somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাহাদাত উদরাজী
সাহাদাত উদরাজী'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - 'গল্প ও রান্না' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

অনেকের মুখ কালো, কোন কিছুতেই মন বসছে না, সাথে কিছু পয়েন্টস!

১০ ই আগস্ট, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১।
খুব পরিস্কার করে কাউকে কিছু না বলতে পারলেও খুব করে লক্ষ করলে বুঝতে পারবেন, অনেকের মুখ কালো খুব কষ্টে বেঁচে আছেন, যদিও এর আওয়ামী লীগের সরাসরি সমর্থক না, তবে বেনিফিশিয়ারী ছিলেন, সুবিধাবাদী। চাকুরী ব্যবসায় এরা তাদের মত করে করেছেন, ঘুষ, উপরি, কমিশন নিয়ে প্রতিদিন বাসায় ফিরেছেন, প্রতিদিন বাজার হয়েছে আনন্দে, বড় মাছ, বড় মুরগী! আওয়ামী সদস্যদের মন খারাপ হবার নানান কারন আছে, তবে এদের মন খারাপের কারন একটাই তারা আর উপরি কামাতে পারবে না! সামান্য কিছু হলেও বুঝতে পারছে, আগের মত বুক ফুলিয়ে ঘুষ চাইতে পারবে না, চাঁদা উঠাতে পারবে না, জমিজামা কিনতে পারবে না, একটা পর একটা সম্পদ করতে পারবে না, শালাশালীদের নামে ফ্লাট কিনতে পারবে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। তার উপরে আরো ভয়, কোথায় কিভাবে নিজের পদ হারিয়ে ফেলে, ব্যবসা চলে যায়, এমনকি জেলেও যেতে হত!

এরা এখন খুব কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছে। ফলে লিখে দিচ্ছে, আগেই ভাল ছিলাম, এত করে কি হল, এভাবে দেশ চলে না, আমরা কি এটা চেয়েছিলাম, ছোট ছেলে মেয়েরা কেন রাস্তায়, আজ খুব কষ্ট পেলাম রাস্তায়, বাজারের গেলাম কিছু না কিনে ফিরে এলাম, দাম কমে না কেন ইত্যাদি ইত্যাদি!

এরা মুলত শু/ইয়ো/রের বংশধর, এদের কাছে টাকা ছাড়া আর কোন কিছুর দাম নেই, শুধু লেবাস নিয়ে আছে, এদের জন্মই হচ্ছে টাকার জন্য, মানব সভ্যতার দরকার এদের দরকার নেই!



২।
একজন বন্ধু জানতে চাইলেন, এই নবগঠিত সরকার নিয়ে কোন কথা বলছি না কেন, কোন মন্তব্য নেই কেন! আমি তাকে বললাম, আমাদের আমজনতার এই নিয়ে এখনো কথা বলার সময় আসে নাই, অন্তত প্রথম ১০০ দিন পার করুক, তার পরে বুঝা যাবে। আর ছাত্রজনতার এখনো অনেকে দৌড়ানির বাকী, যেমন আজ প্রধান বিচারপতিকে দৌড়ানি দিচ্ছে! এমনি প্রতিটা সেই আমলের বড় সাহেবদের দৌড়ানী এখনো বাকী আছে, এদের পাপ্য শাস্তি এখনো বাকী।

তবে আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি, লাগেজ ভর্তি টাকা নিয়ে এখনো সেই শু/য়ো/রে/রা কি করে এয়ারপোর্ট দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে, এদের ধরা ও বিচারের মুখোমুখি করা উচিত! পালানোর এই লোক গুলোর নামধাম জানা এখনো বাকী, আমি সার্প্রাইজ হচ্ছি, ব্যারিস্টার সুমন কি করে এত অল্প সময়ে বৃটেনে পালিয়ে গেল, সে না পরিস্কার বলছিলো, সে এই মাটি ছেড়ে যাবে না! যাই হোক, প্রবাসী ভাই বোনদের বলছি, এদের প্রবাসে পেলে একটু জিজ্ঞেস করিয়েন, সাথে যদি পারেন হাল্কা আপ্যায়ন, যেমনটা জুতা দিয়ে মাহি বি ভাইরে দিচ্ছে!



