic State of Iraq and Syria সম্পর্কে আলোকপাত করা যাক । আল-কায়েদার ছায়ায় গড়ে ওঠে এই গ্রুপ । তবে এই দলের হিংস্রতা এতটাই ভয়াবহ যে, আল-কায়েদা পর্যন্ত এই গ্রুপের সাথে নিজেদের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছে । নিচে একটি ভিডিও দেয়া হল । যেখানে এই গ্রুপের সদস্যরা তাদের হিটলিস্টে থাকা লোকদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করছে । এটা সম্ভবত তিকরিত বা ফাল্লুজায় তোলা



লিঙ্কঃ http://www.liveleak.com/view?i=699_1400360595' target='_blank' >http://www.liveleak.com/view?i=699_1400360595

তবে এই গ্রুপটি কয়েকদিনেই গড়ে উঠে নি । আমেরিকা যখন ২০০৩ সালে ইরাকে অভিজান চালায় তখন Abu Musab al-Zarqawi আল কায়েদা ও সুন্নি উগ্রপন্থিদের নিয়ে এই গ্রুপ টি গড়ে তোলেন । যদিও প্রথমে এই গ্রুপ কে ইসলামিক স্টেইট অফ ইরাক নামেই পরিচালিত হত । তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইরাকে শিয়া ও সুন্নিদের মাঝে একটি সংঘর্ষের সুচনা করা এবং ইরাক কে আরও অস্থিতিশীল করে তোলা ; যাতে করে ইরাক একটি সুন্নি প্রধান দেশে পরিনত হওয়া এবং ইরাক দখল করে থাকা ন্যাটো বাহিনী ইরাক ছেরে চলে যেতে বাধ্য হয় ।



ছবিতেঃAbu Musab al-Zarqawi

কিন্তু এর বর্তমান নেতা আবু বকর আল বাগদাদীর চিন্তাভাবনা আরও বিস্তৃত । তার ইচ্ছা ইরাক, সিরিয়া ও ইসরাইল মিলিয়ে একটি বৃহত্তর ইসলামিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা । তিনি নিজেকে একজন ইসলামিক চিন্তাবিদ বলে পরিচয় দেন ।



তার এই চিন্তাভাবনা ও তার সামাজিক মর্যাদা অনেক প্রাক্তন ইরাকি অফিসার এবং আল কায়েদা সদস্যদের দৃষ্টি আকরশন করে । শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ইরাকি প্রাক্তন জেনারেলদের কাছে এই গ্রুপ নিজে থেকে যোগাযোগ করে, এবং তারাও এই গ্রুপে যোগ দেয় । ফলশ্রুতিতে এই গ্রুপে আগে থেকে জেকোন সামরিক বাহিনীর মতন নিয়ম শৃঙ্খলা বজায় থাকে । মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেরে চলে জাবার পরপরই তারা পুনরায় মাথাচারা দিয়ে ওঠে ।



এই সংঘটনটি অন্যান্য সন্তাসী দল থেকে আলাদা । তারা সুসংগঠিত, তাদের অনেক সদস্য বিদেশী, এবং সামরিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত । সিরিয়ার আল-নুস্রাত ফ্রন্টের অনেক সদস্যই এই দলে যোগ দেয় । বর্তমানে আইএসআইএস আলেপ্পো থেকে বাগদাদের কাছাকাছি পর্যন্ত এলাকা নিয়ন্ত্রন করছে । এবং বর্তমানে এই গ্রুপটি ইরাক ও সিরিয়ার অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলছে ।



মূলত সিরিয়ায় যখন থেকে আসাদ বিরোধী সসস্ত্র আন্দোলন শুরু, তখন থেকেই মার্কিন সরকার সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে আসছে । এই বিদ্রোহী দের সাথে উগ্রপন্থী আল কায়েদা ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের যোগাযোগ থাকা সত্তেও মার্কিন প্রশাশন এদের সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে আসছে ।

শুধু তাই নয়, আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে সাথে সিরিয়ান বিদ্রোহীদের আধুনিক অস্ত্রও দিয়ে আসছে মার্কিন প্রশাশন । মার্কিন প্রশাশন বা অবামা সরকার যে আল -কায়েদা জঙ্গীদের আর্থিক বা সআমরিক সাহায্য দেয় তা নতুন কিছু নয় । আপনাদের হয়তো মনে আছে যে কিছুদিন আগে সবাই বলাবলি করছিল যে বাশার আল আসাদ তার জনগনের উপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যাবহার করেছেন । আর এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে অবামা তো প্রায়ই সিরিয়া আক্রমন করে ফেলেন ! কিন্তু প্রমানিত হই যে, সিরিয়ান বিদ্রোহীরাই এই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের সাথে জরিত এবং এখন অনেকে তা বিশ্বাসও করছে ।



