somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মৃতু্যর কড়ানাড়া

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মনটা তরল এবং বায়বীয়র মাঝে এসে ঝুলে গেছে। আমার বন্ধু এবং ভাই বেশ অসুস্থ। অচেতন , দুদিন ধরে।

Could be his last days. You never know when the glass is going to be empty. And lines are going to tick your head.

আমি অনেকদিন দেখিনি তাই বুঝতে পারছিনা , মানুষটার স্বপ্ন কি দেখা শেষ হয়েছে কি না, কবিতাগুলোতে সুর দেওয়া হয়েছে কি না।

কষ্টের চেয়ে একধরণের র্নৈব্যক্তিক স্যাঁত স্যাঁতে অনুভব হচ্ছে। মনে হচ্ছে এর পর আমি ও হতে পারি।

আমি একবার মৃতু্যকে একেবারে ঠোঁটের কিনারায় ঝুলে থাকা লালার মত অনুভব করেছিলাম। চেতন অবস্থায় মৃতু্য ভাবনা খুব সুখকর নয়।

অপারেশনের পর গ্যাস্ট্রিক বেড়ে গিয়েছিল, ঔষধের কল্যাণে। ব্যান্ডেজ রিনিউ করতে যেতে হবে, পাঁচদিন পর। আমি একা। সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারি না। অপেক্ষা করছিলাম বড় ভাইয়ের ।

গ্যাস ফরম করে বুকে চাপ বাড়ছিল, সাথে তলপেটে। তখনো বুঝিনি এটা আসলে সিম্পল গ্যাস। আমি ভাবলাম পোস্ট অপারেটিভ কন্ডিশন।

পাঁচ তলা থেকে মিলিমিটার /মিনিট বেগে নীচে নামলাম। রিকশায় উঠে খিঁলগাও একটা ক্লিনিক যাব। ব্যাথা তখন তীব্র আকার নিয়েছে। ব্যাথা এখন পাঁজরের তেকোণা য় তীব্র খোঁচা দিচ্ছে।

নিশ্বাঃস নিতে পারছিলাম না । পরিষ্কার অনুভব করছিলাম আমার হাত-পা
নিস্তেজ হচ্ছে। রিকশার প্রতিটি দুলুনী আমাকে সিট থেকে ছিটকে দেওয়ার শক্তি রাখে তখন। খুব বাজে অনুভূতি যখন বুঝতে পারবেন আপনি ধীরে ধীরে একটা জড় পদর্াথে পরিণত হচ্ছেন।

দুটো ভিন্ন স্রোতের চিন্তার বিকাশ হয়েছে তখন ।
এক. আমার কি কি কাজ করা এখনও বাকী আছে ?
দুই . আমার প্রয়োজন কি অনুভূত হবে?

প্রথম স্রোতটাই আমাকে টেনে তুলল তটে। তীব্র একটা বাঁচার ইচ্ছা। এটা বোধ করি বেঁচে থাকলে বোঝা যায় না।

ক্লিনিকে পৌঁছানোর পর ডাক্তার বলল শুয়ে যান। একজন নর্াস সহযোগে শরীরের র্সবত্র পেইনকিলার ইনজেক্ট করা শুরু করলেন। তবুও ব্যাথা কমেনা । আমি মারা যাচ্ছি আর নর্াস বলল এত অস্থির হচ্ছেন কেন ? আপনি না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন? এখন কথাটা মনে পড়লে হাসি পায় , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর মানুষের বিপুল আস্থা। আটটা পেইনকিলার দেওয়ার পর শরীর নিথর ঘুমে চলে গেল।

এখন খারাপ লাগে যখন শুনি কেউ কড়া নাড়ছে স্বপ্ন ভঙ্গের দরজায়।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আর্মি এখনও ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেনা কেন?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৪৫

“শেখ হাসিনার পতনের মূল কারণ ছিল চীনের দিকে অতিরিক্ত ঝুঁকে পড়া, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই ভূরাজনৈতিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে, দেশের অভ্যন্তরে একটি পরিকল্পিত পরিবর্তন... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীর কোথাও কেন রাত নামে না, আবার কোথাও সূর্য ওঠে না

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:০৩

পৃথিবীর কোথাও কেন রাত নামে না, আবার কোথাও সূর্য ওঠে না

ছবি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা, ভৌগোলিক প্রভাব এবং আধ্যাত্মিক প্রতিফলন

আমরা প্রতিদিন যে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখি, সেটাকে এতটাই স্বাভাবিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাংবাদিক নারীরা কি টিপিক্যাল, চিন্তার গভীরতা কি ওদের কম??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



সাংবাদিক নারী বা সাংবাদিকতার সাথে সম্পর্কিত পেশায় জড়িত মেয়েরা কি একটু টিপিক্যাল টাইপের হয়??
আমার তো তা-ই মনে হয়! এছাড়া, চিন্তার গভীরতা ওদের একটু কমও মনে হয়েছে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×