তিনি একাধারে নাট্যকার, অভিনেতা এবং ভাষাসৈনিক। একাঙ্কিকা নাটক রচনায় তাঁর স্বাচ্ছন্দ্যের পরিচয় মেলে। স্বাধীনতা উত্তর নাট্যসাহিত্যে তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। পশ্চিমবঙ্গের মালদহে জন্ম হলেও দেশভাগের পর থেকে তিনি পূর্ববঙ্গের ।
বাংলাদেশে আসার পর তিনি রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় বিএ অনার্স ও এম এ পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি খন্ডকালীন অধ্যাপকের দায়িত্বও পালন করেছেন। তাঁর জীবনী সম্পর্কে জানতে নবম ও দশম শ্রেণীর লেখক পরিচিতির আলোকে তৈরি ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন-
তাঁর লেখা "কি চাহ শঙ্খচিল" ও "অনুস্বরের পালা" নাটক দুটি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত। বিভিন্ন পত্রিকায় তিনি নিয়মিত কলাম লেখেন। বাংলা একাডেমী পুরষ্কারসহ অনেক পুরষ্কার তিনি পেয়েছেন। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের পক্ষে তাঁর স্পষ্ট ভূমিকা ছিল।
জুলাই মিউজিয়ামে ঢুকলে প্রথমেই যে অনুভূতিটি হৃদয়কে স্পর্শ করে, তা হলো- এটা শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটা একটি জাতির রক্তাক্ত স্মৃতির সাক্ষ্য। পরিকল্পনা থেকে নির্মাণ- প্রতিটি পরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন