গল্প কাহিনীতে যেমনই লাগুক, বাস্তবে কেউ আরেকজন মানুষের র মাংস খাচ্ছে শুনলেই আমাদের বিবমিষা আসে, নিজেরা এরকম কাজে অংশগ্রহনের প্রশ্নই আসে না। তবে বাস্তবতা অবশ্য ভিন্ন তথ্য দিচ্ছে। পাপুয়া নিউ গিনির দক্ষিন ফোর এলাকার লোকেরা 70 এর দশকেও মানুষ মানুষকে খেতো। অস্ট্রেলিয়ার সরকার নিষিদ্ধ ঘোষনার আগ পর্যন্ত, ওরা ওদের গ্রামের কেউ মারা গেলে তাদেরকে রান্না করে খেয়ে ফেলতো। বানিয়ে বলছি না পাপুয়া নিউ গিনির মানুষখেকোদের নিয়ে অনেক প্রবন্ধ, রিসার্চ পেপার আছে, ইন্টারনেটে খুজলেই পাবেন। অনেক সময় আশে পাশের গোষ্ঠির সাথে যুদ্ধে শত্রুপক্ষের যারা মারা যেত বা বন্দী হতো তাদেরকে খাওয়ার প্রথা ছিল। তবে অস্ট্রেলীয় সরকার কেন এই প্রথা নিষিদ্ধ করল তার কারন ভিন্ন। ষাটের দশকে নিউগিনির এসব লোকদের মধ্যে "Kyiy" (অথবা laughing sickness ) ভীষনভাবে ছড়িয়ে পড়ে। কুরু রোগে আক্রান্তদের প্রথমে নড়াচড়া, কথা বলায় সমস্যা হতে থাকে, এক পর্যায়ে তারা হাটা চলার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলে, শেষমেশ মারা যায়। রোগটার কারন ঠিক পরিষ্কার ছিল না, তবে বোঝা যাচ্ছিল যে সব এলাকায় মানুষখেকো প্রথা আছে সে সব এলাকায় রোগের প্রকোপ বেশী। 70 দশকে এক পর্যায়ে অস্ট্রেলীয় সরকার মানুষ খাওয়া ব্যান করে দেয়, এর পরপরই রোগের প্রকোপ বন্ধ হয়ে যায়।
পাপুয়া নিউ গিনির এসব জাতি ছাড়া অস্ট্রেলীয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় নিকট অতীতে মানুষ খাওয়ার প্রবনতা ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা, নিউ মেক্সিকো এলাকায় আনাসাজি নেটিভ আমেরিকানরা (অথবা রেড ইন্ডিয়ানরা) কিছুকাল আগেও উৎসব ও অন্যান্য উপলক্ষে মানুষ খেতো তার প্রত্নতাতি্বক প্রমান আছে। তবে বিজ্ঞানীরা বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এসব উদাহরনকে ইতিহাসের বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উল্লেখ করতে পছন্দ করতেন। গোল বাধলো বৃটেনে ম্যাড কাউ রোগের বিস্তারের গবেষনা করতে গিয়ে। ম্যাড কাউ এবং নিউ গিনির কুরু রোগের লক্ষন এবং পরিনতি তে মিল আছে। কিন্তু ম্যাডকাউ বিস্তার লাভ করে আক্রান্ত গরুর মগজ খেলে।
ম্যাডকাউ হতে পারে যদি আক্রান্ত গরু থেকে [link|http://en.wikipedia.org/wiki/Prion|wc
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



