মি মিজানুর রহমান সিনহা (৮২), ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এক্মি ল্যাবরেটরিজ মারা গেছেন। শুক্রবার (১৬ মে) দিবাগত রাত ২টায় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না লিল্লাহে রাজেয়ুন। - আমি উনাকে দুই/তিন বার উনাদের এক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময়ে দেখেছি, ভাল মানুষ ছিলেন।

উনাদের সাথে কাজ করার সময়ে আমি বেশ কয়েকটা ব্যাপার লক্ষ করেছি যা আজো মনে পড়ে!
- উনাদের প্রতিষ্ঠানে কাজের সময় ছিলো ৯টা-৫টা, কোন কর্মকর্তা কর্মচারী ৫টার পরে অফিসে থাকতো না, ৫টার পরে থাকলে সন্দেহ করা হত বা বলা হত কাজের উপযুক্ত নয়। একজন জিএমও এই সময়ের পরে কাজ করত না, প্রয়োজনে ফোনে কাজ হত, তবে আমি একবার এক জিএমকে বলতে শুনেছি, ৫টার পরে কাজ করলে বলা হত, অফিস থেকে কি কিছু চুরি করবেন?
- উনাদের প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কর্মচারি কর্মকর্তাকে মাসের ১-৫ তারিখের মধ্যে বেতন বুঝিয়ে দিয়ে দেয়া হত! আমি নিজে ৩০/৩১ তারিখেও বেতন পেয়েছি। বলতে হয় বেতনের টাকা সবাইকে খামে ভরে দেয়া হত, এটা এক ধরণের সন্মান বলে আমি মনে করি। পে স্লিপ সাথে থাকত।
- উনাদের প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে দেশের শ্রম আইন মেনে চলতে দেখেছি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ছুটিছাটা, আর্নলিবের টাকা কড়ি চাকুরী ছাড়ার পরে যথাযত বুঝিয়ে দেয়া হত!
- উনাদের প্রতিষ্ঠানে সরকারের ভ্যাট ট্যাক্স ফাঁকি দেয়ার কোন প্রবণতা আমি কখনো দেখি নাই, কাউকে কখনো এই সব ফাঁকি দিতে বলা হত না, যা হিসাবে আসে তাই দিয়ে দেয়া হত, অডিট সেকশন খুব শক্ত সামর্থ্য ছিলো, পারচেজিং ডিভিশন কেনা কাটায় কোন দেরী করত না।
এখন কি অবস্থা জানি না! তবে আমি আমার প্রায় দেড় বছরের দেখা জানিয়ে দিলাম, যদিও বহু বছর আগের কথা। আমি দেশের বড় এমন আরো ৫/৬টা কোম্পানীতে কাজ করেছি, তখন এমন ব্যবস্থাপনা বিরল ছিলো।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