রাশিয়ার কাছে নাকি এর পক্ষে শক্ত প্রমাণও রয়েছে ।

আর এদিকে ইসরাইল আবার সিরিয়ান আল কায়েদা বিদ্রোহীদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্য প্রদান করা সমর্থন করে । অর্থাৎ যারা ইসরাইলকে ধ্বংস করে ফেলতে চায়, ইসরাইল আবার তাদেরকেই পরোক্ষ ভাবে সমর্থন করে ! বিষয়টা কি দাঁড়াল ?



একটা বিষয় পরিস্কার, সিরিয়ায় যাদেরকে সমর্থন দেয়া হয়েছে তারাই এখন ইরাকে গণহত্যা ও দেশটিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে তৎপর । এদিকে অবামা আবার বসে নেই । পার্সিয়ান সাগরের দিকে মার্কিন নৌবাহিনীর Aircraft Carrier যাত্রা শুরু করেছে । ইউএসএ না এই কিছুদিন আগেই ইরাক থেকে তাদের সৈন্য প্রত্তাহার করল ? তারাই না তখন বলল ইরাকি সেনাবাহিনি নিজেদের সুরক্ষায় সক্ষম ? তবে এখন কেনো ইরাকি সেনাবাহিনি তাদের অস্ত্র ও রসদ সন্ত্রাসীদের হাতে ফেলে পালিয়ে যাচ্ছে ? এইসব ফেলে যাওয়া সরঞ্জাম পেয়ে আইএসআইএস সন্ত্রাসীরা তো খুশিই হবার কথা ! শুধু হাম ভি ই না, হেলিকপ্টার, anti-aircraft মিসাইলও রয়েছে এইসব সরঞ্জামের মাঝে ।

এখন এতসব কিছুর মাঝে আমি আম্র চিন্তাভাবনা টা ব্যাক্ত করি । সিরিয়াকে পশ্চিমা বিশ্বের প্রয়োজন যাতে সিরিয়ার উপর দিয়ে সৌদি গ্যাস তুরস্ক হয়ে ইউরোপে পৌছাতে পারে । রাশিয়ার এতে সমস্যা হবে কেননা এতে করে ইউরোপীয়ান বাজারে তাদের জ্বালানির গুরুত্ত কমে যাবে । সৌদি সরকার চায় ইরাক ও ইরান যাতে অস্থিতিশীল হয়ে থাকে যাতে করে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে তাদের আধিপত্য বজায় থাকে । একই সাথে শিয়ারা যাতে অসহায় থাকে যেন মধ্প্রাযচ্চে কোন শক্তি অয়াহাবী দের জন্য হুমকি হয়ে না দাড়ায় । আর মার্কিন সরকারের স্বার্থ হচ্ছে “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ” এই ইস্যুতে তারা তাদের বিশাল সামরিক ব্যায় বিজায় রাখতে পারে ও মার্কিন জনগনের নিরাপত্তার খাতিরে মার্কিন জনগনের উপর নতুন নতুন নিয়ম ও আইনকানুন চাপিয়ে দিতে পারে । সর্বোপরি যেন মার্কিন অর্থনীতির পেট্রোডলার সুরক্ষিত থাকে ।



আপনারা কি মনে করেন এই ব্যাপারে ? দয়া করে কমেন্টের মাধ্যমে জানান । ভালো লাগলে প্রিয়তে নিতে ভুলবেন না ।“আরব বসন্তের” পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনীতি আরও জটিল হয়ে পরেছে । আচ্ছা, একটু চিন্তা করি, আরব বসন্তের ফলাফল ?

