এই বিশাল মহাকাশে কত অজানা ঘটনা ঘটছে।আমরা এর কতটুকু বা জানার প্রয়োজন বোধ করি।মহাকাশে এমন সব ঘটনা ঘটে যা মানুষের কল্পনাকে ও হার মানায়।
এই রকম একটি ঘটনা সম্প্রতি ধরা পড়েছে নাসার চন্দ্র এক্সরে মানমন্দিরের ক্যা্মেরায় ৷নাসার ক্যা্মেরায় ধরা পরেছে,অনেকটা খেপার মতোই কিছু তারা ঘুরেছে।লাল নীল আলো ছড়াচ্চে চারপাশে।আর এতে প্রায় সময় তৈরী হয় আক অসাধারন পরিবেশ।তেমনই এক পরিবেশে মানুষের হাতের আকারের এক বিরল ঘটনা ধরা পড়েছে নাসার ক্যা্মেরায়।
মানুষের হাতের আকারের এ ছবিটি চন্দ্র এক্সরে মানমন্দিরের ক্যা্মেরায় ধরা পড়ে।এই মানমন্দিরটি পৄথিবী থেকে 360 মাইল উপরে এক কক্ষপথে ঘুরছে।
সুপারনোভা হিসাবে বড় কোনো তারার বিস্ফোরনের পর শক্তিশালী কনাগুলো অতিদ্রুত ঘুরতে থাকে।তখন একে পালসার বলে।এ থেকে যে শক্তি বের হয়,তা থেকে তৈরী হয় ধূলিকনার গ্যাসীয় মেঘ।
আর এই মেঘ এমন পরিবেশেই মানুষের হাতের আকারের বিস্ময়কর দৄশ্যটির উদ্দব হয়।জ্যোতিবিদরা এর নাম দিয়েছে, PSR B1509-58 ।পৄথিবী থেকে এর দূ্রত্ত প্রায় 17,000 আলোকবর্ষ দূ্রে।এই মহাজাগতিক হাতটি Circinus তারামন্ডলে।
এই হাতটিকে প্রথম আবিস্কার করে Einstein X-Ray Observatory 1982 সালে।ধারনা করা হয় এই হাতটি প্রায় 1700 বছর পুরানো। নাসার ধারনা এই হাতটি প্রায় প্রায় 150 আলোকবর্ষ ধরে ঘুরতে ঘুরতে একটি নীহারিকা মধ্যে অস্ত যায়।
এবং পরবত্তীতে এটি একটি নিউট্রন তারকা "হিসাবে প্রকাশিত হয়, এবং এটি "প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 7 বার" ঘুরে।মোট কথা এই হাতটি হচ্ছে একটি পালসার পালসারটি উজ্জ্বল সাদা স্পটের ভিতরে অবস্থিত এবং ফটোতে দেখা যায় না। কিন্ত পালসার একটা সময় পড় পড় মহাকাশে বাতিঘরের মতো আলোকরশ্মি ছড়িয়ে দেয়। এটি আর আর একটি নীহারিকার উপর নিজেকে স্থাপন করে,এই হাতের মতো আকার ধারন করেছে।
এখানে প্রশ্ন হল যে এর নির্গমন একটি হাত আকৃতির মতো হতে পারে কিনা অথবা মেঘের কারনেই একে সত্যিই একটি প্রাকৃতিক হাতের আকৃতি মতো দেখা,যায় কিনা এই ব্যাপারে এখনো কোন সিন্ধান্তে আসতে পারেনি।
মহাকাশে কত রকমের অদ্ভুত ঘটনা অনবরত ঘটে চলছে।
ছবি নাসা।
Observation data
---------------------
Epoch Equinox
Constellation : Circinus
Right ascension : 15h 13m 55.52s
Declination : −59° 08′ 08.80″
Characteristic-
Spectral type : Pulsar
Distance : 17,000 ly

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



