আমার নাটাই কাটা ঘুড়ির পানে
চেয়ে থাকতে থাকতে জলে ভরে যায় ঈশ্বরের চোখ
কত সুস্বাদু শৈশব ফেলে আজো নিয়ে বসে আছি
পুরোনো জঞ্জাল ।
দেবদূতেরা খাতা কলম ফেলে
সাবান পানির বুদবুদে ছিলিম ছিলিম নেশা করে
আর আমি বসে ঠায়, তোমার কিনারায়
প্রভূ জল কে চল।
তেড়িয়া কিসিমের বালকের চক্ষু
এড়িয়ে ঘোরাঘুরি করতে থাকা বুড়ো রুই
এর ঘিলুতে সঁপে দিয়ে সভ্যতা
এসো জলকেলি তে মত্ত হই।
অপুর ছুঁড়ে দেওয়া পুঁতির মালাটা
অত্যাশ্চর্ায জীবনমুখীতায় ঝুলে রইল মাঝ পুকুরে
পানাদের দল সশব্দে বলি উঠে
ও দূগ্গা বেলা যে হয়ে গেল চারটে খাবি নে।
আমি নোনা জলের মাঝে
কি এক অপরুপ মাছের খোঁজে
চিৎকারে চিৎকারে খুঁজি নীরব
বন্দর।
=====================================
যার যা মনে হয় হোক , আমার মনের খায়েশ তাই লিখি ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




