somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাহাদাত উদরাজী
সাহাদাত উদরাজী'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - 'গল্প ও রান্না' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

কি সব ভাবছি!

২৬ শে আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সকাল থেকে অনেক বিষয় মাথায় কিলবিল করছে, ভাবি এটা সেটা নিয়ে কিছু লিখি, কিন্তু বসলেই আর ইচ্ছা হয় না, এত এত বিশ্রী বিষয়, কোনটা নিয়ে আগে লিখি! তবুও কিছু পয়েন্ট ডায়রীতে তুলে রাখি!

যেমন ধরেন তৌহিদ আফ্রিদি, ছেলেটা কেন এমন করলো? বুঝ হবার পরেই সে দেখেছে বাবার অনেক সম্পত্তি, সে শান্ত হয়ে বিদেশে পড়াশুনা শেষ করতে পারত, পারত দেশে বা বিদেশে কোন বড় ব্যবসা গড়ে তুলতে, নিরবে বাবার টাকায় এমন কোন ব্যবসা গড়তে পারত যে দেশের মানুষেরা তার ব্যক্তিত্বকে সন্মান জানাত, সাথে আরো মনে করেন ৫ ওয়াক্ত নামাজও পড়তে পারত(!)! না, সে এই সবের কিছুই করে নাই, কিশোর বয়সেই সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে গেল, মেয়ে নিয়ে হোতা শুরু করলো, মদপানিও হতে পারে। আকাম কুকাম এত করছে যে এখন একাউন্স শিট বের হচ্ছে! তার কি দরকার ছিলো, এত অল্প বয়সেই এত পাকনামিতে যাবার, ক্ষমতা দেখানোর। অন্যদিকে ধারনা করি, বাবার চুরি করা দখল করা প্রচুর সম্পত্তির লোভেই হয়ত সে এই পথে গিয়েছে! সে কিশোর বয়সেই মনে করেছে, সরকার পুলিশ এদের সাথে সম্পর্ক থাকলে তাদের ছোঁয়া যাবে না!

মি ফজলুর রহমান কিংবা মিস রুমিন ফারহানা, এরা কি তাদের বিবেকের বই খুলে দেখছে না। কি কয় না কয়, এদের পাগল বলবে না তো কারে পাগল কবে! ছাত্রছাত্রী জনতা কি কখনো ৭১ ভুলে গেছে, আমার তো মনে হয় না। এদের অনেকেই তো বলছে, ৭১ আমাদের স্বাধীনতা, ২৪ আমাদের মুক্তি। এখানে সমস্যা কি! অহেতুক এরা কেন বিশ্রী কথা বলছে। এই দেশের মালিক তো মেহনতি জনতাই, ক্ষেত খামার থেকে উঠে আসা জনতাই! কার ২/৩ জেনারেশন আগে কে কি করত, এই সব তো অজানা নয়! তাছাড়া এই মুক্তির জন্যই তো স্বাধীনতার আহবান করা হয়েছিল। কৃষক, জেলে, নাপিত, মুচি, দিন মুজুরের সন্তান বড় হলে, বড় পদে গেলে অসুবিধা কোথায়, নাকি সেই জমিদারীর প্রথাই আপনাদের চয়েজ। কথা বলার আগে কি এরা তাদের নিজেদের দলের সংবিধান পড়েনি!

বিএনপি বড় দল, অনেক সংগ্রামের পরে আজকের এই অবস্থানে এসেছে। উদার মানসিকতার জন্য অনেকেই পছন্দ করেন, বাংলাদেশী বলে আগে পরিচয় দেয়ার মত চেষ্টা এই দলের, অথচ এখন সঠিক ভূমিকা নিতে পারছে না। আমার ধারনা সুযোগ সন্ধানীরা প্রবেশ করে এই দলকে একদম গুবলেট বানিয়ে দিচ্ছে। স্বৈরাচারের পতনের পরে এই দলের প্রধানেরা সঠিক সিধান্ত নিতে পারছেন না বলেই মনে হয়। দূর্বাঘাস বা আগাছা পরিস্কার করার মত কাউকে এখন আর দেখি না! দলের ভারপাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে আসা দরকার, যদিও তিনি কি কারনে ফিরছেন না বা কি যুক্তি তা সাধারন মাথায় ধরছে না!

