এ গল্প সেই যুগের যখন মেইল ছিলো না,ফেসবুক ছিলো না, ছিল চিঠি লেখার যুগ, স্নেহময় চেটার্জী বাঙ্গালী যুবক, মিয়াগি জাপানী কিশোরী। তারা একে অপরকে চিঠি লেখে,ভাল লাগা জানায়, সুখে দুখে চিঠিতেই আপন হয়,তারপর? তারপর তারা চিঠিতেই বিয়ে করে ফেলে। স্নেহময় অনাথ,থাকে তার মাসির সাথে, মাসির বড় শখ স্নেহময়কে তার সইয়ের মেয়ের সাথে বিয়ে দেওয়ার, সেই মেয়ে হল রাইমা সেন, একদিকে বিধিবা রাইমা সেন, অপর দিকে জীবনে একবারো না দেখা মিয়াগি। স্নেহময় সিদুর কেনে, শাখা কেনে, মিয়াগিকে পাঠায়। মন খুব খারাপ থাকলে মিয়াগিকে লং ডিশটেন্স কল করে, ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে প্রেম বড় নিষ্পাপ।এভাবেই কেটে যায় ১৭ টি বছর, মিয়াগির ক্যান্সার হয়, স্নেহময় অসুস্থ হইয়ে পড়ে, মারা যায়,মিয়াগী ইন্ডিয়ায় আসে, তার প্রিয়তম স্বামীর রুমে হেটে বেড়ায়, দেখে কি গভীর মমতায় সব চিঠি,স্যুভিনিউর সাজানো রয়েছে। মুভির এক অংশে স্নেহময়ের সাথে তার মাসীর কথপকথনঃ
-কি বললি? তোর বে হয়ে গেচে?কবে হলো?নুকিয়ে নুকিয়ে? নাম কি? কই বললি নি?
-মিয়াগি।
-ই আবার কেমুন ধারা নাম বাপু? টা বামুন না কায়েত?
-জাপানী
মুভিটা দেখে আমি ভাল পাইছি, সুন্দর সাবলীল অন্যরকম একটা মুভি, ভালোই

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