১। তিউনিসিয়ায় একনায়ক ও পাশ্চাত্যের প্রতি উদার বেন আলী সরকারের পতন ও ধর্মান্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর খমতা লাভ ।

২। লিবিয়ায় গাদ্দাফির পতন ও লিবিয়া একটি অস্থিতিশীল দেশে পরিণত হওয়া ।

৩। মিসরে মুরসির ক্ষমতা গ্রহন; ধর্মীয় ও সামাজিক নানা ইস্যুতে মিসরীয়দের বিভক্তি, সেনাবাহিনীর ক্ষমতা লাভ ।

৪। সিরিয়ায় উদ্দেশ্যহীন গৃহযুদ্ধ ।

আরব বসন্ত কিন্তু সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাদশদের কে তাদের ক্ষমতা সীমিত করতেও পারে নাই, কিংবা অইসব রাজতন্ত্রের দেশে গণতন্ত্রও স্থাপন করতে পারে নাই । কিন্তু ধর্মীয় উগ্রবাদীদের ঠিকই স্পটলাইটে এনেছে । সিরিয়ার বিদ্রোহী দল আলকায়েদা দারা পরিচালিত হলেও পশ্চিমা দেশ গুলু থেকে সাহায্য সহযোগিতা পেয়েই যাচ্ছে ।

এখন আমি এত বিশাল কিছু নিয়ে কথা বলব না । এখানে আইএসআইএস, ইরাক ও সিরিয়ার কিছু কিছু বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হবে ।

প্রথমেই ISIS বা Islamic State of Iraq and Syria সম্পর্কে আলোকপাত করা যাক । আল-কায়েদার ছায়ায় গড়ে ওঠে এই গ্রুপ । তবে এই দলের হিংস্রতা এতটাই ভয়াবহ যে, আল-কায়েদা পর্যন্ত এই গ্রুপের সাথে নিজেদের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছে । নিচে একটি ভিডিও দেয়া হল । যেখানে এই গ্রুপের সদস্যরা তাদের হিটলিস্টে থাকা লোকদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করছে । এটা সম্ভবত তিকরিত বা ফাল্লুজায় তোলা



লিঙ্কঃ http://www.liveleak.com/view?i=699_1400360595' target='_blank' >http://www.liveleak.com/view?i=699_1400360595

তবে এই গ্রুপটি কয়েকদিনেই গড়ে উঠে নি । আমেরিকা যখন ২০০৩ সালে ইরাকে অভিজান চালায় তখন Abu Musab al-Zarqawi আল কায়েদা ও সুন্নি উগ্রপন্থিদের নিয়ে এই গ্রুপ টি গড়ে তোলেন । যদিও প্রথমে এই গ্রুপ কে ইসলামিক স্টেইট অফ ইরাক নামেই পরিচালিত হত । তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইরাকে শিয়া ও সুন্নিদের মাঝে একটি সংঘর্ষের সুচনা করা এবং ইরাক কে আরও অস্থিতিশীল করে তোলা ; যাতে করে ইরাক একটি সুন্নি প্রধান দেশে পরিনত হওয়া এবং ইরাক দখল করে থাকা ন্যাটো বাহিনী ইরাক ছেরে চলে যেতে বাধ্য হয় ।



ছবিতেঃAbu Musab al-Zarqawi

কিন্তু এর বর্তমান নেতা আবু বকর আল বাগদাদীর চিন্তাভাবনা আরও বিস্তৃত । তার ইচ্ছা ইরাক, সিরিয়া ও ইসরাইল মিলিয়ে একটি বৃহত্তর ইসলামিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা । তিনি নিজেকে একজন ইসলামিক চিন্তাবিদ বলে পরিচয় দেন ।



তার এই চিন্তাভাবনা ও তার সামাজিক মর্যাদা অনেক প্রাক্তন ইরাকি অফিসার এবং আল কায়েদা সদস্যদের দৃষ্টি আকরশন করে । শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ইরাকি প্রাক্তন জেনারেলদের কাছে এই গ্রুপ নিজে থেকে যোগাযোগ করে, এবং তারাও এই গ্রুপে যোগ দেয় । ফলশ্রুতিতে এই গ্রুপে আগে থেকে জেকোন সামরিক বাহিনীর মতন নিয়ম শৃঙ্খলা বজায় থাকে । মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেরে চলে জাবার পরপরই তারা পুনরায় মাথাচারা দিয়ে ওঠে ।



এই সংঘটনটি অন্যান্য সন্তাসী দল থেকে আলাদা । তারা সুসংগঠিত, তাদের অনেক সদস্য বিদেশী, এবং সামরিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত । সিরিয়ার আল-নুস্রাত ফ্রন্টের অনেক সদস্যই এই দলে যোগ দেয় । বর্তমানে আইএসআইএস আলেপ্পো থেকে বাগদাদের কাছাকাছি পর্যন্ত এলাকা নিয়ন্ত্রন করছে । এবং বর্তমানে এই গ্রুপটি ইরাক ও সিরিয়ার অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলছে ।



