উৎসর্গঃ যারা মনে প্রানে বিশ্বাস করেন আমি সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য লিখি, তাদের সবাইকে , ভালবেসে!!!]
ঃ ইমন, কাম হিয়ার স্ট্যাট!
প্রফেসরের বাজখাঁই গলা শুনে দৌঁড় লাগাই। নাস্তার রুটি মুখ ব্যাদান করে পড়ে থাকে।আমি দীর্ঘশ্বাস চাপি।
ঃ টেক দিস কেসেস, সিবলিঙস, ইলেকট্রিক বার্ন।
রাজাকে বলো, শুরু করতে। তুমি কি কি আনতে হবে, লিখে দাও। দা প্যারেন্টস প্রবাবলি ক্যান্ট অ্যাফোর্ড মাচ, অনেক দূর থেকে আসছে। হ্যানডেল ইট!
ঃ জি!
আমি আবার ছুট লাগাই। বারান্দায় গিয়ে আমার হৃৎপিন্ড থেমে যায়!
উর্মি-শর্মি। 7 আর সাড়ে 3 কি 4 বছর। নৌকা নিয়ে বের হয়েছিল খালে, ছিড়ে পড়া বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে ঝলসে গেছে, পানিতেও ডুবে গিয়েছিল।
বেশ কয়েক ঘন্টা কেটে গেছে মনে হয়। গরীবের ঘরের বাচ্চাদের স্বাস্থ্য এত ভাল হয় না। ছাই রঙ দেহ দুটা ফুলে ঢোল। স্ট্রেচার ভেসে যাচ্ছে মহা মূল্যবান ইনটারস্টিশিয়াল ফ্লুইডে।
এক ছুটে ওয়ার্ডে এসে আতিপাতি করে খুঁজি রাজা ভাই আর বর্না কে। 'হারামজাদী গেল কই! চলে গেল নাকি!!'
পেয়ে যাই ইন্টার্ন ী রুমে।
ঃ বর্না , তুই যাইস না।দুটা ইলেকট্রিক বার্ন কেস আসছে, দু বোন, আই নিড ইউ!!!
ঃ ইমন , তোর কি মাথা খারাপ? কাল সারারাত নাইট করেছি। আজকে সারাদিন এ্যাডমিশন সামলেছি। হ্যাভ ইউ নো হার্ট?
ঃ ইয়েস , ইউ আর রাইট!
[আমি নির্বিকার ওর হাতে কাগজ কলম গুঁজে দেই।] যাওয়ার আগে শুধু কি আনতে হবে বাপটাকে লিখে দিয়ে যা! আমি রাজাভাইকে খুঁজে আনি, উনার মোবাইল অফ!!!
ঃ ইমন, তুই না , একটা শুয়োরের বাচ্চা।
অনেকদিনের বন্ধুত্বে বর্না খুব ভালোই বোঝে কখন ইমন তাকে ফাঁদে ফেলে। ব্যাগ রেখে চলে যায় বারান্দায়, যেখানে অসহায় শিশুদুটোর মুখ দেখলে ওর বাড়ি যাওয়ার সব ইচ্ছাই উবে যাবে।
[চলবে?]
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




