somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সময় রক্ত চায়, আপনি কি করবেন?

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এখন সবাই তো নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত-- কথাটা সত্যি বলে মেনে নিতে পারছি না। তবে, আপাত দৃষ্টিতে তাই মনে হয়। মানুষ যতবার যার পিছনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে , ততবারই হয়েছে প্রতারিত। এক 71 এর পরে আর কখন আমরা " কোন নেতা/ নেত্রীর " কথা দিয়ে কথা রাখার উদাহরন টানতে পারি বলেন?

এমনকি 71 এও , যা করার তা তো আমরাই মানে লাখ লাখ মানুষ এক হয়ে একটা মাত্র লক্ষ্যে এগিয়েছিলাম বলেই তো আজকে বাংলাদেশ!!!

মানুষ কখনো নেতা বলে , এইজন্য করে না । নেতা শুধু উৎসাহ দেয়, বড় জোর দিন ক্ষণ ঠিক করে দেয় , আসল "করার" ক্ষমতা তো আমাদের।

এখন যেটা হয়েছে, মানুষ বিভ্রানত । 71 এ মানুষ জানতো, কি চাইতে হবে, কি ভাবে চাইতে হবে, এবং পাওয়ার অবশ্যম্ভাবী একটা পথও সামনে স্পষ্ট ছিলো। এখন তো আর সেই অবস্থা না।

সবাই শান্তি চাই। কে কবে শান্তি এনে দিয়েছে?

বর্তমান, রাজনীতিবিদরা সকলেই ব্যবসায়ী, সকলেই আমাদের নিয়ে ব্যবসা করে।

এটা যখন বুঝতেই পারছি, তখন কেন এখনও আশা করি যে এই "ওরা " ও "তারা " হঠাৎ কোন এক প্রত্যুষে " ভালো মানুষ" হয়ে যাবে, "দেশপ্রেমিক " হয়ে যাবে আর আমরা আমাদের কাঙ্খিত " শানতি" পেয়ে যাবো?

মানুষ এর চাওয়ার পারদ নামতে নামতে এখন কেউ আর উন্নয়ন চায় না, কেউ তাদের জন্য কিছু করবে, এই আশাও আর নেই কারো। শুধু এই টুকু চাওয়া, আমি কষ্টে সৃষ্টে যেই ফসলটা ফলিয়েছি, সেইটা রক্ষার, ভোগের এবং বিক্রির সুযোগটা থাকুক!!!

তবু এই টুকু অধিকার রক্ষাতেও চাই সঠিক নেতৃত্ব

আজকের বিশ্বায়নের যুগে আমরা প্রায় সকল দেশের নীল নকশার কাছে আক্রান্ত

নিজেকে রক্ষা করতে হলে চাই গ্লোবাল সিচুয়েশন বোঝার ক্ষমতা সম্পন্ন নেতৃত্ব

এটা বর্তমানের "তাড়কা" নেতৃত্বে নেই।

নতুন মানুষকে উঠে আসতে হবে।

আর সব ইতিহাসের মতই , একটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যদিয়েই নতুন কেউ নির্মিত আশা গুলো পূরণের পথ দেখাবেন।

পরিবর্তন কখনোই শান্তিপূর্ণ পথে আসে না।

প্রতিষ্ঠিত সমাজনেতারা যারা সুবিধাজনক অবস্থানে আছে, তারা কেন পরিবর্তন চাইবে? সুখে থাকতে ভুতে তো তাদের কিলোবে না!!!


অতএব, তৈরী হোন। নিশ্চিন্ত ঘুমের রাত একেবারেই শেষ।

সময় রক্ত চায়। আপনি ঠিক করুন, কোথায় কতটা ঢালবেন এবং কেন!!!

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
২৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাতিঘর (Lighthouse)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৬



বাতিঘর (Lighthouse)

বাতিঘর নিয়ে সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমার অনেক কৌতুহল ছিল। কেন ঐ বয়সেই বাতিঘর নিয়ে আমার এতটা আগ্রহ ছিল, তার কারণ আজও খুঁজে পাই না। অথচ আমি নিজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

"৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল বিশ্রাম। আওয়ামী লীগের দরকার ছিল শুদ্ধিকরণ। অন্যান্য দলগুলোরও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮... ...বাকিটুকু পড়ুন

যতবার শেষ, ততবার শুরু

লিখেছেন রাজসোহান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১১



তেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের মা মারা যান। জীবনস্মৃতিতে তিনি সেই রাতের কথা লিখেছেন। "যে রাত্রীতে তাঁহার মৃত্যু হয় আমরা তখন ঘুমাইতে ছিলাম। তখন কত রাত্রি জানি না, একজন পুরাতন... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই যোদ্ধা!

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৭


এই লোকটির নাম আল আমিন। সে বিশেষ একটি দলের হয়ে জুলাই মঞ্চে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেয় মাঝেমধ্যে। এর সম্পর্কে গুরুতর একটি অভিযোগ উঠেছে, সে নাকি ৫ আগস্ট দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের দাপুনিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×