বাকী থাকে বর্তমান সরকার! মুলত আমরা এই সরকার প্রধানকে যতটা শক্তিশালী মনে করছিলাম, উনারা তা নন! খুব দূর্বল উপস্থাপনা এবং নৈতিকতা। সেই সব পুরানো শাসনই আমাদের দেখতে হচ্ছে। অভিযোগের পরেও তামাশা দেখছেন উনারা যে, দেখা যাক কি হয়। মানুষ উনাদের নিয়ে কনফিউজ হয়ে যাচ্ছে, মুলত উনারা কি চান! ক্ষমতা গ্রহনের পরের ৮/১০ মাস অনেক কিছুতেই ভাল করলে, এখন সেই আবার আগের অবস্থা। নির্বাচনের মাস ঘোষনার পরেই বাজার সহ সরকারী স্থাপনাতে সেই আগের রুপ, মানে দে আর খা! যাই হোক, না পারলে বিদায় হউক, দুনিয়াতে সব কিছুর বিকল্প আছে, নিশ্চয় কেহ না কেহ মাটি ফুড়ে বের হবেই!

তবে শেষ কথা হচ্ছে, যে যাই বলুক, দেশের মুল ক্ষমতা এখনো সাধারন ছাত্রছাত্রী আপামর জনতার কাছেই আছে! আমার ধারনা, আমাদের আবারো কোন প্রতিভাবান নেতা আসবে, আমরা আবারো রাস্তায় একত্রিত হব, কারন আমাদের মুক্তি লাগবেই, আমাদের সুশাসনের দেশ লাগবেই।

*এটা সত্য যে, মি প্রফেসর ইউনুস সাহেবের জন্য আমরা অনেক দিক দিয়ে এগিয়ে গিয়েছি কিন্তু তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় গুলো হয়ত বুঝতে পারছেন না, শক্ত হাতে অনেক বিষয় দমনের নীতিটা তিনি হয়ত বুঝেন, প্রয়োগ পাচ্ছেন না। আমি মনে করি, এটা হয়ত উনার শরীরের বয়সের বাঁধা।

** বাক স্বাধীনতার আলোকে লেখা। লেখা মনপুত না হলে এড়িয়ে যেতে পারেন। (নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে)
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মীয়তা বজায় রাখা ইসলামে ফরজ

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:১৪

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা (সিলাতুর রাহিম) একটি মৌলিক নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। এটি কেবল সামাজিক শিষ্টাচার নয়; বরং আল্লাহর নির্দেশিত ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কুরআন ও হাদীসে বারবার আত্মীয়তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ইলিশ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:২৬


ইলিশ!ইলিশ!! রূপালী ইলিশ, কোথায় তোমার দেশ? 
ভোজন রসিকের রসনায় তুমি তৃপ্তি অনিঃশেষ। 

সরষে- ইলিশ, ইলিশ-বেগুন আরও নানান পদ
যেমন তেমন রান্না তবুও খেতে দারুণ সোয়াদ

রূপে তুমি অনন্য ঝলমলে ও চকচকে।
যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গত এক দশকে ব্যাপক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু দ্বিতীয় রিফাইনারি (ERL-2) টা করে দেখান , সবার মুখ বন্ধ হয়ে যাবে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গতকাল নাটকীয়তায় ভরা একটা দিন আমরা পার করলাম । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন ঝড় বয়ে গেল। পুরো সোশ্যাল মিডিয়া যেন দুই ভাগে ভাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×