
অনুপ্রভা(Lncandescence): যে সব বস্তু সাদা আলো হতে সরিয়ে নিলেও অন্ধকারে কিচ্চুক্ষন আলো দেয়,তাদেরকে অনুপ্রভা বস্তু বলে।

এবং এ ঘটনাকে অনুপ্রভা বলে।ক্যালসিয়াম সালফাইড,বেরিয়াম সালফাইড ইত্যাদি অনুপ্রভা বস্তু।
তাপাপন(Calorescence): যে সব বস্তু দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো শোষন করে ক্ষুদ্র তরঙ্গ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো বিকিরন করে তাদের তাপাপন বস্তু বলে এবং এ ঘটনাকে তাপাপন বলে।কার্বন-ডাই সালফাইড,আয়োডিনের দ্রবন তাপাপন প্রদর্শন করে।

জীম্যান ক্রিয়া(Zeeman Effect): পরমানুর ওপর বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবকে জীম্যান ক্রিয়া বলে।1896 সালে পিটার জীম্যান এই ক্রিয়া আবিস্কার করেন।বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে পারমানবিক বর্নালি রেখা বিভক্ত হয়ে যায়।স্থানিক কোয়ান্টায়নের সুস্পষ্ঠ প্রমান পাওয়া যায় এ জীম্যান ক্রিয়ায়।জীম্যান ক্রিয়া দুই প্রকার যথা-(1) স্বাভাবিক জীম্যান ক্রিয়া (2) অস্বাভাবিক জীম্যান ক্রিয়া।


স্বাভাবিক জীম্যান ক্রিয়া (Normal Dispersion): ব্যহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে পারমানবিক বর্নালি রেখা বহুসংক্ষক উপাংশে বিভক্ত হওয়ার জটিল ক্রিয়াকে স্বাভাবিক জীম্যান ক্রিয়া বলে।

ইলেকট্রনের স্পিন গতির ধারনার সাহায্যে জীম্যান ক্রিয়ার ব্যখ্যা পাওয়া যায়।
স্টার্ফ ক্রিয়া (Stark Effect): বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের প্রভাবে অনু এবং পরমানুসমূহ হতে বিকিরিত বর্নালি রেখার সরে যাওয়া এবং বিভক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে স্টার্ফ ক্রিয়া বলে।এ ক্রিয়া জীম্যান ক্রিয়া সদৃশ্য।

কম্পটন ক্রিয়া (Compton Effect): 1922 সাল পর্যন্ত বিঞ্জানীদের ধারনা ছিল যে যখন এক্স-রশ্নি কোন পদার্থ খন্ডের ওপর আপতিত হয়,তখন তার একটি অশং চতুর্দিকে বিক্ষেপিত হয় এবং ঐ রশ্নির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আপতিত রশ্নির তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সমান।

1922 সালে আর্থার কম্পটন লক্ষ্য করলেনযে,এ্যালুমিনিয়াম,কার্বন ইত্যাদি হালকা মৌ্লের দারা এক বর্নের এক্স-রশ্নির বিক্ষেপিত রশ্নির ভেতর অপরিবর্তিত তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ছাড়া কিছু পরিবর্তিত তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের এক্স-রশ্নি পাওয়া যায়।এ বিক্ষেপিত রশ্নির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আপতিত এক্স-রশ্নির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অপেক্ষা বেশী।এ ঘটনাকেই বলে কম্পটন ক্রিয়া।
ছবি গুগল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




