somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানব র্ধম বড় র্ধম তাহার উপরে কেহ নাই

২০ শে জুন, ২০০৬ রাত ১২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমার বাবা আইন ব্যবসায় নামার আগে চাকরী করতেন। কাপ্তাই পাওয়ার প্রজেক্টের হেড একাউনট্যান্ট। বাংলাদেশীরা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও ওখানে পেয়েছিল সব শ্রমিকের পোস্ট।
পানজাবী রা সব গুরুত্বপর্ূণ পোস্ট। আর একই পোস্টে পানজানি আর বাংগালীদের বেতন পর্াথক্য ছিল তিন গুণ । পানজাবিরা খাইতো নাকি একজেন চাইর মানুষের খাওয়া । দুইবার ঐ খানে বেতন নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিছিল । আমার বাপে একবার বাংগালীদের তরফে ওকালতি করিয়া ওদের দাবী মিটাইছে। এই কাহিনী বললাম একটা কারণে, উনি নিজে ভারত ভাগের সময় ছিল মনে হয় 18/19 বয়সী । এই ভাগে উনার নিজের পর্ূণ সর্মথন ছিল। কিন্তু এই কাপ্তাই পাওয়ার প্ল্যান্টের ঘটনা উনি
দেখি য়ে বলতেন , যে পাকিস্তান টিকবে না , টিকার ছিল না। কারন পশ্চিম পাকিস্তানিরা কখনোই আমাদের কে ভাই ভাবে নাই।

উনি নিজে সাদা ধবধবে দাড়ি সমেত একজন সত্যিকার মানুষ ছিলেন , মোর দেন এ মুসলিম । এ্যাডভোকেট হিসেবে উনার প্রচার এবং পাককা মুসলিম দেখে 70 এর ইলেকশনে উনারে জামায়াত থেকে দাঁড়াতেও বলছিল । উনি দাঁড়ায়নি ।

যুদ্ধের সময় যখন দালালরা এসে বললো আসেন উকিল সাহেব , সবাই নিতাছে আপনি কিছু নিবেন না । আমাদের পাড়ার পেঁচকা দাদুর (উনি ভয়ে ইন্ডিয়া পালিয়েছে তখন , হিন্দু) , বাড়ি জায়গা দখল করতে বলছিল নে নাই । আর সেই আমার বাপরে দোহাজারী তে বাস থামায়ে জিজ্ঞাসা করছে , সুরা বল । প্রাণের ভয়ে উনি সুরা সম্ভবত ভূল বলেছিল , শংখ নদীর ধারে গুলি করার জন্য লাইনে দাড়া করাইছে । পরে অবশ্য যে হুজুর সুরা পড়ায় মারা যাওয়ার আগে সে চিনতে পারায় বেঁচে যায় উনি ।

উনারাও মুসলিম ছিল কিন্তু উনাদের চোখ খোলা ছিল, মনের জানালায় শকুনের আহবানে সাড়া দেয় নাই ।

কারণ রক্তজবার ক্ষত তিনি অনুভব করেছিলেন
কারন র্সবোপরি তিনি একজন মানুষ ছিলেন
সব র্ধমের র্উধে তিনি মানব র্ধম কে শ্রেয় মনে করেছিলেন
তিনি হৃদয়ের ক্ষতে হায়েনার থাবা দেখতে পেয়েছিলেন
তার অনেক দোষ ত্রুটির পরও তাকে তাই সম্মান করি।

=======================================

19 শে' জুন 2006
রাত 11:58
কলাম্বিয়া।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছোট গল্পঃ বাবার প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন সামিয়া, ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৩



একটা মাস হয়ে গেল।
ইউনাইটেড হাসপাতালের সিসিইউর সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে সময়ের হিসাব হারিয়ে ফেলেছে রিপা। দেয়ালে ঝোলানো ঘড়ির কাঁটা ঘুরছে, নার্সরা ডিউটি বদলাচ্ছে, ডাক্তাররা আসছেন, যাচ্ছেন। শুধু একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আনন্দ ও শোকে কবিতা সংকলন - অক্টোবর ২০২৫

লিখেছেন বিজন রয়, ২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫



আনন্দ বিশ্বকাপ ফুটবল!
শোক ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্প!!


এই আনন্দ ও শোকে কবিতা সংকলন পোস্ট অক্টোবর ২০২৫! অনেক দেরি হয়ে গেল! হ্যাঁ অক্টোবর ২০২৫ এর সব কবিতা সংরক্ষিত ছিল, কিন্ত সময়ের অভাবে সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা বেবি রেসলার ইন দ্যা ডে কেয়ার সেন্টার- নিজের চোখকেও অবিশ্বাস হয় আজকাল .....

লিখেছেন অপ্‌সরা, ২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭


বহু বছর ধরে বাচ্চাদের সাথে কাজ করছি। নানা রকম শিশু কিশোর দেখে দেখে চোখ, কান, মাথা, প্রায় অভ্যস্থ হয়ে গেছে। বাচ্চারা বাড়িতে এক, বাড়ির বাইরে খেলার মাঠে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালোবাসার আলো, স্মৃতি জাগানিয়া তুমি !!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২



ভালোবাসার আলো, স্মৃতি জাগানিয়া তুমি !!!

(The Hertiest Light, The Fleeting Memory)



তোমার ছোঁয়ায় থমকে দাঁড়ায় চেনা সময়টুকু,
দূরে গেলেই মেঘের ছায়ায় কাঁদে অবুঝ সুখ।
সুন্দর সেই দিনগুলো যায় ,হুট করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা ব্লগিং-এ দুই দশক - ধন্যবাদ সামহোয়্যার ইন ব্লগ

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৮


দেখতে দেখতে শেষ পর্যন্ত সামুতে ২০ বছর পেরিয়ে গেল, ব্যক্তিগত একটি মাইলস্টোনও পার করা হলো। এই অনুভূতি মূলত মিশ্র। একদিকে আমি যেমন সামহোয়্যার ইন কর্তৃপক্ষের নিকট কৃতজ্ঞ যে দু'দশক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×