মূলত সিরিয়ায় যখন থেকে আসাদ বিরোধী সসস্ত্র আন্দোলন শুরু, তখন থেকেই মার্কিন সরকার সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে আসছে । এই বিদ্রোহী দের সাথে উগ্রপন্থী আল কায়েদা ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের যোগাযোগ থাকা সত্তেও মার্কিন প্রশাশন এদের সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে আসছে ।

শুধু তাই নয়, আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে সাথে সিরিয়ান বিদ্রোহীদের আধুনিক অস্ত্রও দিয়ে আসছে মার্কিন প্রশাশন । মার্কিন প্রশাশন বা অবামা সরকার যে আল -কায়েদা জঙ্গীদের আর্থিক বা সআমরিক সাহায্য দেয় তা নতুন কিছু নয় । আপনাদের হয়তো মনে আছে যে কিছুদিন আগে সবাই বলাবলি করছিল যে বাশার আল আসাদ তার জনগনের উপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যাবহার করেছেন । আর এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে অবামা তো প্রায়ই সিরিয়া আক্রমন করে ফেলেন ! কিন্তু প্রমানিত হই যে, সিরিয়ান বিদ্রোহীরাই এই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের সাথে জরিত এবং এখন অনেকে তা বিশ্বাসও করছে ।



রাশিয়ার কাছে নাকি এর পক্ষে শক্ত প্রমাণও রয়েছে ।

আর এদিকে ইসরাইল আবার সিরিয়ান আল কায়েদা বিদ্রোহীদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্য প্রদান করা সমর্থন করে । অর্থাৎ যারা ইসরাইলকে ধ্বংস করে ফেলতে চায়, ইসরাইল আবার তাদেরকেই পরোক্ষ ভাবে সমর্থন করে ! বিষয়টা কি দাঁড়াল ?



একটা বিষয় পরিস্কার, সিরিয়ায় যাদেরকে সমর্থন দেয়া হয়েছে তারাই এখন ইরাকে গণহত্যা ও দেশটিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে তৎপর । এদিকে অবামা আবার বসে নেই । পার্সিয়ান সাগরের দিকে মার্কিন নৌবাহিনীর Aircraft Carrier যাত্রা শুরু করেছে । ইউএসএ না এই কিছুদিন আগেই ইরাক থেকে তাদের সৈন্য প্রত্তাহার করল ? তারাই না তখন বলল ইরাকি সেনাবাহিনি নিজেদের সুরক্ষায় সক্ষম ? তবে এখন কেনো ইরাকি সেনাবাহিনি তাদের অস্ত্র ও রসদ সন্ত্রাসীদের হাতে ফেলে পালিয়ে যাচ্ছে ? এইসব ফেলে যাওয়া সরঞ্জাম পেয়ে আইএসআইএস সন্ত্রাসীরা তো খুশিই হবার কথা ! শুধু হাম ভি ই না, হেলিকপ্টার, anti-aircraft মিসাইলও রয়েছে এইসব সরঞ্জামের মাঝে ।

এখন এতসব কিছুর মাঝে আমি আম্র চিন্তাভাবনা টা ব্যাক্ত করি । সিরিয়াকে পশ্চিমা বিশ্বের প্রয়োজন যাতে সিরিয়ার উপর দিয়ে সৌদি গ্যাস তুরস্ক হয়ে ইউরোপে পৌছাতে পারে । রাশিয়ার এতে সমস্যা হবে কেননা এতে করে ইউরোপীয়ান বাজারে তাদের জ্বালানির গুরুত্ত কমে যাবে । সৌদি সরকার চায় ইরাক ও ইরান যাতে অস্থিতিশীল হয়ে থাকে যাতে করে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে তাদের আধিপত্য বজায় থাকে । একই সাথে শিয়ারা যাতে অসহায় থাকে যেন মধ্প্রাযচ্চে কোন শক্তি অয়াহাবী দের জন্য হুমকি হয়ে না দাড়ায় । আর মার্কিন সরকারের স্বার্থ হচ্ছে “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ” এই ইস্যুতে তারা তাদের বিশাল সামরিক ব্যায় বিজায় রাখতে পারে ও মার্কিন জনগনের নিরাপত্তার খাতিরে মার্কিন জনগনের উপর নতুন নতুন নিয়ম ও আইনকানুন চাপিয়ে দিতে পারে । সর্বোপরি যেন মার্কিন অর্থনীতির পেট্রোডলার সুরক্ষিত থাকে ।



আপনারা কি মনে করেন এই ব্যাপারে ? দয়া করে কমেন্টের মাধ্যমে জানান । ভালো লাগলে প্রিয়তে নিতে ভুলবেন না ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৫০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×