৩।
আমাদের পাশে দেশ এবং তার সরকার প্রধান, আমাদের আপাকে খুব সন্মানের সাথে রাখার কথা, কারন আমাদের আপা নিজেই বলেছেন, তিনি তাদের অনেক দিয়েছেন, যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। কিন্তু তার এই বিপদের দিনে তাদের আচরণ আপার জন্য খুব কষ্টদায়ক নিশ্চয়! আপা যাকে চরম বিশ্বাস করছেন, তিনি তার কাছে যাবারই সাহস পাচ্ছেন না, গেলেই হ্যান্ডশেক করতে হবে এবং ছবিও তুলতে হবে, সেই ছবি আবার প্রকাশিত হবেই, যা হতে পারে সারা জীবনের কান্না!

যাই হোক, ভাবছিলাম, বার বার মনে হচ্ছে, তাদের সরকার প্রধান ও মন্ত্রণালয় মুলত যা করছে, সেটা তাদের নিজদের স্বার্থ ভেবেই। আপাকে রেখে কিছু ক্যাচাল সৃষ্টি হয়ে তাদের সরকার প্রধানের গদি নড়ে যেতে পারে কিংবা আমাদের ছাত্রদের আন্দোলন দেখে তারাও মাঠে নেমে যেতে পারে, আমাদের ছাত্র জনতার আন্দোলনের টেকনিক দেখে তাদেরও সাহস হয়ে যেতে পারে! ফলাফল ওই সেই, কোন কোন অঞ্চলের স্বাধীনতা!

অভিজ্ঞতা মুলত এখন অন্যকে দেখে নিতে হয়, নিজে দেখি দেখি করে অভিজ্ঞতা নিলে, শেষ! আমাদের আপাতো অন্তত সেই দেশে স্থান পেয়েছেন, উনার এমন হলে দুনিয়াতে কোন দেশেই নাই। নিশ্চয় হিটলার শেষ সময়েও ভেবে দেখেছিল, অন্য কোথায় যাওয়া চলে কি না, তার জ্ঞান কোন উত্তর পায় নাই, ফলে নিজ মৃত্যুই শেষ সিধান্ত হয়েছিল, আদার অফশন অফ!

মি ধ্রুব রাঠে, মি আকাশ ব্যানার্জি (দেশবখত) সহ অন্তত ২০/২২ জন ইউটিউব ক্রিয়েটর/ সাংবাদিক হিন্দিতে আমাদের নিয়ে যে ভিডিও বানাইছে, তা সেই দেশের অনেক মানুষ ইত্যমধ্যে দেখে ফেলেছে, যা আরো চিন্তার কারন! এদিকে আমরা ইন্ডিয়া নিয়ে কিছু লিখলে এক শ্রেণী আছে যারা কাই কাই করে উঠে, অথচ ওদের মিডিয়া, ইউটিউভার প্রতিদিন আমাদের দেশের সংবাদ বেছে, মতামত দেয়, তাদের আমরা কিছু বলতে পারি না।


৪।
আমি চান্স পেলে নানান ছবি তুলি। গতকাল বাড়িতে আমার জন্য দুইটা দেশী মুরগীর ডিম সিদ্ধ করে হাল্কা ভেজে দেয়া হয়েছিল! ডিম গুলোর সাইজ দেখে হাসছিলাম। আমাদের দেশের এক বুড়া ব্লগারের কথা মনে হয়েছিল, তার বিচি হয়ত খুলে ভেজে নিলে এমনই দেখাবে! (ইজি কুল, এমন বিচি এখন আমারও, আমি আমাকেও কল্পনা করছি)


সবাই ভাল থাকবেন, ফিরে আসছি আমার কোন নুতন লেখা নিয়ে!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৪৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০১


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30393976|প্রথম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৩



আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

২০১০, এক-এগারোর পর থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত- যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল, যারা গুম, নির্যাতন, কারাবাস, মামলা, চাকরি হারানো, পরিবার ভেঙে যাওয়া- সবকিছুর মূল্য দিয়েছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার জীবনে দেখা শ্রেষ্ঠ তিনটি পলায়ন দৃশ্যঃ-

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:০৩

আমার জীবনে দেখা শ্রেষ্ঠ তিনটি পলায়ন দৃশ্যঃ-



(১) ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনা তত্বাবধানে শেখ হাসিনার চপ্পল পড়ে দৌড়ে হেলিকপ্টার যোগে পলায়ন দৃশ্য
"১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০১


সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×